সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিক।
চতুঃপধগশ ভাগ
পত্রিকাধ্যক্ষ
সত্ীচিন্তাহরণ চক্রবর্তী
প্রবন্ধ-সূচী
প্রবন্ধের নাম লেখকের নাম
আগার) শ্রীযোগেশচন্ত্র রায় বিগ্থানিধি মহাশয়ের নংব দন! আলোচনা” মমতটেশ্বর শ্ীধারণরাতের তামশাসন--ডক্টর শ্রীঙিনেশচন্্ মরকা গ্রত্যুত্বর--স্রীদীনেশচন্্ ভট্টাচাধ। হৈহয়*কুলের শারধ্যাত শাখা--ডক্টর মুহম্মদ? শহীদুল্লাহ, চাটিগ্রামে পাঠান ও মঘর[জদ্ব--জীদীনেশচন্জ তা চাধ্য বাংর। মাময়িক-পত্র (১২৭৫-১২৭৮ মাল) গ্ীরজেনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় মহীপাঁলের নবাবিষ্তুত বেলএয়া-লিপি-শ্রীমনোরস্কন ৩৭ রচনাপন্ী--রীব্রজেন্ত্রনাথ বন্যোপাধ্যায় ? রমেশচজজ দত ছিজেন্লাল রায়ের পুস্তকাকারে অপ্রকাশিত গণ্যরচন। অমৃতলাল বন্ধুর পুস্তকাকারে অগ্রকাশিত রচনা রায়মকুট ও তাহার গুরুবংণ-প্রীদীনেশচন্্ ভট্টাচার্য ব্ীয়-দাহিত্য-পরিষদের দ্বিপঞ্চাপতম ও ভ্রিপঞ্াশত্তম বাঁধিক কাঁধ্যবিধরণ
পৃষ্ঠা
41)
সাহিত্য-পরিষখ-পত্রিক। ৫৪শ বর্ম ১ম ও ২য় সংখ্যা ১৩৫৪
রায়মুকুট ও তাঁহার গুরুবংশ ভ্রীদীনেশচজ্্র ভট্টাচার্য্য
্বর্গত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মহাশয় “বৃহস্পতি রা'য়মুকুট” প্রবন্ধে ( সাঁ-প-প, ৩৮) পৃ ৫৭-৬৪ ) তাহার সম্বন্ধে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করিয়াছিলেন । বর্তমান প্রবন্ধে নূতন গবেষণার ফল ও রায়মুকুটের গুরুবংশের কীন্তিকলাপ সংক্ষেপে লিখিত হইল।
নাম ও উপাধি £--বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষদে রাম্মমুকুট-রচিত অমরকোধটীকা পদচন্ত্রি কার একটি খণ্ডিত প্রতিলিপি আছে (২২৯ সং পুথি, পত্রসংখ্য! ১৫২)। তাহা হইতে একটি পুম্পিকা উদ্ধৃত হইল £-ইতি মহিস্তাপনীয়-কবিচক্রবন্তি-রাজপপ্ডিত-পপ্ডিতসার্ব্বভৌম- কবিপগ্িতছুড়ামণি-মহাচার্য-বরায়মুকুট মণি-শ্্ীমন্ব.হস্পতি-কৃতায়ামমরকোষপঞ্জিকায়াং . পঞ্- চক্্রিকায়াং ভূমিবর্গঃ সমাপ্ত; (১০১।২ পত্র )। পদচন্ত্রিকার অপরাপর পুধির পাঠে সামান্ত প্রভেদ দুষ্ট হয়--কধিপগ্ডিতচুড়ামণির পরিবর্তে পঞ্তিতচুড়ামণি এবং রায়মুকুট- মণির পরিবর্তে শুধু রামুকুট পাঠ আছে (1. 17. 2, 50৬11, 9. 467)। এই উপাধির বহর দেখিলে স্বতই মনে হয়, গ্রস্থকারের স্ঠায় মহাপত্ডিত বঙ্গদেশে আর জন্মায় নাই। ্রন্থকারের নাম প্ৰৃহস্পতি”। তাহার গুরুদত্ত উপাধি “মিশ্র” উদ্ধত পুশ্পিকায় নাই, কিন্ত র্থাত্তরের পুষ্পিকায় আছে (49, 9০, 458-9)। “্মহিন্তাপনীয়” কুলোপাধি বটে, স্বীয় শ্রেণী বাতস্ত গোত্রের অন্ততম গীঞ্চি ধ্রবানন্দের মহাবংশাবলীতে “মহিস্ত্যাপ্রূপে উল্লিখিত পাওয়া যায় (ভারতবর্ষ, বৈশাখ ১৩৪৭, পৃ. +০১)। বাকি ছয়টি উপাধি গ্রস্থকারের ক্রমপরিবর্ধীমান খ্যাতিপ্রতিপত্তির উজ্জল দীপস্তভের স্তায় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে অজ্জিত। তাহার প্রথম পৃষ্ঠপোষক ( জগদত্তের পুত্র) রায় রাজ)ধর দুইটি উপাধি দিয়! তাহাকে মণ্ডিত করিয়াছিলেন_-আচাধ্য ও কবিচক্রবর্তী। স্বৃতিরদ্বহারের প্রারস্তে ৭ম গ্লোকে পাওয়া যায় £--
আঁচার্ধ্য ইত্যভিমতং কবিচক্র(বর্তীত্যাখ্যাপদ-) ছিতঃমধ্যগমভ্তো! যঃ।.. : স শ্রীবৃহস্পতিরিমং বহুসংগ্রহা্থনিম্্াতি নিশ্মলমতিঃ স্তিরদবহারম্।
ছুঃখের বিষয়, স্বর্গত শাস্ত্রী মহাশয় রায় রাজ্যধন্থকে (বা'জা গণেশের পুত) জালালুদ্ধীনের বহিত, অভিজ্জ ধরিয়া বিষম ভ্রমে পতিত হইয়াছিজেন | ইহার সংশোধন অস্থাত দ্রষ্টব্য (বি, 0০১1, 50.45618-00 ১1115, 75-76) 1 ছুইটি টীকার পুগ্পিকা় প্রাজ্যধাচার্য” লিখিত হওয়ায় (1৮. 301, ঢ. 456 ) বুঝা যায়, গ্র্থকার উদ্ত রাজপুক্ষষেয় স্লাচাধ্য অর্দাড। উপাধ্যায় ছিলেন। পরে, আচার্য উ্ধাফিই নষ্াচার্যারূণে পরিগত হুইয়াছিল। পাচন্ত্রিকার আরঙ্কে ৮ম হ্লোকে লিখিত আছে, প্ডিভসার্ঘন্ৌগ স্উপাকিটি
রঙ
২ সাহিত্য-পরিষত-পত্রিকা, [১৯২ সংখ্যা
“গোঁড়াবনীবাসব” দ্বারা প্রদত্ত হইয়াছিল_-এই গোৌঁড়াধিপতি বার্ধক সাহা ( ১৪৫৯-১৪৭৬ ্রষ্টাব্দ )১ বলিয়া প্রতিপন্ন হয়। গ্রন্থকারের “রায়মুকুট” উপাধি হইতে অনুমান হয়, তিনি মধ্যযুগে রাজার মন্ত্রিত্ও করিয়াছিলেন । গ্রচ্ছপঞ্জী :_-“জল্ল/লদীননৃপতিগ্র সেনাপতি রায় রাঁজ্যধরের পোষকতায় তিনি প্রথম
বয়সে বহু টাকা গ্রস্থাদি রচনা করিয়াছিলেন । তন্মধ্যে মেঘদূতটাকা বোধবতী, কুমারসস্ভবটাকা সুবোধা) রঘুবংশটাকা বিবেক, মাঘটাকা নির্ণয়বুহস্পতি ও স্বৃতিরত্বহার আবিষ্কৃত হইয়াছে। শেষোজ গ্রন্থের বিবরণ ও উপকরণরাজি অন্যত্র দ্রষ্টব্য (1. 7. 2.১ ১11,500, 456-65)1 মেঘদৃতটাকায় স্বরচিত কাব্যপ্রকাশপঞ্জিকার উল্লেখ আছে, কিন্তু তাহা এখনও আবিষ্কৃত হয় নাই। কলিকাতা রয়েল এসিয়াটিক লোপাইটিতে রঘুবংশটীকার একটি খণ্ডিত পুথি আছে (১*৬৪২ সংখ্যক, ২-৮৯ পত্র, ষষ্ঠ সর্গের আদিভাগ পর্য্যস্ত )। ইহাও বেশ পাত্ডিত্যপূর্ণ। পুণ্পিকা যথা, (২৫২, ৪২১৪ ৫৭1২, ৭৩]২ ও ৮%|২ পত্রে ) “ক বিচক্র বর্তি-শ্রীবুহস্প তিমিশ্রকৃতে রঘুবংশবিবেকে ব্যাখ্যা( ন )বৃহস্পতিনায়লি... 1” ব্যাকরণ ও অলঙ্কার-ঘটত বিচার বৈশিষ্ট্পূর্ণ। ব্যাকরণে রক্ষিতের নাম (২1১, ১৮1১ ৩৪1১১ ৪৪1১ পত্রে) এবং অলঙ্কারশাস্ত্রে ভামহ, রুদ্রট, কগ্ঠাীভরণ, কাব্যপ্রকাশ প্রভৃতি ভিন্ন একটি অভিনব গ্রন্থ “কাব্যপ্রদীপেস্র নাম উল্লেখযোগ্য । এই কাব্যপ্রদীপ মৈথিল গোবিন্দঠন্কুর রচিত স্থুপ্রসিদ্ গ্রন্থ হইতে পৃথকৃ। একটি বচন উদ্ধত হইল £__
কাধ্যহেতুনিষেধেপি যদি কাধ্যপ্রকাশনং।
তদা বিভাবনা প্রোক্ত! ততস্ব্ূপমিহোচাতে ॥ ইতি কাব্য প্রদ্দীপঃ। (১০১ পত্র ) পদচন্ররি কায়ও এই গ্রস্থের বচন উদ্ধৃত হইয়াছে (1. |, 3. 51], 6. 470)- ইহ! সম্ভবতঃ গৌড়ীয় সম্প্রদায়ের এক চিরবিলুপ্ত প্রামাণিক গ্রস্থ। অপর একটি ছুর্নভ গ্রস্থের বচনও উদ্ধৃত হইল :--
যন্ত গন্ধমুপাঘ্রায় পলায়স্তে প্রতিদ্ধিপাঃ ৷
তং গন্ধহস্তিনং বিগ্যাব,পতেবিজয়াপহম্॥ ইতি ৰালকাত্যায়নঃ (৪৭।২পতর) ইহা লক্ষ্য করা আবশ্যক যে, এই সকল গ্রন্থ বায়মুকুট, পগ্ডিতসার্ধভৌম প্রভৃতি উপাধি অর্জনের পূর্বেই প্রথম যৌবনে রচিত হইয়াছিল। ইহাদের পুম্পিকায় কবিচক্রবর্তা ও আচার্য ভিন্ন অপর কোন উপাধির উল্লেখ নাই। কিন্তু পদচন্দ্রিকার রচনাকালে তিনি অতি ১) বার্বক সাহা ১৪৭৬ খ্রষ্টাবের প্রথম ভাগে জীবিত ছিলেন, এইক্সপ প্রমাণ আছে। হরিদাস তর্কাচার্যের শ্রান্ধবিবেকটাকার এক স্থলে ( বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষদের ১৫৯১ সংখ্যক সংস্কত পুথির ৩৪-৫ পত্রে ) পাওয়া যায়__“তথ! গৌড়প্রৌড়পরিবুড়ে বারবকে ব্বাজ্যং শাসতি সপ্তনবত্যধিকত্রয়োদশশতীমিতশকাৰে'"'মীনসংক্রান্তাবেকান্মশ্নজে ঘয়োঃ সংক্রান্তিশুস্ত্বং দৃষ্টমিতি বিশারদেনোক্তং ” ১৩৯৭ শকের মীনসংক্রাস্তি ১৪৭৬ সনের ফেব্রুয়ারী মালে পড়িয়াছিল। তখনও বার্ধক সাহা “প্রো” বয়সে জীবিত ছিলেন। এ শকাবের ' ছুইটি মলমাল.এবং একটি ক্ুয়মাস অতিহল্পভ জ্যোতিষ ঘটন! বটে।
৫৪শ বর্ষ] রায়মুকুট ও তাহার শুরুবংশ ৩
বৃদ্ধ ছিলেন) কারণ, তখন তাহার বিশ্বাসরায় প্রত্ৃতি পুত্রগণ রাজার শ্রেষ্ঠ মন্ত্রিপদে অধিষ্ঠিত হইয়া তুলাপুরুষ, ব্রহ্মাও, কল্পতর প্রভৃতি মহাদান সম্পাদনপুর্বক নানা শাস্ত্রে গ্রন্থ রচন। করাইয়া উন্নতির চরম সীমায় উাঠয়াছিলেন। বিখ্যাত মহাভারগুটীকাকার অর্জুন মিশ্র এই বিশ্বানরায়ের আদেশেই গ্রন্থ রচনা করিয়াছিলেন ;--
গোৌড়েশবরমহা মন্ত্রি-শ্রীমদ্বিশ্বাসরায়তঃ ।
লক্কান্ুজ্ঞেন লিখিতা৷ মোক্ষধন্্ীর্থদিপিক! ॥ (1. 7, 3.1, 0,466 দ্রষ্টব্য )1 নবাবিস্কৃত পুথির দ্বারা এখন অবধারিত হইয়াছে যে, ১৩৯৩ শকে (১৪৭৪ সনে । পদচন্ভ্রিক। রচিত হইয়াছিল; গ্রশ্থমধ্যে প্রসঙ্গক্রমে উল্লিখিত ১৬৫৩ শকাব্দ গ্রন্থের রচনাকাল নহে। এই মূল্যবান্ পুথির পুণ্পিকা আমর! পূর্বেই মুদ্রিত করিয়াছি (সা-প-প, ১৩৪৭, পৃ, ৪৩)
ংশোধিত পাঠ], 8.2. ১৬1]1) 72, 467-8 দ্রষ্টব্য। শেষাংশের পাঠ কিঞ্চিৎ
পরিবর্তনীয়--অগং বহির্ষো মূঢ় ইদঃ পুস্তকং ময়! লিখিতং কিম্বা মম পুস্তকমিদমিতি গদতি তন্ত গোবধব্রক্মবধফলম্। লদ্বংশজাতং গুণকেটিনঅং ধনুঃ কথং ক্ষত্য়সব্যহস্তে। শরঃ পরগ্রাণহরোপনব্যে সপক্ষযোগাদধমো! গরীয্জান্॥ ১৬৩1২ পত্র |) স্মৃতিরত্বহারে তিথিবিবেক ও শ্রাদ্ধবিবেকের বহুতর বচন উদ্ধত হইয়াছে । আমরা মিলাইয়। দেখিয়াছি, গ্রন্থ শূলপাণি-রচিতই বটে। হুতরাং রায়মুকুটের এই স্থৃতিগ্রস্থের রচনাকাল ১৪৪ সনের পূর্ব্বে যাইবে না এবং বর্তমানে তাহার অত্যুদয়কাল ১৪২৫-৭৫ দন মধ্যে নিঃসন্দেহে স্থাপন কর! যায়।
রায়মুকুটের বাদগৃহ গঙ্ার পশ্চিম কুলে রাড অঞ্চলে ছিল, এইরূপ অদ্ুমান করা যায়। রায়মুকুট তাহার পিতা গোবিন্দের গুণকীর্তনকালে একটি বিশেষণপদ দিয়াছেন__পগঙ্গা- পয়োহন্বহবিগাহনহীনপক্কাৎ” (পদচন্ত্রিকার ৩য় শ্লোক, “গঙ্গাপয়োলহরিগাহন, পাঠও আছে )। বুঝা যায়, তিনি নিত্য-গ্গান্গায়ী ছিলেন। কিন্তু পদচন্ট্রকায় তিনি স্পষ্টাক্ষরে লিখিয়াছেন, গঙ্গার পূর্বকূল অপবিত্র স্থান ২_-
পভারতব্ধন্ত প্রত্যন্তঃ প্রতিগতোহন্তঃ প্রত্যন্ত: শিষ্টাচাররহিতঃ কামপবজা দিয্লে্ছঃ।” ( বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষদের পুথি, ৯৮।৯ পত্র )
“নথ যদি পূর্ববলমুদ্রা বধিরার্ধ্যাবর্তঃ তদা গঙ্গায়াঃ পৃর্বকৃলমপি স্তাৎ। নৈবং, পুর্বং কিল দেবীকোটলমীপে পশ্চিমে পুর্ধোদধিরানীৎ তদপেক্ষ্য উক্তমিতি স্বামী ।* (এ, ৯৮1২ পত্র ) রায়মুকুটের অপরাপর বিবরণ পূর্বতন প্রবন্তে দ্রব্য (1. বে 0.১ 5011) 2, 456-71 )।
রায়মুকুটের গুরুবংশ
মাঘটাকার প্রারস্ে (নু, 7. 95511: 25] 0865 15027 854-5 ) এবং রঘুবংশটাকার প্রারস্তে ষষ্ঠ লোকে (1.. 2181) রায়মুকুট লিখিয়াছেন, তিনি স্বকীয় গুরু ভ্রীধর মিশ্রোর নিকট ম্বয়ং “িশ্র উপা লাভ করিয়াছিলেন । ( “সন্দর্ভশুদ্ধিমধিগম্য গিরাং গুরোর্ধঃ প্রীজীধরাত্বিতমিশ্রপদঃ স্বমিশ্বাৎ ") এই শ্রধর মিশ্র কে? পদচক্জিকায় শধরনামক একজন পূর্বতন অমরকোষ-টাকাকারের বচন বছু ক্থলে উদ্ধত
চি সাহিত্য-পরিষগ-পত্রিক। [ ১ম,আয সঙ্যা
হইয়াছে (আনন্দরাম বরুয়া-সম্পাদিত অমরকোঁষ, পৃ. ৩৪, ৬৫, ৭৩) ১১৪ ৬ ১১৯; পরিষদের পুধি ১০৩২ পত্র দ্রষ্টব্য )। তিনি অভিন্ন হইলেও হইতে পারেন। স্বৃতিরদ্রহারের এক স্থলে ( ১৪৮।১ পজে ) উল্লিখিত “শ্রীধরাহ্থিক” গ্রস্থও তাহার রচনা হইতে পারে। রাক্ক- মুকুটের গুরুর অভ্যুদয়কাল আনুমানিক ১৪০০-৫০ সন। এ সময়ে আমরা একজন “্মহ্োপাধ্যায় প্রধর মিশ্রে”র নাম পাই এবং তিনিই রায়মুকুটের গুরু ছিলেন বলিয়া অনুমান করা যায়! কলিকাতা প্য়েল এসিয়াটিক সোসাইটার পুথিশালায় *শ্রীগর্ভচক্রচুড়ামণি”- রচিত শুদ্রান্থিকবিধি নামক গ্রন্থের একটি প্রাচীন প্রতিলিপি রক্ষিত আছে। এই অতি পপ গ্রন্থের শেষাংশ ও পুম্পিফা যথাযথ উদ্ধৃত হইল £__-( ৩৬০৬ সংখ্যক পুথির ৬৬।২ পত্র) ষদ্গ্রন্থবিস্তরভয়াদিহ কিঞ্চদন্যদাখ্যাতমাহিকবিধো ন ময়া বিধেয়ং। শ্রীকেশবেন কবিনাখিলসজ্জনানামাচা রতস্তদধুনা পরিভাবনীয়ং ॥ ঘোহভুম্মিত্রকুলাগ্রণীঃ শুচবিতাপীযুষকুক্ষিন্থরি- বিদ্বাকেলিনিকেতন (₹) কতধিয়ামশ্রাস্তবিশ্রামভূঃ। তন্ত শ্রীধুতকেশবস্ত বচসা! শুদ্ধাকরঃ সাদরং শ্রীগডেণ কৃতোয়মাহ্নিকবিধিরা(ন্তা)ৎ সতাং গ্রীতয়ে ॥ ইতি মহোপাধ্যায়শ্রীমচ্ছীধর মিশ্রাস্ম জ-ভট্টাচার্যচক্রচূড়াম শি-শ্রীমঙ্ছীগর্ভবিরচিতঃ শুড্রাহিক- বিধি সমাপ্তঃ | শ্রীঃ। যথারৃষ্টং তগা লিখিতং লেখকো নাস্তি দোশকঃ। বৈদ্ধপরীভূবনানন্দ- সেনন্ত স্বাক্ষরমিদং শুভমস্ত শকাব্দাঃ। ১৪৬২ ॥ সুতরাং কেশব মিত্র নামক একজন বিছ্োৎসাহী কায়স্থের নিদেশে এই গ্রন্থ রচিত হইয়াছিল। প্রতিলিপির লেখনকাল ১৪৬২ শক (১৫৪-৪১ খ্রীঃ) হইতে গ্রন্থরচনাকালের অধস্তন সীমা ১৫২৫ খ্রীঃ ধরা যায়। আমরা গ্রস্থকারের প্রমাণপঞ্জী সংগ্রহ করিয়া দিতেছি, তদ্দার। তাহার অভ্যুদয়কাল অনুমান করা যাইবে। অনিরুদ্ধ ভট্ট (২৩২), অপিপাল (৩৩।২ ), আচাররত্বাকর (১৮১), কল্পতকু (২৩২ প্রভৃতি), কাশীখণ্ড (৫০1১), নারায়ণোপাধ্যায় (১৫1১), পরিশিষ্টপ্রকাশ ( ১৭।১, ৩৩1২), পারিজাত (১৭১), মদনপারিজাত (১৮১) ৩০1৯), ৫৩।১-২), রদ্বাকর (৩৪1১), বর্ঘমানোপাধ্যায় (২৯1২ ), শ্রান্ধবিবেকককৎ (১৫1১, ২১১), শ্রদত্ত (২৯২, ৪৯২ ) মোম মিশ্র (৩৩1২) স্থৃতিমঞ্জ.যা ( ৯৩।১-_মঞ্জরী নহে ) স্থৃতিসার (১৪২) ৬১২ ), হব্িনাথ (8১১), ছরিভজিি (৩৯।২ ), হলায়ুধ ( ১৫।৯ প্রভৃতি ), হারীতব্যাখ্যাতারঃ ( £৭.২ )। ্রস্থকার বর্ঘমানোপাধ্যায়ের পরবর্তী বাচম্পতিমিজ্রাদি মৈথিল শ্মার্তের নাম ও বচন উদ্ধাপ্ষ কয্ধেন নাই। শ্রান্ধবিবেককার শুলপাঁণিই তাহার প্রমাণপজীর মধ্যে আঘুনিকতম । এতদনুসারে তাহার রচনাকাল প্রায় ১৪৫০ খ্রীঃ বলিয়া, অনুমান করাই ঘুক্তিতুক্ত রং তাহার পিতা গ্রধর মিশ্রের অক্যুদয়কাল ৯৪০০-৫০ পন মধ্যে অনুমান করা যায়। প্রসঙ্- ক্রমে এ স্থলে ভ্ীগর্ডের গ্রন্থাঙ্ি হুইতে দুইটি, প্রাচীন গৌড়ীয় স্মৃতিগ্রন্থের নাম ও বিবনণ মক্ধলিত হইল ।
হঃশা] রায়মুকুট ও তীহীর গুঁরুবংশ ্
হয়িভক্তি গ্রন্থ :-্রীগর্ভ এই গ্রন্থ হইতে একটি সমন্দর্ভ উদ্ভুত করিয়াছেন £-- প্দেবোপরিধৃতং মন্তকোপারধৃতং বামহস্তধূতং অধোবন্তরধৃতং অন্তর্জলক্ষালিতঞ্চ হরিভক্তি" সংগ্রহে নিষিদ্ধতয়া গণিত* |” (৩৯২ পত্র) লোপাইটির পুথিটির সহিত অপর ছুইডি খণ্ডিত অজ্ঞাতনাম৷ স্মৃতিগ্রস্থের অংশ রক্ষিত আছে। তন্মধ্যে আহ্িকাচারবিষয়্ক গ্রন্থের ২৩।২ পত্রে "হুরিভক্তিনায়ি নিবন্ধে” বলিয়া উদ্ধত বচনটি অবিকল পাওয়া যায়। রঘুনন্দনের একাদশীতত্বে (হরিনাথ স্থতিভৃষণের সংস্করণ, পৃ ১৬৮) ও আফ্ছিকতত্বে (পৃ. ৩৪ ) ই উদ্ধত হইয়াছে এবং এক সময়ে হরিভক্তিবিলাস গ্রন্থের সহিত ইহাকে অভিন্ন ধরিস্কা রথুনন্দনের ভ্রান্তিমূলক কালবিচার হইয়াছিল ( নবদ্বীপমহিমা, ১ম সং) পৃ. ১১১-২ ), যদিও বস্তুতঃ তরী বচন শেষোক্ত বৈষ্ণবগ্রন্তে পাওয়া যায় না। শ্রীগর্ভের উল্লেখ দ্বারা প্রতিপন্ন হয়, এই হরিভক্তি গ্রন্থ প্রাচীনতর |
অপিপাল £ শ্রীগর্ভের উদ্ধৃত বচণ্টি এই £-_ণ্যব্বপিপাল-কারিত-শুদপদ্ধতৌ সোমধি- শভ্রেণোক্তং, ব্রহ্মাদিতর্পণং নমো ত্রহ্ধা তৃপ্যতামিতি বাক্যেন শৃদৈর্ন বর্তব্যং তৃপ্যতামিত্যন্ত মন্ত্ত্বাৎ।৮ (৩1২ পন্ত্র) অপিপালকারিত এই প্রসিদ্ধ গ্রন্থের চারিটি সুপ্রাগিন প্রতিলিপি এযাবৎ আবিষ্কৃত হইয়াছে। নবন্বীপেধ পুথি ([.. 1070, পল্রসংখ্যা ১১০) ১৪৪০ শকাকে অনুলিখিত। অপর একটি পুথি (-. 1980) ১৪৪২ শকে (সঘ্তে নহে) অনুলিখিত-» ইহার শেষ পৃষ্ঠার ছবি মুদ্রিত হইয়াছে (2.1. 01168: [1০288 ০7978, 299, 5০1 ৬, 21815 [৬ ) : গৌড়ের “নীলকঞ্ঠ” নামক এক প্রবীণ পণ্ডিতের আদেশে পনরহুরি” কর্তৃক ইহ] লিখিত হুইয়াছিল। কলিকাতা রয়েল এসিয়াটিক সোপাইটিতে দুইটি গ্রাতিলিপি রক্ষিত আছে, আমর! উভয়ই পরীক্ষা করিয়াছি । এই মূলাবান্ গ্রন্থ সম্বন্ধে নূতন তথ্য সঙ্কলিত হইল। ৩৭৯3 সংখ্যক পুথির শেষ পত্রে (১৫৫২ ) পাওয়া যায়--্রবাণীনাথ মিশর কর্তৃক ১৪৪৬ শকের ২২ আশিন ইহা! অন্ুলিখিত। একটি পৃথক্ পত্রে লেখকের উদ্ধ'তন ৭ পুরুষের নাম ১৯ শ্লোকে মনোহর ছন্দে কীস্কিত হইয়াছে__“গৌড়ে রাচাভূমিরস্ভা যন্তাং গঙ্গা মুক্তিবদান্া |” ইত্যাদি । এই মিত্র-বংশের আদি-পুকুষ “হষিহর মির” (৪ শ্লোক), তংপুত্র সুর্য মিত্র (৬ শ্লোক) ইত্যাদি । উহাদের বাসস্থান রাঢেএ অন্তর্গত “বহেডাপপুরী”। শ্রীগর্ডোদ্ধত বচনটি ৩২1১ পত্রে যথাযথ পাওয়া যায়। শ্রাদ্ধপ্রকরণের শেষে একটি পুষ্পিকা এই-_-ইতি শ্রীমদপিপালকারিতায়াং লোমমিশ্ররচিতায়াং শৃদ্রপদ্ধতৌ রান্ধপ্রকারাঃ সমাপ্তা ॥ অতঃপর অশৌগপ্রকরণের আরস্তে নিয়লিখিত শ্লোকে অপিপালের স্তৃতি দৃষ্ট হয় ২--
গঙ্গাস্তঃপরি শুদধমূষ্ঠিরনিশং বারেক্্রপালান্বয়াদ্
রঃ ্রীযানপিপাল ইত্যুদিতবানিন্দুঃ পয়োধেকিব ।
আ্আরাধ্য শ্রুতিবেদিন: সবৃহশত্তেন ম্ববর্ণো চতঃ
শুর্রাক্পৌচবিেক এয রচিতো মহ্বাদিযাব্রেজিত্ঃ ॥ (১২১২ পত্র)
১ সাহিতা-পরিষত-পত্রিকা [3১ ২র সংখ্য!
(১৫৬৫ সংখ্যক পুথিতে ৭১১ পত্রে উল্লিখিত পুম্পিকা নাই এবং শ্লোকটির পাঠভেদ আছে-- পালাহ্বয়ে স." পয়োধাবিব। আপাগ্ ম্মৃতি 'স্বধন্মোচিতঃ *'লারোক্তিভিঃ।) ২৯ পত্রে শ্্লোকাকারে গ্রন্থের একটি বিষয়স্থচি (“সংখ্যয়া সপ্তবিংশতিঃ” ) দৃষ্ট হয়। ১৫৬৫ সংখ্যক পুথি শাগ্ডিল্যগোত্রীয় নীলকদাসকতৃকি ১৪৪২ শকে লিখিত-_এই পুথিটি একটি সংক্ষিপ্ত সংস্করণ । প্রথম পুথির চি ইহাতে নাই এবং আদিতে ও মধ্যে কোন কোন প্রকরণ পরিত্যক্ত হইয়াছে। কিন্তু শ্রা্ধপ্রকরণের আরস্তে এই পুথিতে যে একটি গ্নোক ও গগ্ভাংশ আছে, তাহা প্রথমোক্ত পুথিতে বাদ পড়িয়াছে। শ্লোকটি এই £-- যৌসৌ শ্রাদ্ধক্রিয়াবানমলতরমতিঃ শূদ্র (ভুপালবংশঃ ) সৎকর্ভা বাড়বানামতিশয় করুণাকষ্ট.**। (বা )রেন্ত্রঃ স্বংশবস্তীতটবসতিরুপাদায় ভূরিস্মৃতিজ্ঞান্ স শ্রীমাঞ ছুপ্রজাতে( বিরচয়তি ) হিতং শ্রাদ্ধকর্্মাপিপালঃ॥ (৩০1২ পত্র ) সুতরাং বারেশ্র শ্রেণীর পালবংশীয় অপিপালের পৃষ্ঠপোষকতায় সোমমিশ্ কতৃকি এই গ্রন্থ গৌড়দেশেই রচিত হইয়াছিল। এই গ্রন্থের মত রঘুনন্দনও প্রামাণিক বলিয়া উল্লেখ করিয়াছেন ( যুর্জেদিশ্রাদ্ধতত্বে, জীবানন্দ সং, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪৯৪ ও ৪৯৮, পুথির ৪৬1১ ও £১1১ পত্র দ্রষ্টব্য )। অপিপালের প্রমাণপঞ্জী এই £ - কল্পতরু, ধর্ম্াধাক্ষ (১০১ প্রভৃতি ), ভট্টপাদ বান্তিক (৮১), মিতাক্ষর! (81২ প্রভৃতি ), লক্ষীধর (১১।১), শিবাগম (৫৩১), শ্রাদ্ধদীপিকা (৮1১), শ্রীদত্ত (১০৫1১), স্মৃতিসমুচ্চয় (১০৮1১), হলাযুধ (২৭1২ ), হারীতভাষ্য (৯৮২ )1 অপিপালের কালনির্ণয় সহজসাধ্য। তাহার উদ্ধৃত বচনাদির মতে শ্রীদত্ত মতই আধুনিকতম। রদ্বাকর, বর্দমানোপাধ্যায় প্রভৃতি পরবর্তী মৈথিল ্রস্থাদির উল্লেখ তাহার গ্রন্থে নাই। হুতরাং ১৩৫০ শ্রী; তাহার অভ্যুদয়কালের উদ্ধতন সীমা বলিয়৷ গ্রহণ কর] যায়। পক্ষান্তরে রাঁয়মুকুটের স্থৃতিবদ্রহারে ( ১৮৩:২--১৮৪১ পত্রে) তাহার বচন উদ্ধত হইয়াছে £-- প্তথ। সে।মপদ্ধতৌ, তবকোপাৎ পুর! জাতো! ভৈরবো দমনাহবয়ঃ। দাস্তাস্তেনাস্রাঃ পূর্বে দানবাশ্চ মহাফলাঃ ॥ গ্রীতেনাথ শিবেনোক্তো বিটপে! ভব ভূতলে। মততনুত্বমন্ প্রাপ্য মন্তোগায় ভবিষ্যসি ॥ পুজস্রিয্যন্তি যে মর্ত্যা মাং তত্র পুষ্পবারিভিঃ। তে যাস্তি পরমং স্থানং দমন ত্বপ্রসাদতঃ ॥ যে পুনর্ণ করিষ্যন্তি দানবং পর্ব মানবাঃ | তেথাং পুপ্যফলং দত্তং ময় তে চৈত্রমাসিকং ॥” এস্থলে অপিপালের শুদ্রপদ্ধতিই প্রকৃত গ্রন্থকর্তা সোমমিশ্রের মামে সোমপদ্ধতি বলিয়া উল্লিখিত হইয়াছে । উদ্ধত বচন ৩৭৯৪ সংখ্যক পুধির ৫৩1১ পত্রে পাওয়া বায়__"অথ দমনকবিবিঃ | শিবাখমে, হকোপাৎ” ইত্যাদি। পাঠাত্তরখঁলি লিখিত হইল :--মছাবলা
4৪শ ব্য ] রায়মুকুট ও তাহার গুরুবংশ দ
“**বিটপী...ভক্তা। দেবং ত্বৎপল্লবাদিভিঃ ৷ তেযান্তস্তি পরং'*'দামনং পর্ব..এ তেষাং তে চৈত্রমাসোথং দত্ং পুণ্যফলং ময়া | ১৫৬৫ সংখ্যক পুথিতে দমনকবিধি পরিত্যক্ষ হইয়াছে। রায়মুকুটের স্থৃতিগ্রস্থ প্রায় ১৪৪০ সনে রচিত হয় (1. ছা]. 2. ১ড1], 7. 465) ছ্ুতরাং উল্লিখিত পাঠভেদের কারণ বিবেচনা করিয়া ১৪০* মন অপিপালের অধস্তন সীম] নির্ণয় করা যায়। ফলতঃ অপিপালের গ্রন্থ ত্বীঃ ১৪শ শতাকীর একটি গৌড়ীয় শ্রেষ্ঠ স্থতিগ্রস্থূপে গ্রহণীয়। গ্রস্থকার সোমমিশ্র বারেক্জ শ্রেণীর ব্রাহ্মণ ছিলেন বলিয়্া৷ অনুমান কর! যায়। শ্রীগর্ভের বিচিত্র উপাধি *ভট্টাচাধ্যচক্রচুড়ামণি* ( সংক্ষেপে পচক্রচুড়ামণি” ) তাহাকে সমসাময়িক পণ্ডিতদের মধ্যে চিহ্নিত করিয়! রাখিয়াছে। সুতরাং সহজেই নির্ণয় কর! যায় যে, তাহার পুত্র এবং পৌত্রও দেশপ্রসিদ্ধ পণ্ডিত ছিলেন। বঙগীয়-সাহিত্য-পরিষদের পুথিশালায় “গদানন্দ সিদ্ধান্তধাগীশ”-রচিত মহাঁভারতীয় বিরাটপর্ষের টাকার এক খণ্ডিত প্রতিলিপি রক্ষিত আছে ( ১৭৫০ সংখ্যক পুথি, পত্রসংখ্যা মাত্র ২) গ্রন্থারস্তে ষে বিবরণ আছে, তন্দার! অনায়াসে তাহাকে প্রবন্ধোক্ত প্রীগর্ভের পৌত্র বলিয়া! ধর! যায় £--ওয় শ্লোকটি উদ্ধৃত হইল (00179119811 : [065, (59651776605 0. 50৮111 দ্রষ্টব্য ) ২ প্রগর্ভ(শ)চক্রচুড়ীমপিরজনি লতাং তংনতশ্চক্রবন্তি ভট্টাচার্যোতিচুকু, লমজনি ম গছানন্দ এততনূজঃ | ধীরঃ জিদ্ধাস্তবাশগীগপদমূদধদ্ ভারতজ্ঞানদীপং ্রজ্ঞাবর্তী বিচারানলবিমলমতাঘারমাবিষ্করে!তি ॥ এতদহুমা রে ্রগর্ভের পুত্র পচক্রবন্তি ভট্টাচার্য)” ও অতিচুপ অর্থাৎ মহাপপ্ডিত ছিলেন এবং বুঝা যায়। শিরোমণি প্রন্থতির ভ্াক় একমাত্র উপাধিদারাই তীহার পাণ্ডিত্যযশঃ পরিব্যাপ্ত হয়। গদাননের এই ক্ষুত্র টাকা গ্রন্থ হইতে কিছু কিছু নৃতন তথ্য জ্ঞাত হওয়! যায়। ভীহার টাক! “বসন্ত রায়কৃত ভারতভূষণ” নামক গ্রন্থ অবলম্বনে লিখিত। বসস্ত রায়ের প্রায়” উপাধি রায়মুকুটপু বিশ্বাসরায়াদির স্তায় মন্তিত্বাি রাজপুরুষবৃত্তি সুচনা! করে। গদানন্দ প্রধানতঃ *টাকাচভুষ্টয়ে”র (১,।২, ৯২১ পত্র জ্ষটব্য ) পাঠ ও ব্যাখ্যা পদে পদে উদ্ধত ক্রিয়াছেন--দেবস্বামী, চতুতুজ মিশ্র, বিমলবোধ ও অর্জুন'মিশ্র-_-এবং “বয়ং” বলিয়া ধহ স্থলে শবক্কৃত নৃতন ব্যাখ্যা দিয়াছেন। উদাহরণন্বরূপ একটি স্থল উল্লেখযোগ্য । অ্জুন বিরাটরাজ- পুত্রকে গাণ্ীবের লম্বন্ধে বলেন, পার্থ ৬৫ বংলর ইহ, ধারণ করেন। এই উক্তির সামঞ্জন্ত করিতে টীকাকারগণ বেগ পাইয়াছেন | গঞাননের মতে প্পার্থস্ত জীবিতকালাপেক্ষয়ৈব ইদমুক্তম" (১৭২ পত্র )। পরে, অন্ত মত উল্লেখ করিয়া উপসংহারে লিখিয়াছেন ১-- পূর্ববাপরবিরোধেন গ্রস্থালংগতিরীদৃশী । নিপুণং ভাবয়ত্তিস্ত সমাধেয়া বিচক্ষগৈঃ ॥ নির্দৎসরাঃ প্রকত্যৈব সম্তঃ লদ্গ্রহিলাষভঃ ()। অদীয়লোহ্নগৃহুত্ত মতং মম বিপশ্চিতঃ ॥ (১৮1১ পত্র)
৮ সাহিত্য-পরিষত্-পত্রিকা ] ১ম সংখ্যা
গদানন্দের প্রমাণপঞ্জী অকারাদিক্রমে সঙ্কলিত হইল, কেবল টীকা-চতুষ্টয়ের সংক্ষিপ্তাকার নাম পরিত্যক্ত হইল ।
অমর (৬।২), অযরটাক| (৩১১, ১২২), কল্পতকু (পপূজাকাগুকল্পতরো ভবিব্যপুরাণং” ০1২), গোবর্দান (“কবর্গচতুর্থস্ত প্রামাদিক ইতি পুরুষোত্তমদে বগোবদ্ধনৌ”-_-সংহশব্দে টিগ্লনী ১২।২), জনমেজয় (হরিবংশটাকা কৃত্তিভষ্টজনমেজয়াদিভিঃ ২২, তম্মাতন্ট্রজনমেজয়মতং সম্যক্ ১১1১), টীকা (২১), তন্ত্প্রদীপ (কালাধ্বনোরত্যন্তসংযোগে দ্বিতীয়া সপ্ুম্যপবাদিকা ইতি তত্্রপ্রদীপঃ ২1১, খতেশবযোগেপি কচিদ্থিতীয়েতি তত্তরপ্রদীপঃ ৫1১), দ্েবস্বামী (১২1১), পুরুযোত্তমদেব (১২1২), ভাষাবৃত্তিকৃৎ (৯১), মেদিনি (২১ প্রভৃতি বহু স্থলে, হশ্ব-ইকারাস্ত বিশুদ্ধ পাঠ উল্লেখযোগ্য), রঘু (২২, ১২1২), রত্বাকর (মাতামেকাদশীং বিদ্বাৎ স্বসাং তু স্বাদশীং 'বিছুঃ ইতি রত্বাকরঃ ৩1২), রায় (অর্থাৎ রায়মুকুট, কশ্তশবস্তালব্য ইতি রায়াদয়ঃ ১০।১), বর্ণদেশনাদয়ঃ (১০)৯), শবামহার্ণব (১২1১) শব্দার্থব (১৭১), শালিহবোন্ধ (৮1৯), স্ুভৃতি (৫1২), স্বামী :(১২), হড্5চন্জ্র (৯1২), হারলতা (৬1১)।
স্টীকাকারদের মধ্যে কুন মিশ্র (9২) ১৫২) আধুনিকতম। অ্জুন মিশরের অভ্যুদয়কাল শ্রী; ১৫শ শতাব্দীর শেষার্ধ। কারণ, রায়মুকুটপুত্র বিশ্বাসরায় তাহার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। পদচন্দ্রিকায় বিশ্বাসরায়ের সম্বন্ধে একটি উক্তি--“তত্দ্গ্রস্থবিশেষনির্দিতক্ূৃতঃ কৃৎনেষু শাস্ত্রেষু তে”-_হুইতে অন্যান হয়, (৯৪৭৪ সনে) পদচন্জ্িকা রচনার পূর্বেই অজুনন দিশ্রের ভারতটাকা বিশ্বাসরায়ের প্রেরণায় রচিত হইয়াছিল । উদ্ধৃত প্রমাণপঞ্জীর অপর সকলেই প্রাচীনতর। ন্জুক্তরাং গদানদ্দের অভ্যুদমকাল শ্রীঃ ১৬শ শতাবীর প্রথমাদ্ধে স্থাপন করা যায়। ছুঃখের বিষয়, পরিষদের খণ্ডিত পুথিটি বিরাটপর্কের মীলকঠপঠিত ৫২ অধ্যায়ের প্রথম ভাগ পর্যাস্ত গিয়াছে । গদ্ানন্দ বু পাঠাস্তর উল্লেখ করিয়াছেন, বিরাটপর্কের পাঠনির্ণয়ে তাহাদের উপযোগিত। আছে। ৃঁ , পরিশেষে দ্বাঘমুকুটের গুরুবংশের নামমালা ও আহুমানিক অভ্যুদয়কাঁল লতাকারে স্রদশিত হইল। বাঙলার সংস্কৃতির ইতিহামে এইরপ শত লহত্র ছিন্ন গুধধ লতা অতীত গমৃদ্ধির বার্তা বহুন করিয়! বিভিন্ন পুথিশালার নির্জন কক্ষে সহ্ৃদয় পাঠকদের নিকট জীবন :ভিক্ষা কত্সিতেছে--বর্তমাম স্কটকালে তাহাদের যে জীবন-সংশয় উপস্থিত হইয়াছে, তাহাতে 'ঈদ্দেছ নাই।
মহোপাধ্যায় শ্রীধরমিশ্র (১৪০১-৫০ খ্রীঃ)
জগ টা চক্রচুড়ামণি (১৪৩০-৮০) চক্ররবপ্তি ষ্টাচায্য (১৪৭০-১৫২) গদানব্দ দিদ্ধাস্তধাসীশ (১. ৬৪-১৫৫%)
রটনাপঞ্জী
ভীব্রজ্জনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়-সন্কলিত
রমেশচন্ দত্ত
( জন্ম : ১৩ আগষ্ট ১৮৪৮; মৃত্যু ৩০ নবেম্বর ১৯০৯)
১। বঙ্গবিজেত| ( উপন্যাস )। ১২৮১ লাল (১৬ ডিসেম্বর ১৮৭৪ )। পৃ" ৩১৮ ২। আতধবীকম্কণ ( উপন্তাঁন )। ১২৮৪ সাল (৪ জুলাই ১৮৭৭ )| পৃ. ২০৭ +টাকা1%5। ৩। জীবন-প্রভাত ( উপন্তাস )। ১২৮৫ লাল (৮ নবেম্বর ১৮৭৮)। পৃ. ৩৯০ | ৪1 জীবনসন্ধ্য। ( উপন্যাস )। ১২৮৬ সাল (৫ জুলাই ১৮৭৯)। পৃ. ২১৩। ৫1 শ্াতবর্ষ। ১২৮৬ সাল (১৭ সেপ্টেম্বর ১৮৭৯)। পৃ, ১০৪৬। ( বঙ্গবিজেতা, জীবন-সন্ধ্য!) মাধবীকন্কণ ও জীবন-প্রভাত একত্রে) ৬। খাখেদ সংহিতা; ইং ১৮৮৫-৮৭। মূল সংস্কৃত (প্রথমোহষ্টকঃ)। আখিন ৯২৯২ (ইং ১৮৮৫) পৃ ৭৬৪1 বঙ্গান্ববাদ (১ম-৮ম অষ্টক )) ইং ১৮৮৫-৮৭ | ৭। হিম্দুশী্ম, ১৯ ভাগ । (শা্সদ্ত পত্ডিতগণ ছারা সঙ্কলিত ও অনুদিত )। ১৩৪-১৩০৩ সাল (ইং ১৮৯৩*৯৭)।
প্রথম খণ্ড £-- ১ম.ভাঁগ-_বেদমংহিত। .* সত্যত্রত সামশ্রমী ও রমেশচন্্র দণ্ড ২য় ভাগ-_ত্রাঙ্গণ, আরণ্যক ও উপনিষদ .*. এ ৩য় ভাগ__শ্রোত, গৃহ ও ধর্মস্থত্ *** ৪ ভাগ-_ধর্মশান্ *** কঞ$কমল তষ্টাচাধ্য ৫ম ভাগ-_ষড় দর্শন ** কালীবর বেদাস্তবাগীশ দ্বিতীয় খণ্ড :-_ ৬ষ্ঠ ভাগ-_রামায়ণ *** ছেমচজ্জ বিদ্যারদু ৭ম ভাগ-_মঙ্াভারত *** দামোদর [মুখোপাধ্যায়] বিস্তানন্দ ৮ম ভাগ- শ্রীমডগবাদগীতা রঃ এ ঈম ভাগ-_অষ্টাদশ পুরাণ *** আগ্ততোষ শাস্ত্রী ও হাধীকেশ শান্ধী
৮1. সংসার ( উপন্তান)। (৫ মে ১৮৮৬)। পৃ. ১৫৬ ৯। রামাজ (উপন্তান )। ১৩০১ লাল (২৭ ভুলাই ১৮৯৪ )। পৃ. ২৯২। ১০] গংসার-কথা ( উপন্াঁন )। 1 (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯১০ )| পৃ' ৩৬১। ( 'ংলারা-এর পরিষণতিত লংস্বরণ মৃত্যুর পরে প্রকাশিত ) ২
১০ সাহিত্য-পরিষত-পত্রিকা [ ১২,২য সংখা।
পুস্তকাকারে 'অগ্রকাশিত বাংল! রচনা
পুরাতন সাময়িক-পত্রের পৃষ্ঠায় পুস্তকাকারে অপ্রকাশিত রষেশচন্দ্রের বহু বাংলা রচন! বিক্ষিপ্ত রহিয়াছে । এগুলির-একটি নির্ভরযোগ্য তালিক! প্রদত্ব হইল :__
খগ্েদের দেবগণ ০০ নিবজবন” শ্রাবণ-কান্তিক, মাঘ-চৈত্র ১২৯২7 বৈশাখ ১২৯৩
হিন্দু আর্ধদিগের প্রাচীন ইতিহাস ... *** নিব্যভারত', পৌষ ৯২৯৭-_বৈশাখ ১৩০০
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যানাগর “৭ ০** হিবাভারত” ভাদ্র ১২৯৮
কবি কালিদাস ***:*** ভারতী ও বালক”, পৌষ ১২৯৯
কধি তবভূতি ১০:০০ সাধনা মাঘ ১২৯৯
উন্নতির ধুগ ১০০০ সাধনা?) চৈত্র ১২৯৯
ব্ক্কমচন্দ্র চট্টোপাব)|ধ ****** নিব্যভারত”, বৈশাখ ১৩৪১
বঞ্ধিমচন্্র ও আধুনিক বঙ্গীয় সাহিত্য. *** 'সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা, ৯ম সংখ্যা ১৩*১
মুকুন্দরাম ও ভারতচন্ত্র ****** সাহিত্য-পরিষৎ্পত্রিকা?, ৩য় সংখ্যা ১৩০১
দুদিনের স্বদেশযাপন “ভারতী', বৈশাখ ১৩০৭
ভারতবাসীদিগের দরিদ্রতা ও রা কার গপ্রভাত/, ১০ই জ্যৈঠ ১৩০৭
হিন্দু দর্শন ৮০:০৮ থভারতী/, বৈশাখ-জ্োষ্ঠ ১৩০৮
ভারতীয় ছুিক্ষ (ডাহার কারণ ও প্রতীকার) ভারতী” আষাঢ় ১৩০৮
ব্রিটিশ শাসনে ভারতীয় শিল্পের অবনতি ... “ভারতী+, শ্রাবণ ১৩০৮
যঙ্গদেশে রাজস্ব বন্দোবস্ত “০০০ ভারতী", পৌষ ১৩০৮
ভারতের অর্থনৈতিক সমস্তা **:০* €ভারতী/, ফান্তন ১৩০৮
ভূমিকর আন্দোলনের ফলাফল .** ৮" ভারতী, বৈশাখ, আষাঢ় ১৩*৯
বারাণসী শিল্প-সমিতি *** *** ভাগ্ডার, ফান্তুন ১৩১২
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের পুস্তকাকারে অপ্রকাশিত গগ্ঠ-রচন!
৯৩৫১ সালের ৩য়-৪র্থ সংখ্যা “দাহিত্য-পরিষৎপত্রিকায় ঘবিজেন্ত্রলালের গ্রন্থাবলীর কালাশ্গক্রমিক তালিক! প্রকাশ করিয়াছি। তাহার পুস্তকাকারে অপ্রকাশিত গণ্ত-রচনাগুলি পুরাতন সাময়িক-পত্রের পৃষ্ঠায় বিক্ষিপ্ত রহিয়াছে । মৃত্যুর অব্যবহিত পুর্বে তিনি এগুলি একত্র করিয়া “চিন্তা ও কল্পন। নামে ছাপিতে দিয়াছিলেন ; মুদ্রণকার্ধ্য অনেকটা অগ্রসরও হুইয়াছিল। কিন্তু তাহার আকম্মিক মৃত্যুতে উহ! শেষ-পধ্যন্ত সাধারণ্যে প্রচারিত হয় নাই। এই সকল রচনার মধ্যে কেবলমাত্র “কালিদাস ও ভবভূতি” তীছার মৃত্যুর পরে স্বতন্ত্র পুস্তকাকারে মুদ্রিত হইয়াছে; বাকী রচনাগুবির কয়েকটি “চিন্তা ও কল্পনা" নামে
ৎ৪শ বর্ষ] রচনাঁপ্ধী ১১
বন্মতী-প্রকাশিত “দ্বিজেন্্র-গরস্থীবলী'তে স্থান-পাইয়াছে। আমর! পুস্তকাকারে অপ্রকাশিত দ্বিজেন্ত্রলালের যতগুলি গদ্ রচমার সন্ধান পাইয়াছি, তাহার একটি তালিকা, দিলাম £--
১২৮৯, টচন্র ন্আাধ্যদর্শন” ১০. বাগী ও সংবাদপত্র ১২৯০ তত শক্তি? ১১০ নেতা ও নেতৃত্ব* ভাদ্র ০৭ নব্যভারত' রর জ্দয় ও মন পোৌঁষ টি ১১... প্রেম কি উন্মত্ত! ? ১২৯১৯২ *** পতাকা (সাপ্তাহিক) *.১. বিলাতের পত্র 1 ১৩০২, কাণ্তিক “ভারতী? ...... মানভিক্ষা পৌষ রি ...... নৃতন ও পুরাতন মাঘ ৮ ্ .. বাঙলার বঙ্গভূমি চৈত্র রি এ ...... ইংরাজি ও বাঙ্গলা পৌধাক ১৩০৩, বৈশাখ রঃ ..... ইংরাজি ও হিন্দু সঙ্গীত ১৩০৪, কান্তিক ,*. জন্মভূমি? (পৃ. ৩৩৫-৩৮) :.১০ জীবনী (শ্বরচিত) ১৩০৬ চৈত্র তত “সাহিত্য” *** গল্পের নমুন। ১৩১০১ অগ্রহায়ণ *** এ ***... কীর্তন ১৩১৩, আখিন **, ১... একটি পুরাতন মাঝির গান (আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা ) কা্িক রঃ ধপ্রবাসী। ***. কাব্যের অভিব্যক্চি ১৩১৪, বৈশাখ **, “সাহিত্য” ১... উপমা আবণ ৪ লি ১১. জাতিভেদ মাঘ ৫ “বজদর্শন .*.. কাব্যের উপভোগ ১৩১৫১ আষাঢ় ** “দাহিত্য* ১১১... বিষম সমস্তা মাঘ তত .... নৃবীনচন্দ্র ১৩১৬১ জ্যেষ্ঠ 5০০ টির কাব্যে নীতি মাঘ ত “বঙ্গদর্শন *** মোহিনী (গল্প) ৯৩১৭১ শাবণ *** নাট্য-মন্দির”.: .** আমার নাট্যজীবনের আরম্ত ভাদ্র ৪5 টি ,* অভিনেতার কর্তব্য
* ১৮৮৩ সনের ২৮এ অক্টোবর দ্বিজেন্্রলাল দেওঘরে “হুরভি/-সম্পাদক যোগীগ্রনাথ বন্থকে লিখিয়াছিলেন £--৭1 10855 36665. ৪0 8061016 0 নেতা ৪7 নেতৃত্ব 1) 026 শতি'26 15 8৫ 076 155600. ০ 07০ শক্তি,
1 নবন্কধ ঘোষ-রচিত “দিজেজ্্রলাল' (১৩২৩) ও দেবকুঘার রাঁয়চৌধুরী-রচিত “দ্বিজেজ্র- পলাব (৩২৪) পুস্তকে এই সকণ পত্রের অধিকাংশই উদ্ধৃত হইয়াছে |,
সাহিত্য-পরিষশু-পত্রিকা
১২
১৩১৭, আশ্বিন-কান্িক “বাণী, পৌষ নব্যতারত'
১৩১৬, শ্রাবণ ৮
১৩২৯, আষাঢ় “ভারতবর্ষ” শ্রাবণ , ভাত্র
[ ১ম। হয় সংখ্য।
“গোরা” (সমালোচন। ) সাহিত্যে আবর্জান! টাকের জয় সুচনা
ছত্র-মহিমা ( লেখনী চিত্র ) হরিপদর ঞুপদ শিক্ষা ( নকা)
ইহ! ছাড়া দবহীধ রর নামে একটি টন রচনা দেবকুমার বায়চৌধুরী-গ্রণীত
£দ্বিজেন্্রলালে? (পৃ. ৬৭৭-৮০) মুদ্রিত
হইয়াছে।
অস্থতলাল বন্ুর পুস্তকাকারে অপ্রকাশিত রচনা
নাঁট্যগ্রন্থ ব্যতীত অমৃতলাল বছ সুচিন্তিত প্রবন্ধ, গল্প-উপন্যাস, কবিতা-গান এ্রভৃতি রচনা করিয়। গিয়াছেন। দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিকপত্রের পৃষ্ঠায় প্রকাশিত এই সকল রচনার কিছু কিছু “অমৃত-গ্রস্থাবলী” ও £কৌতুক-যৌতুকে* স্থান পাইয়াছে; অধিকাংশই এখনও পুস্তকাঁকারে অপ্রকাশিত । এই শ্রেণীর কয়েকটি রচনার নিদ্রেশ দিতেছি £--
১৩১২ £ বৈশাখ *** ভারতী? জ্যেষ্ঠ, শ্রাবণ-মাঘ ১৩১৬ : আব্বিন , জিন্সসুমি। ১৩৯৭ £ শ্রাবণ-ফাস্তন . নাট্য-মন্দির” *** ১৩১৮ ৫ বৈশাখ ্ চৈত্র রা ১৩১৯ £ আবণ-কান্তিক। টংশাখ '২০ ৯ ১৩২১ £ ফান্তন *** জাহ্নবী চৈত্র রড ১৩২৩ £ আধাঢ়-শ্রাবণ “মানসী 'ও মর্ম্মবাণী” ১৩২৭ ৫ চৈত্র ** পিল্লী-বাণী' ৯৩২৯ £ বৈশাখ * মাসিক বন্ুমতী আশ্বিন ্ অগ্রহায়ণ
অগ্রহায়ণ, পৌষ, ফান্তন। বৈশাখ-জ্যৈট ১৩৩৬
ও
.. নববর্ষ ( কবিতা ) * ঘরের কথা (চিত্র) -** স্বগ্নলন্ধা (চিত্র)
রদ্ধাবলী ( অনুদিত নাটক )
.** গোকুল তুই ক্ষান্ত দে ( নকৃশা ) , পতি-নির্বাচন (রঙ্গগীতি )
** আশার নেশা (নাটিক। )
** তালের তত্ব (ব্যঙ্গ কবিতা) ১. গঙ্গাতটে ( কবিতা )
ণিরোমণির তীর্থযাত্রা ( নকৃশা)
... বসিরহাট বাণী সন্মিলনীর ৪র্থ
অধিবেশনে সভাপতির অভিভাষণ। চরকা (স্বৃতিকথ! )
**. আত্ম-দমপর্ণ ( নকৃশী ) ** বঙ্গীয় নাট্যশালার পঞ্চাশৎ
বাৎ*রিক জন্মোৎসব-সঙ্গীত। প্বরাজ-মাধন৷ ( শুবন্ধ)
€৪শ বর্ষ ] রচনাপঞ্জী ১৩
১৩২৯ £ ৯ অগ্রহায়ণ ... মজলিস” .*, বঙ্গীয় নাট্যশালার জন্মদিন
১৩৩০ £ শ্রাবণ-ভা্র *** ভারতী” *** নৈহাটিতে অনুষ্ঠিত ১৪শ বঙ্গীয়- সাহিত্য-সম্মিলনে সাহিত্য-শাখার সভাপতির অভিভাষণ।
আাবণ ... মালিক বস্থমতী? গর
অগ্রহায়ণ 4 ১১ পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায় ( প্রবন্ধ) রঃ »**[ স্বরেন্রনাথ ] বিসর্জন ( প্রবন্ধ )
মাঘ তত **- চোখ গেল (প্রবন্ধ )
১৩৩০ £ ফান্বুন-চৈত্র। ১৩৩১-__বৈশাখ। আষাঢ়, আবণ, কা্ভিক-ফান্খুন ... "মাসিক বন্ুমতী+ পুরাতন পঞ্জিকা (স্মৃতিকথা)
১৩৩১ £ তার *** গবলবাণী” ১ পাঠাগারে বক্তৃতা ৯৮ আশ্বিন, ৮ কার্তিক ** বিপ ও রঙ্গ” .** পুরাতন ফাইলের একখানি পাতা অগ্রহায়ণ *** মাসিক বঙগমতী” ফলার ফিলজফি (প্রবন্ধ ) পৌষ ০০৮ *** হেল্ অভিস্ঠান্স ( প্রবন্ধ ) বড়দিন ১৯২৪ *** সচিত্র শিশির” নটনীতি (কবিতা )
9৯ *** পত্রিক। ও নাট্যশাল! ( প্রবন্ধ ) মাঘ *** মি।সিক বন্মতী+ সারস্বত ব্রতকথা_মধুস্দন (প্রবন্ধ) ফাল্গুন 209 পা *০* আসন্তাবোলে অমুতলাল ( কবিতা )
১৩৩২ £ শ্রাবণ নি) ৮ *** আমার পুজা ( প্রবন্ধ) শারদীয়! ,-. 'বাধিক বন্মতী, দাম্পত্য-চণ্তীপাঠ ( ছড়া ) 5০ ৬? *** ১৯৭৫ (নকৃশ। ) কাণ্তিক-পৌষ, ফান্থন *** মানিক বন্গুমতী” গজুর ভজন ( নক্শ1 ) চৈত্র ৮ *** বীরভূমে অনুষ্ঠিত ১৭শ বঙ্গীয় সাহিত্য-সম্মিলনে সভাপতির শুচনা- বচন। চৈত্র। ১৩০০ বৈশাখ-জ্যোঠ'* * ১ রূপকথা ( নকৃশা ) চৈত্র »** ভারতী” ** সেকালের কথ!
শ্রাবণ-ভাদ্র, পৌষ-চৈত্র।
১৩৩৪ বৈশাখ, শ্রাবণ-
আশ্বন ,.* মানিক বন্থুমতী” হামিদের হিম্মৎ ( উপস্তাস ) শারদীয়া *** *বাধিক বহুমতী” শুভদ্দিম ( নূতন তাজ্জব ব্যাপার ) কান্তিক .** মাসিক বহ্ছমতী” আবোল-তাবোল ( প্রবন্ধ )
১৩৩৩
১৪ সাহিত্য-পরিষশু-পত্রিকা [ ১মহয সথ্যা
১৩৩৩ £ চৈত্র *** মাসিক বন্থমতী* মজঃফরপুরে অনুষ্টিত সাহিত্য সম্মেলনে সভাপতির অভিভষিণ। ১৩৩৪ £ ল্য্ঠ তত *** ভূবনমোহন নিয়োগী (প্রবন্ধ ) শারদীয়। »** “বাধিক বন্তুমতী, ব্যারণ এণ্ড পিপলাই কোং (গল্প)
অগ্রহ্থায়ণ-মাঘ) চৈত্র । ১৩৩৫ বৈশাখ-শ্রাবণ, অগ্রহায়প-ফালন্তুন।
১৩৩৬ জ্যেষ্ঠ *** মানিক বন্মতী। যুবক-জীবন ( উপন্াল ) ১৩৩৪ £ পৌষ ($)-_-মাঘ --* উড়ো খই” *** ছুটির বৈঠক (গল্প) ফাস্তন ,.. মাসিক বন্থমতী” ধল!, বীণাপাণি সাহিত্য-সন্মিলনীর ওয় বাধিক উৎসবে সভাপতির অভিভাষণ। ১৩৩৫ £ আঙ্িন-কারিক ৬8 ... টুনটুনী (গল্প) পৌষ রি, ৯ ,** পৌধ-পার্বণ (কবিতা) চৈত্র ৪2 *** মেদিনীপুর সাহিত্য-সন্মেলনের ৯৬শ বাধিক অধিবেশনে সভাপতির . অভিভাষণ। [ মৃত্যুর পরে প্রকাশিত ] ১৩৩৬ £ আবণ *** “মাসিক বস্ুমতী” বরণীয় বাঙ্গালী-জীবন (প্রবন্ধ ) আশ্বিন ... পিঞ্চপুষ্পা ১০ বলিরহাট-ধান্টকুড়িয়া
বাংলার পুরাতনের প্রতি অমৃতলালের অক্কত্রিম অনুরাগ ও শ্রদ্ধা ছিল । ১৩২২ সালের চৈত্র-সংক্রান্তিতে (ইং ১৯১৬) অনুষ্ঠিত জেলেপাঁড়ার সঙের ছড়াগুলি তিনিই রচনা করিয়! দিয়াছিলেন; ইহার কয়েকটি 'অমৃত-্রন্থাবলী'র ৪র্থ ভাগে মুদ্রিত হইয়াছে । ২১ অগ্রহায়ণ ১৩২৫ (ইং ১৯১৮) শেভাবাজারের গোপীনাথ-প্রাঙ্ণে জোড়ানাকে! ও কাসারিপাড়া_- দুই দলের মধ্যে হাফ-আঁখড়াই সঙ্গীত-সংগ্রাম হুয়। 'অমুতলাল জোঁড়াসশাকোর পক্ষে লেখনী ধারণ করিয়াছিলেন। তীছার রচিত গানগুলি “বীণার বন্ধারে' (৭ম সং. পূ. ৬০১-৬) স্থান পাইয়াছে।
ইংরেজী রচনা ।- অমৃতলাল ইংরেজী রচনাতেও দিদ্ধহস্ত ছিলেন। 47/০7৫, 7:2)677%, ৭7৫7 প্রভৃতি সংবাদপত্রের স্তম্তগুলি অনুসন্ধান করিলে তাহার লিখিত প্রবন্ধাদির দর্শন মিলিবে। আমর তাহার দুই চাবিটি ইংরেজী রচনার নির্দেশ দিতেছি £--
7156 00/6,//0 72668) ৪৭৪৩৫ 1998 ৯৮৪ 56০ 25106 718 0%/, 117565105/ 062. 1000120 2000156105219 ১০48 9601] 201 056 - ০. 19-11-87 17০99 1151060. 180010) 80165 2চা 1 09105 8৪ | ০. 17-11-28 06৬ 16 0006 £
29165 04 ৪ 0:80- (80156.
আলোচনা
[ নমতটেশ্বর শ্রীধারণরাতের তামশাধন ]
ডক্টর শ্রীীনেশচন্দ্র সরকার এম-এ, পি-এইচ ডি
১৩৫৩ সালের বৈশাখ-সংখ্যা ভারতবর্ষে আমি “লমতটের রাতরাজবংশ” শীর্ষক এক প্রবন্ধে শ্রীধারণের অষ্টমর।জ্যবর্ষীয় নবাবিষ্কৃত তাঅশাসনের এতিহামিক মূল্য বিচার করিয়াছিলাম। সম্প্রতি (সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকায় ৫৩শ ভাগ, ৩য়-€র্থ সংখ্যা, পৃষ্ঠা ৪১-৫৪) শ্রীযুক্ত দীনেশচন্ত্র ভট্টাচার্য আমার এ প্রবন্ধের এক সমালোচন! প্রকাশ করিয়াছেন ।
শ্রীধারণরাতের তাত্শাসন সম্পর্কে ভট্টাচার্য্য মহাশয়ের প্রধান কথা তাহার প্রবন্ধের গোড়ার দিকেই আছে ।--দর্ধাগ্রে ইহার কালনির্ণয আবগ্তক। ত্রিপুরার লোকনাথ-শানন রচনাকালে (৬৩ ৬৪ খ্রীঃ) রাতশাসনোক্ত জীবধারণ জীবিত ছিলেন। সুতরাং শ্রীধারণের অষ্টম রাজ্যাঙ্ক কিছুতেই ৬৭৫ সনের পূর্ধে যাইবে না। শ্রীধারণের পুঞ্র যুবরাজ বলধারণ তৎকালে প্রবয়াঃ অর্থাৎ প্রবীণুবয়স্ক এবং তদীয় সন্ততিগণও নায়কগুণসম্পদে বদ্ধমান ছিলেন। দ্ৃতরাং রাতলিপির কাল নিঃসন্দেহে প্রায় ৭*০ সন নির্ণয় করা যায়; কিছু পরেও হইতে পারে, কিন্ত পূর্বে নহে ।” এই প্রধান যুক্তির অগ্ুপুরক হিসাবে ভট্টাচার্য মহাশয় প্রদুলিপিতত্বঘটিত যে ছুই চারি কথা বলিয়াছেন, তাহার কোনই মূল্য নাই। যাহা হউক, উদ্ধৃত যুক্তির বলেই তিনি আমার নমুদয় মতামতকে হানিয়। উড়াইয়। দিয়াছেন। কিন্তু তাহার এঁ যুক্তি কতটা গ্রাহ, পঙ্ডিতেরা তাহার বিচার করুন। প্রথম কথা এই যে, ৬৬৪ খ্রীষ্টাব্বের তাশাননে লোকনাথ যদি প্রকাশ করেন যে, রাতবংশীয় জীবধারণের লহিত তাহার সংঘর্ষ ঘটিয়াছিল, তাহাতে শুধু ইহাই প্রমাণ হয় যে, এ সংঘর্ষ তাঅশীপনের তারিখের পূর্ববর্তী ঘটনা । কিন্তু উহা! শাসনদানের দশ দিন, কি ?শ বৎসর পূর্বের ঘটনা, তাহা অগ্রমাণিত থাকিয়া গেল। ন্ুৃতরাং জীবধারণ ৬৬৪ খ্রীষ্া্ধে জীবিত ছিলেন, কি উহার কয়েক বৎসর পূর্বে ব! পরে প্রাণত্যাগ করিয়াছিলেন, তাহা৷ মোটেই প্রমাণিত হইল না। কিন্তু ইহা হইতেই ভট্টাচাধ্য মহাশয় সিদ্ধান্ত করিলেন যে, জীবধারণের পুত্র শ্রীধারণের অষ্টম রাচ্যবর্ষ "কিছুতেই ৬৭৫ সনের পূর্বের যাইবে না।” দ্বিতীয়তঃ, যুধরাজ বলধারণ শ্রীধারণের পৃত্র ছিলেন, এ কথা তাত্রশালনে নাই। স্থতরাং একটা প্রমাগলাপেক্ষ বিষয়কে প্রমাণিত মত্যপ্ূপে উল্লেখ করা হইয়াছে এবং উহা! যুক্কিবূপে ব্যবহৃত হইয়াছে । তৃতীয় কথাটি আরও মারাত্মক। আচ্ছা, ধরিয়া! লওয়! গেল যে, বলধারণ শ্রীধারণের পুত্র ছিলেন। কিন্তু বলধারপ পিতার রাজদ্বের অষ্টম বৎসরে প্রবীণধয়ন্ক ছিলেন এবং তদীয় লস্ততি নায়কগুণ- সম্পয় ছিলেন, ইহার লহিত্ত আলোচ্য তাত্রশীসনের কালনির্শয়ের, লম্পর্কটা কি? ধরন,
১৬ সাহিত্য-পরিষত্-পর্জিকা | ১২ ংগ।
শাননদানের সময় বলধারণের বয়স ৪৫ বৎসর এবং শ্রীধ/রণের বয়স ৭০ বৎসর ছিল, এবং জীবধারণ তখন বাচিয়! থাকিলে তাহার বয়স ৯৫ বৎসর হইত ( অর্থাৎ ধরুন, তিনি ৮৭ বৎসর বয়সে মারা যান)। তাহাতে শ্রীধারণের অষ্টম রাজ্যবর্ষের তাতরশাসন ৭*০ খ্রীষ্টাবধের পরবস্তী হইবে কেন?
উট্রাচাধ্য মহাশয়ের সমালোচনায় যুক্তিগত ত্রুটি ব্যতীত তথ্যগত অসংখ্য ভূল আছে। তিনি বলেন যে, সেংচি “ইচিডে'র ভারত আগমনের পূর্বে অর্থাৎ ৬৭১ গ্রীষ্টাব্দের পূর্বে সমতটে উপস্থিত হইয়াছিলেন। ইহা সব্বথা ত্রাস্ত। ইচিং ৭০*-৭১২ খ্রীষ্টাব্দ মধ্যে যে গ্রন্থ রচনা করেন, উহাতে সেংচির শ্রমণ-বৃত্তান্তের উল্লেখ আছে এবং বলা হইয়াছে যে, আনুমানিক ৬৫০-৭০শ গ্রীষ্টান্দ মধ্যে যে সকল চীন পরিব্রাজক ভারতত্রমণে আসিয়াছিলেন, সেংচি তাহাদের অন্ততম | সেংচি ৬৭১ গ্রীষ্টান্দের পূর্বে সমতটে উপস্থিত হইয়াছিলেন, ইহার কোনই প্রমাণ নাই।
সেংচির 13০ 1০-91৫-7০-৮৪কে “রাঁজভট” মানিয়াও আমি ভট্টাচাধ্য মহাশয়ের কষা" ঘাতের পাত্র হইয়াছি; কারণ, তাহার ধারণা এই যে, উহা! “হর্যভট” হইবে। অথচ ইহা একেবারেই আজগুবি এবং অনস্ভব। সপ্তম শতাবীর চৈনিক পরিব্রাজকেরা যখন হষবদ্ধন, রাজবর্ধন ( রাজ্যবর্ধন ), রাজপুর প্রভৃতি নাম লিখিতেন, তখন “হর্ষ” শব্দটিকে লিখিতেন 13০-11-519 এবং “রাজ” শব্দটিকে লিখিতেন [70-10-98. . ইহার অকাট্য প্রমাণ হিউএন- লাঙের গ্রন্থে আছে।
আমি লিখিয়াছি যে, সম্ভবতঃ আদৌ বঙ্গের খর্ভী এবং সমতটের রাতবংশীয়গণ গৌড়- সম্রাটের সামস্ত ছিলেন ) হর্ষ এবং ভাশ্করবন্মীর হস্তে গৌড়পতির পরাজয়ের সথযোগে এ সামস্তেরা প্রায় স্বাধীন রাজার গ্তায় ততদদেশ শাসন করিতে থাকেন। বোধ হয় জীবধারণের শাসনকালে রাতবংশীয়েরা পূর্বোক্ত সুযোগ লাভ করিয়াছিলেন; তৎপুত্র শ্রীধারণের অষ্টম রাজ্যবর্ষের কিয়ৎকাঁল পরে (সপ্তম শতাবীর দ্বিতীয়ার্ছের মাঝামাঝি কোন সময়ে; ধরুন, আমুম!নিক ৬৭০ খ্রীষ্টাব্দে ) খড়ী-বংশীয় দেবখগ্জা রাতবংশ উৎখাত করিয়া সমতট অধিকার করেন। পূর্ো্লিথিত অপরূপ যুক্তি ও আজগুবি ধারণাসমুহের জন্ত ভট্টাচার্য্য মহাশয় ঘোষণা করিয়াছেন যে, আমি লমস্তই ভূল বলিম়্াছি। আমি ভুল, কি তিনি তুল, পণ্ডিতের তাহার বিচার করুন। রাতবংশকে সামন্ত বলাতেও তিনি কমু হইয়াছেন, দেখিতেছি। ছুঃখের বিষম, তিনি সামন্তত্বস্চক *প্রাপ্তপঞ্চমহাশব্ষ” কথাটির অর্থ লক্ষ্য করেন নাই) জীবধারণেরও যখন বাপপিতামহ অবশ্ঠই ছিলেন এবং তাহাদের সামত্তরাজ থাকিবারই যখন সম্পূর্ণ সম্ভাবনা, তখন শীলভদ্র কেন যে রাতবংশীয় হইতে পারিবেন না, ইহা আমার জ্ঞানবুদ্ধির অগম্য। সকলেই জানেন যে, সংস্কত প্রা্জপুত্র”. প্রাকৃত "্রাঅউপ্ত”, “রাউত্ত” হইতে আধুনিক “রাবত ৮, “রাউত* আসিয়াছে। কিন্তু ভট্টাচার্য মহাশয়ের মতে পরউত্ত পবা” শব্দের পরিণাম; ইহ, কিন্মপে হইতে পারে জনি না। .
উপরে ভট্টাচার্য মহাশয়ের দমালোচনার সংক্ষিপ্ত পরিচয়মাত্র দেওয়া হইল। ইহা
ছাড়াও তাহার প্রবন্ধে নান ভুল এবং লেখ-বিগ্ঠাবিষয়ক জ্ঞানাল্লতার বহু প্রমাণ আছে।
কিন্তু তাহার সর্ব্পেক্ষ। গুরুতর ত্রুটি এই যে, তাহার কাল্পনিক পাঠোদ্ধারের কু-অভ্যাস আছে। এই লকল বিষয় পরে আলোচনা করিবার ইচ্ছ৷ রহিল।
প্রত্যুত্তর শ্রীদীনেশচজ্ ভট্টাচার্য্য
১। রাত-শাননের কালনির্ণয়ে ডঃ সরকার চার-পাঁচটি বিভিন্ন এবং অল্পবিস্তর বিরোধী মত ব্যক্ত করিয়াছিলেন । এবার তন্মধ্যে একটি মত উল্লেখ করিয়াছেন। তিনি লিখিয়াছেন,_- “শ্রীধারণের অষ্টমরাঁজাবর্ষের কিয়ৎকাল পরে ( সপ্তম শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি কোন সময়ে, ধরুন আনুমানিক ৬৭, ত্রীষ্টান্দে) খড়ীবংশীয় দেবখগ্গা রাতবংশ উৎখাত করিয়া ঙ্»মতট অধিকার করেন।” ইহার সমর্থনের জন্ত এখন তিনি বলেন, লোকনাথলিপিকালে ( অর্থাৎ ৬৬৪ সনে ) জীবধারণ জীবিত ছিলেন না । কিন্তু তিনি স্বয়ং যে পূর্বে লোকনাথ- লিপিকালে জীবমান ধরিয়াই জীবধারণের কাল সপ্তম শতাবীর প্তৃতীয় পাদে” এবং শ্রীধারণের কাল “শেষ পাদে” নিদ্দেণ করিয়ছিলেন (ভারতবর্ষ, বৈশ।থ ৯৩৫৩, পৃ. ৩৭গ২ ), তাহা বিশ্বৃত হইয়াছেন । এইরূপে, তিনি স্বয়ং পৃর্ব্বে বলধারণকে শ্রীধারণের পুত্র মনে করিয়াও ( এ, পৃ. ৩৭৩২ ) এখন তাহা “প্রমাণসাপেক্ষ বিষয়” বলিয়া বিপক্ষযুক্তির প্রতিরোধে অন্ত্ররপে ব্যবহার করিয়াছেন! আর, বলধারণের ও তদীয় সম্ভতিগথের শাসনোজ বিশেষণপদ হইতে ডঃ সরকারের পরিকল্পিত পথেই শাসনের কালনির্দেশ সুচিত হয়। কিন্তু “প্রবয়াঃ” শবেবু,অথ বৃদ্ধ (“প্রবয়াঃ স্থধিরো বুদ্ধ” অমর ) এবং শীস্রমতে “বৃদ্ধ: সপ্ততেরদ্ধম” (অষ্টাঙ্গহদয়ের পদার্থচন্ত্রিকাটাকা, পৃ. ৪৩৭ প্রভৃতি )| বলধারণের বয়ল স্থতরাং মাত্র ৪৫ না ধরিয়া অন্ততঃ পক্ষে ৬০-৭০ ধরা উচিত | €৬৭* সনে দেবখডা রাতবংশ উৎখাত করিয়া থাকিলে অন্ততঃ এ সনই শ্রীধারণের অষ্টম রাঁজ্যবর্ষ ধরিয়া এক পুরুষের গড়- পড়তা ২৫ বৎসর ধরিয়া (যদিও তাহা! অভ্রান্ত নহে) এবং লোকনাথ-শাসনের প্জরীপরমেশ্বরন্ত” কিপ্বা প্্রীজীবধারণ” পদে শ্্রাগশব্ধ মৃত ব্যক্তির গৌরবচিহ্ন ধরিয়া ও, ৬৬২ সনে মৃত্যুকালে জীবধারণের বয়স হয় নুন পক্ষে ১*২-_ প্রকৃতপক্ষে আরও অনেক বেশী হইবে। (অর্থাৎ শীলভন্ত্র ও জীবধারণ একেবারেই সমসাময়িক হইয়া পড়েন, যে শ্লীলতদ্র রাঁতখংণীয় কেন হইতে পারিবেন না, তাহা- এখনও ডঃ সরকীরের জ্ঞানবুদ্ধির অগম্য।) সুতরাং যুক্তিটি যে তাঁহার পক্ষে "আরও মারাত্মক” সনদহ নাই! যুক্তিটির দুরপ্রসারী ফলাফলের বিশদ ব্যাখ্যা উহা রহিল।
তি
টু সাহত্য-পরিষত-পত্রিকা [১২
২) ই-পিঙের মৌলিক গ্রন্থদ্ধয়ের রচনাকাল 10. 0818158 বিশেষভাবে বিচার করিয়া নির্ণয় করিয়াছেন। তিনি দেখাইয়াছেন (06761811000, 00" 11575), ই-সিঙের ভ্রমণকাহিনী প্রথম রচিত হয়, তৎপর পরিব্রাজকবিবরণী | ভ্রমণ-কাঁহিনীর ভূষিকাংশ ও পরিব্রাজকবিবরণী প্রার একই সময়ে রচিত হইয়াছিল এবং শেষোক্ত গ্রন্থের পরিশিষ্ট সর্বশেষে রচিত হয়, কিন্তু ৬ন২ খ্রীটান্দের পরে নহে । সেশচির বিবরণী মুলাংশেই আছে, পরিশিষ্টে নহে । সেঙ-চি “প্রথমে” লমতটে আসেন এবং ই-সিও. তাহার সমতটে মৃত্যু হওয়ার সম্বাদও লিখিয়াছেন (প্রবাসী, আধ্বিন, ১৩৩৯ পু. ৭৯৫ £ (075910065কত ফরাসী অন্ববাদ আমর! দেখি নাই; ডঃ মন্ুমদারের সারসন্ধলনই এ স্থলে আমাদের একমাত্র উপজীব্য)। জুতরাং সেও-চির আগমনকাল ই-সিঙের “কিছু পূর্বে” হওয়াই সপ্তবঃ সমসময়েও হইতে পারে । ডঃ সরকার 1919190র মত অগ্রাহ্থ করিয়া 8৪০1এর এক পুরাতন মত (1416 ০£ 17108671559, 1838, 7. ১1) অনুনরণ করিয়! পরিব্রাজকদের তারতাগমন-কাল ৬৫০-৭০০ সন (41866611751 ০? 076 700) ০60৫০: 4১00৮) ধরিয়াছেন। তকম্তলে তাহার মত স্বীকার করিলেও সেঙ-চির সমতটে আগমন- কাল ই-সিঙের কিছু পুর্বে ধরা কেন "সর্ব ভ্রান্ত” আমরা বুখিলাম না।
৩) ৩০ বতসর পূর্বে ৮/৪61৪এর ৫৪] 08৮৪9 (11. 185) অধ্যয়নকালে আমাদের প্রশ্ন জাগিয়াছিল, 00৪৬81065 কর্তৃক গৃহীত “হর্ষভট” পাঠ শুদ্ধ করিয়া রাজভট পাঠ কেন হইবে। বর্তমান শ্যোগে প্রশ্নটি উথাপিত হওয়াষ ডঃ শহীছুল্লাহ সাহেবের তথ্য- পুর্ণ প্রবন্ধ পাওয়া! গেল এবং আশা! করা! যায ডঃ বাগ্চীর অভিমতও পাওয়া যাইবে | এ স্থলে আমাদের মূল যুক্তি যে “রাজভট? পাঠ স্বীক!র করিয়াই প্রযুক্ত হইয়াছে, তাহা ডঃ সরকারের চ্্য হয় নাই।
৪। ডঃ সরকার ব(তবংশকে শুধু সামগ্ত শহে, পরস্ত খড়গদিগের সামন্ত বলায় আমর! বিস্মিত হইয়াছিলাম-“ক্ষুপ্র হই নাই। প্প্রাপ্রপঞ্চমহাশবৰ” পদে যদি সামস্ত শুচিত হয়, “্রতভাপোপনতসামন্তচক্র” “অপিতাধিরাজ্য” ও “সমতটাগ্ভনেকদেশ।ধিরাঁজ্য” পদে পরমেশ্বরও হুচিত হয়।
[ হৈহয়-কুলের শাধ্যাত শাখা ] ডক্টর মুহুল্মদ শহীদুল্লাহ
সাহিত্ায-পরিষৎপত্রিকা'র ৫২ ভাগের ২৩ পৃষ্ঠায় ডক্টর গ্রীদীনেশচন্দ্র সরকার পারঞ্জিটার সাহেবের মত খণ্ডন করিয়া প্রমাণ করিতে চেষ্টা করিয়াছেন যে, হৈহয়-কুলের শীর্ধ্াত নামে কোন উপশাখা ছিল ন|। তিনি মত্শ্তপুরাথের “শর্য্যাতা(১)” স্থলে বায়পুরাণের “অসংখ্যাতা(:)” পাঠ গ্রহণ করিয়াছেন । আমরা কিন্তু পাজিটারের গৃহীত “শাধ্যাতা()” পাঠ-ই শুদ্ধ বলিয়া! মনে করি।
ঘুদ্রিত পুরাণগুলিতে নামগুলি প্রায়ই লিপিকর-প্রমাদ-হুষ্ট। এই জন্ত পাঠ আলোচনার পুর্বে শার্যাত নাম সম্বন্ধে আলোচনা করা আবশ্তক | খগবেদের ১*ম মণ্ডলের ৯২ সুক্ষের খষি হইতেছেন শীত মানব অর্থাৎ মনুবংশীয় পাধ্যাত। খগবেদের সুক্তমধ্যে শারধ্যাতের
নম পাওয়া যায়। | ] আ৷ স্মা রথং বুষপাণেষ তিষ্'স
শার্যাতন্ত প্রভৃতা যেয নন্দসে | ১৫১১২ হে ইন্দ্র! তুমি সে।মপ।নার্থ রথে আরোহণ করিয়। গমন কর। যে সোমে ভুমি জষ্ট হও, শর্ত সেই সেম প্রস্থত করিয়ছেন। ( রমেশচক্জ দণ্ডের অনব|দ ) এতরেয় বাঙ্গণে (৩৯1৭) দেখা যায় যে, ভার্গব চযবন মানব শার্যাতকে অভিদিক্ত করিয়া" ছিলেন। মহ।তারতের শাস্তিপর্রের ৩৪৩ অধ্যায়ে আছে যে, চাবন মুনি শর্যাতি রাজার বন্ধে অশ্বিনীকুমারদ্য়কে যজ্ঞভাগ প্রদান করেন। বনপর্কোর ১২১ অধ্যায়ে পাওয়া যায়, চ্বন শর্ধ্যাতি রাজার কন স্থকন্াকে বিবাহ করেন। বিষুগুরাণেও (৪1১) ইহার উল্লেখ আছে। অগ্রিপুর!ণের (২৭৪ অধ্যায়) মতে নহুষের এক পুত্রের নাম শর্যাতি। মহাভারতের অনুশসনপর্কের ৩০ অধ্যায় 'অন্থুদারে মন্ুর পুল শর্যাতি। “ণর্যাতির বংশে মহারাজ বংসের জন্ম হয়। তিনি হৈহয় ও তালজজ্ব নামে দুইটি পুত্র উৎপাদন করেন । লোকে সেই হৈহয়কেই বীতহব্য নামে কীর্তন করিয়া থাকে 1” (কালীপ্রদন্ন সিংহের অনুবাদ) । অ।মরা বেদ, বরাঙ্গণ, মহাভারত ও পুর।ণের প্রমাণে দেখিলাম যে, শীর্ধ্যাত বা শর্যাতি নামে কেহ ছিলেন এবং তাহ।র সহিত চ্হয়-কুলের সম্পর্ক ছিল। এক্ষণে পাঠ আলোচনা কর! যাঁউক। মতম্তপূরাণে “শার্য]ত।”(9, বাযুপুরাণে “অসংখ্যাতা”৫), ব্রহ্মপুরাণে “ন্থব্রতাঃ৮, পন্পপুরাণে সিঞকতা”), হরিবংশে “ুজাতাঠ। ডক্টর সরকার লিঙ্গপুরাণ এবং অগ্নিপুরাণের গ্লোক উদ্ধত করেন নাই। লিঙ্গপুর/ণের (৬৮ অধ্যায়) পাঠ “হ্্যাতা”(:)। অগ্িপুরাণে আছে “স্বয়ংজাতাঃ”। জয়ধ্বজাৎ তালজজ্বস্ত(লজজ্ঘাস্ততঃ (১) সুতাঃ ॥ হৈহয়ানাং কুলাঃ পঞ্চ ভোঙ্গা শ্চাবন্তয়স্ত! | বীতিহোত্রাঃ স্থয়ংজাতাঃ শৌওিকেয়াস্তাণৈব চ॥ (২৭৪ অধ্যায়)
31 831860099০5 ০£8৩:৭51এর প্রকাশিত সংস্করণের পাঠ “তালজজ্ঘাৎ*ত্রান্ত।
ক সাহিত্য-পরিষত-পত্রিক [ ১ম, ব্য সংগা
এই পাঠগুলির মূল শুদ্ধ পাঠ শার্্যাতা(:) লিপিকর-প্রমাদে নানা রূপ ধারণ করিয়াছে। হুতরাং মুদ্রিত মত্স্তপুরাণের পাঠই ঠিক।
পাঞ্জিটার সাহেব পঞ্চ উপশাখার নাম নির্দেশ করিয়াছেন-_-বীতিহোত্র, শার্যাত, ভোজ, অবস্তি এবং তুস্তিকের। ডক্টর সবকার শার্ধ্যাতকে বাদ দিয়া তৎস্থলে তালজজ্ঘকে গণন! করিয়াছেন। পিটার তালজজ্বকে এই পঞ্চ উপশাখার সাধারণ সং্ঞা বলিয়াছেন। কিন্ত ডক্টর সরকার তাহা স্বীকার করেন নাই। কিন্তু অগ্নিপুরাণের পুর্বোদ্ধত শ্লোকে আমরা দেখি যে, তালজজ্ঞের পুত্রগণ গ1লজজ্ঘ নামে খ্যাত এবং হৈহয়ের পঞ্চ কুল--ভোজ, অবস্তি, বীতিহোত্র, শার্ধ্যাত (পাঠ স্বরংজ।ত ) এবং তুগ্ডিকের (পাঠ শৌুকের)। অধিকাংশ পুরাণেই বীতিহোত্র পাঠ পাওয়া যাইতেছে সত্য) কিন্তু মহাভারতের বীতহুব্য পাঠ শুদ্ধ হইলে বীতিহোত্র স্থলে “বীতহব্য” পাঠই গ্রহণীয় হইবে। বায়ুপুরাণের পাঠ বীরহোত্র ; বিঞুঃপুরাণের পাঁঠাস্তর বীতহোত্র ৷ |
বিষুঃখুরাশের (৪।১৯) মতে যছুর বংশ-ভালিক! এইরূপ £ বদ-_সহরজিং_-শতজিৎ্-_ হৈহয়-_ধর্্মনেতর- কুন্তি--সাহঞ্জি-_মহিগ্ম।ন্-_ভদ্রশ্রেণ্য-_দুর্দম_ধনক-_কৃতবীধ্য--অস্ুন__ জয়ধবজ-_তালজজ্ঘ_-বীতিহোত্র। বিষুপুর।ণমতে তালজজ্ঞের এত পুজ এবং তাহার! তালজজ্ঘ নামে খ্যাত_-“তালজজ্বস্ত তালজজ্ঘাখ্যং পুল্রশতমাসীং”। এইবপ তরঙ্গ, ক্র, হরিবংশ, কৃর্্, লিঙ্গ, মতস্ত, পদ্ম এবং বায়ুপুরাণে।
অগ্নিপূরাণের (২৭৪ অধ্যায়) মতে এইরূপ £ যছু_-শতজিৎ_-হৈহয়-_ধর্মনেত্র-সংহন _মহিমা__ভদ্রসেন__ছুর্গম-কনক-_-ক্তবীধধ্য--অজ্জু ন_-জয়ধ্বজ__তালজজ্ৰ--বীতিহোত্র ।
পুরাণের বংশতালিকা মহাভারতের বংশতালিক! হইতে পৃথকৃ। কিন্তু মহাভারতের বংশ- তালিকা শর্ম্যাতি, হৈহয়। তালজজ্ঘ, বীতহব্_-এই নাসগুলি একত্র পাওয়া যাইতেছে, ইহা বিশেবরপে ভ্রষ্টব্য।
. সমস্ত দিকৃ বিচার করিয়া আমরা বলিতে বাধ্য থে, পাঁিট।র সাহেবের মতই ঠিক এবং
ডক্টর সরকার ভুল করিয়াছেন “মুনীনাঞ্চ মতিত্রম:1”
০০
চাঁটিগ্রামে পাঠান ও মঘরাজত্ শ্রীদীনেশচজ্জ ভট্রাচার্যয
সোনারগ|র স্থাধীন পাঠান নরপতি নুলতান্ ফখরুদীন্ মুবারক লাহ সর্বপ্রথম চাটিএম জয় করিয়া পাঠান-রাজ্যর অস্থৃতূক্তি করেন। তংপূর্ধে তাহা হিন্দু রাজার অধীন ছিল। দুঃখের বিষয়, চ।টিগ্ামে হিন্দুর।জদ্বের এতিহাপিক উপকরণ অত্যন্ত ছুষ্পাপ্য। এ পর্যন্ত একটিমাত্র তাঘ্রশাসন তথ।য় আবিস্কৃত হইয়াছে। দামোদরদেবের এই মৃল্যবান্ তাত্র- শামনটি অন্তান্ত বছুতর লিপির সহিত কলিক|তা! রয়েল এসিয়াটিক সোম|ইটি হইতে অদৃহ হইয়াছে। ৬ননীগে।পাল মজুমদারের প্রামাণিক গ্রন্থে (07500100075 ০6860৪৭7111, 7০. 159-163) পাঠোদ্ধ।র ও অনুবাদ সহ ইহার যে বিবরণ প্রক।শিত হইয়াছে, তন্মধ্যে পারদৃুমান কতিপয় জমপ্রমাদ সংশোধন করা আবশ্ঠক| ৯২৮০ সনের *৬ জ্যেষ্ঠ এই তায়জিপি আবিষ্কত হয়-_চাটিগ্রাম সছরের নিকটবর্তী নাঁমিবাবাদ মে নহে, গরন্ধ “রামপুর” নামক পল্লীতে | বর্তম।ন পাহাড়ুতলি সেশনের সংলগ্র সুবিখ্যাত “ভেলুয়ার দীঘি”্র দর্ষিণাংশে উক্ত পল্লীতে অবস্থিত ভাটের পুষ্করিণী পঞ্ছেদ্ধার করিতে যাইয়! বদলা” নামক জনৈক যুছলমান ইচা গ্রপ্ত হয়। তর্দনীস্তন খাঁজাঞ্চি উমাচরণ রায় ইহা গ্রহ করিয়! ক।লেক্টার ক্লে (0089) সাহেবের হস্তে প্রদন করেন। চাটিগ্রামের এ্রতিহদিক তারকচন্দর দাস ইহ!র আ'বিদ্ারবরর্ভা ১২৮* সনের ২১ আধাঢ়ের এডুকেশন গেছেটে প্রকাশ করেন এবং প্রথম পৃষ্ঠার একটি অশুদ্ধ পাঠে।দ্ধারও মুদ্রিত করেন। এই তামলিপির আবিদ্ঘ|র-প্রসঙ্গে উক্ত লাহেবের নামই বঝ|চিয়া অ।ছে, স্থানীয় প্রকৃত উদ্বোক্তাদের নম লোপ পাইয়াছে। প্রথম পৃষ্ঠার ১৫শ পঙওক্তির নুপ্রাংশে একিক্ীরি” (তাজ্নি ) পাঁঠ হইবে। &ম শ্লোকের অনুবাদ ঠিক হয় নাই; প্লোকটির অর্থ এই__ প্দামোদরদেবের উজ্জল যশ পৃথিবীর সমস্ত কালিম। দূর করিতে গিয়! তাহা শেষ করিতে পারিল না, রিপুরমগীদের নয়নের (তৃপতিত ) কজ্জলকণ। ( অনপনেয় ) কালিমা-সার হইয়! লাগিয়৷ রহিল। আর, রিপুরাজাদের ঘুখস্থিত তৎকালীন কালিমাও (চিরস্থায়ী ) নীলী- রাগের ন্যায় মলিনতারই উৎকর্ষ বিধান করিতে লাগিল।” যষ্ঠ ফ্লোকে তাম্রশাসনের উপনেত| “গুণবর” নামক প্রধান মন্ত্রীর স্ততি এবং ৭ম শ্লেরকে মহামহত্তক *ভ্রীমত্-দত্তে”র প্রেরণায় ৫ দ্রোণ ভূমিদানের কথা আছে। দানভাজন দ্বিগ্গের একটি বিশেষণ-পদ গ্ডাম্বারডামেহধিনে» অর্থাৎ ডাত্বারডাম নামক একগ্রকার রঙ্ব্রজাতীয় বৃত্তির উপযাচক। ডাম্বারভাম কোন গ্রামের নাম নছে। "ত্র ডাারডামং কামনাপীখিয়াগ্র/মেশ (২৭-৮ _ পঙ্ক্তি) উক্তি হইতেও এরূপ "অর্থই দীড়ায়। এনা যাধনিক, সংস্কৃত কিছ! বাউলা নহে। আরাকানভাষা হইলেও হইতে পারে। ভৃমির দীমমধ্যে একটি প্রবণোৎসের”
২২ সাহিত্য-পরিষত-পত্রিক! [ ১ম,২য় সংখ্য
উল্লেখ (২৮ পঙক্তিতে) আছে বলিয়া মনে হয়। শাপনের প্রচারকাল ১১৬৫ শক (১২৪৩-৪ শ্ীঃ সন)। দামোদরদেবের নবাবিদ্রুত মেহার-শ্াসন ১৯৫৬ শকে চতুর্থ রাজ্যান্কে উৎকীর্ণ, অর্থাৎ দামোদরদেব ১২৩৪-৪৪+সনে সমতটের রাঁঞা ছিলেন এবং তাহার রাজ্য অন্ততঃ টাদপুর হইতে চ।টিগ্াম পর্যন্ত বিস্তত ছিল সন্দেহ নাই। হুর্ভাগেঃর বিষয়, চাঁটিগম শাসনে ভূক্তি, মগ্ডল কিনব! বিয়ের উল্লেখ নাই, কেবল ছুইটি গ্রামের উল্লেখ আছে--কামনপীগডয়াক ও কেতঙ্গপাল। (মহার-শামনের প্রদত্ত ভূমি “পৌগু,বদ্ধনভূত্তির” অন্তর্গত “মমতটমগুলে”র অন্তদূক্তি "পিরলায়িকাবিষয়ে” অবন্থত ছিল ( নবাবিদ্দত রাত- শাসনের পাঠ অন্ুদ।রে “পরণায়িক1” লংশোধন করিয়া! “পরলায়িক1” পড়িতে হইবে )। আপাততঃ চ।টিগ্রাম অঞ্চল৭ সমতটের অন্তর্গত একটি “বিনয়” ছিল বলিয়া মনে হয়, যদিও সমতট পদের বুংলত্তিলভ্য অর্থের দিকে লক্ষ্য করিলে চাঁটিগ্রামের স্টায় পর্বতবহুল দেএ তাহার বাহিরে পড়ে। মধাসূগের পরগণ|র নায় তৎক।লে সমতটাদিমগ্ুলের সীমা ও বোধ হয় নির্দিষ্ট থাকিত না--রাজদের জয়.পর।জয়ের ফলে সীম।র হ।স-বুদ্ধি হইত সন্দেহ নাই। ১|টগ্রামে সর্বপ্রথম মুছলমান 'আগমনের বিবরণ চাটিগ্রামের সর্বশ্রেষ্ঠ সুছলমান কবি
মহুন্থদ্ শা-রচিত “ঘুক্তল হোছন” গ্রন্থের প্রারন্তে কবির পিস্্মাহ্কুলের পরিচয়-প্রসঙ্গে লিপিবদ্ধ হইয়াছে । ১০৫৬ হিজরি সনে এই গ্রন্থ রচিত হয়। গ্রন্ব-সমাপ্রির কাল কৰি ঠয়ালী করিম! লিখিয়াছেন :--
হিন্দুঘানি তেরিখের শুন বিবরণ |
বাণ বাহে! (বাছ) সম অর্ধ, আর বাণ শত ॥
বিংশ তিন ছুন করি চাহ দিয়া দৃধি|
পাকালিকা পূর্ণ হইল সে অন্দ অবধি ॥
্থরগুর শেব নিদগ্ধগুরু আগে ।
মিত্র হই কুমুদিনী প্রীতিবর মাগে ॥
হইয়৷ নক্ষত্রন্ূপ উড়ি গেল শশী ।
দণ দিক প্রসন্ন পাতকী তম নাশি ॥
মাধবী মাসের সপূ দিবস গঞ্জিল। ইহার অর্থ--সম অর্দদ অর্থাৎ পূর্বে উল্লিখিত মুছলমানি তারিখের দশ শতের সহিত “বাণ বাছ? (৫২) সংযোগ করিয়৷ হয় ১০৫২ সন। আর ৫২৩ দ্বিগুণ করিয়া হইল ১০৪৬, তাহার সহিত “দধি' ( উদধি ) অর্থাৎ ৭ যৌগ করিয়া ১০৫৩ সন পাওয়া যায়। ১০৫২ সনের শেষে ও ১০৫৩ সনের প্রারস্তে চৈত্র মাসের ৭ তারিখ বুহস্পতি বারের শেষে দৈত্যগুকু শুক্র বারের পূর্বে কৃষ্ণচতুর্দণীতে গ্রন্থ সমাপ্ত হয়। গণনা্সারে * মার্চ ১৬৪৬ শ্রীষ্টাে ইহা ঘটিয়াছিল। তখনও চাটিগ্রাম মোগলরাজ্যের অস্তভূতি হয় নাই। সামন্ত! খার বিয়ের পর চাটিগ্রামে যে শাসন-প্রণালী নূতন প্রবন্তিত হয়, তন্মধ্যে উজীর কিছ্বা নায়েব-উজীরের পদ নাই।
৫৪ বর্ঘ ] চাটিগ্রামে পাঠান ও মঘ-রাজই ২৩
উজীর-পদ।ধিকারী সকলেই স্ৃতরাং ১৬৬৬ গ্রীষটাবের পূর্ববর্তী । আরাঝ!নের ইতিহাসে চাটিগ্রামের প্রধান রাজপুরুষকে উজীর সংজ্ঞায় অভিহিত করা হইয়াছে। কৰি মহম্মদ থাকে আমরা পনায্বেব-উজীর” মহল্সদ খার সহিত অভিন্ন ধরিতে পারি। চাটিগ্রামের “মুলুক- ছোয়া” ন।মক এামে “মহল্সদ খা নায়েব উজীরে"্র পাকা মসজিদ ও নি্ষর ভূমি বিদ্যমান ছিল। তাহার বিবরণ কালেক্টরীতে রক্ষিত, আছে। জানা যায়, মহপ্পদ খা! অপুত্রক ছিলেন_-তী।হ!র দৌহিত্রের দৌহিত্রগণ ১৮৪২ সনে লাখেরাজঘটিত বিধাদে লিপ্ত ছিলেন। কবি প্রথমতঃ তাহার মাতামহকুণের বৃত্থান্ত-প্রলঙ্গে লিখিয়াছেন যে, "কদল খঁ! গাজি” গণম পরিপু জিনি চাঁটিগ্রাম কলা নিজাধীন”। তাহার সঙ “একাদশ মিত্র” ছিল, তন্মধ্যে মাত্র ২ জনের নাম কবি লিপিবদ্ধ করিয়াছেন_-কবির মাউকুলের আদিপুরুষ “সেখ সরিফদ্দিন” এবং সুপ্রসিদ্ধ “বদর আলাম”। এই দ্বাদশ পীরের একসঙ্গে আগমনই নোয়াখালি ও চাটগ্রামে প্রচলিত “বার আউলিয়া” প্রবাদের মল। ইহাদের জনশ্রুতিমূলক ন[মমাল! অনেকে মুদ্রিত করিয়াছেন, কিন্তু উক্ত তিন নাম ব্যতীত একটাও গ্রামাণিক নহে।১ ইবন বতুতার ত্রমণ-বুত্তান্তে পাওয়া ঘায়, সুলতান ফথরুদ্দীন অত্যন্ত ফকীরভক্ত ছিলেন
১। নুক্তপহোসেন পুথির বিবরণ মুন্পী আবদুল করিম-রচিত বাঙ্গাল! প্রাচীন পুথির বিবরণ, ১ম খণ্ড, ১ম সংখ্যাঃ পৃ. ১৫৭-৬০ দ্রষ্টবা। মুন্পী সাহেবের নিকট রক্ষিত ১৯৯১ মঘী নে (১৭৪৯ গ্রীঃ) লিখিত একটি গ্রাচীন প্রতিলিপি আমর! পরীক্ষা করিয়া- ছিলাম। তাহার পাঠ অপেক্ষাকৃত বিশুদ্ধ। তারকচন্ত্র দাসগুপ্র-রচিত “চট্টগ্রামের ইতিবৃত্ে” (৯৩০৪ সন, পৃ. ৩-৪) বার আউলিয়ার নাম আছে-_-ব্দর আউলিয়া ( পর্ভুগীজ জাতীয় ছিলেন ?), বাজিদ বোস্ত!মি, সাহ! মাদার, আবদুল কাদের জেলানী, মইনদ্দিন চিস্তিয়া, সাহাজঙ্গি, সরফর্দান বোয়ানি, সাহ।বঙগিন, সেখ ফরিদ, সাহা পির, মৌছন আউলিয়া এবং সাহা সোন্দর। তন্মধ্যে ইতিহাঁস-প্রসিদ্ধ ধন্মবীরগণের চাটিগ্রামে আগমনের গ্রবাদ সীতাকুণ্ডে রামচন্ত্রের অগমনের স্টায় অমূলক | সম্প্রদায়-ভেদে নানা জনের নামে ধর্মমনদির প্রতিষ্ঠিত হইয়া থাকে চাটিগ্রামে উঙ্লিখিত ব্যক্তিগণ ব্যতীত পাঁচ পীর, বিবি ফতেমা, খাজে খিজির ভৃতির নামেও দরগা বি্তমান আছে। ডঃ এন|মুল হক্্-কত “বঙ্গে স্বফী প্রভাব” গ্রন্থে বার ওলিয়ার মধ্যে কাতাল, শাহ উমর, শাহ বদল, ট1দ লিমা ও শাহ যযদ্এর নাম আছে। ইহাদের কয়েকজনের ধিবরণ রাহাত আলী চৌধুরী-প্রণীত “বার অ।ওলিয়া” গ্রন্থে (১৯২০ লনে মুক্রিত ) পাওয়া যায়। শাহ ওমর প্রকৃতই চাঁটিগ্রামের অতি প্রসিদ্ধ একজন পীর, কিন্ত তিনি অনেক পরবর্তী কালের লোক। সম্রাট আওরঙ্গজেব ১১১৬ হিজরি মনে (১৭০৪ শ্রঃ) সাহা ওমর ুলিয়।র পুজেঘধূ ও পৌব্রদিগকে ২২৬ বিঘা ভূমি দান করেন, তাহার দলীলপত্জর আমরা পরীক্ষা করিয়াছি। চাটগ্রামের বন্থতর প্রাচীন পীর ও ফকীরের নাম আমর! সংগ্রহ করিয়াছি-_-ইহাদের কাহারও প্রর্কত বিবরণ মুদ্রিত হয় নাই। তারক- বাবুর গ্রচ্থে সরফদ্দিনের উল্লেখ বিশ্বযনজনক, তখনও মুক্তল হোসেন গ্রন্থ আবিষ্কৃত হয় নাই।
স|হিত্য পরিষৎ-পিকা [ ১ম, ২য় সখ
এবং সায়দ! (589৭) মক একজন ফকীরকে সাদকাওনেশর (594192)
শাসনকত্ত। নিযুক্ত করিয়াছিলেন_ইহা৷ চাটগও হইতে অভিনন হইলে (81586635511 : [915 17006760060 95010505০01 81991) 01. 195-54 ) বার আউলিয়ার অপর এক নাম পাওয়া যাইতেছে বলিয়া মনে হয়। কদণ খাঁ প্রুতির আগমন ফখরুদ্দীনের াজ্যকাণের বেশী পুর্বে হইতে পাঁরে না। কারণ, হহাদের জীবদ্দশায় পরে আগত মাহি- আছোয়ারের প্রপৌত্র রাস্তি খা ১৪৭৪ সনে জীবিত ছিণেন। কপ খাঁর নাম “কদলপুর” প্রতি গ্র!মে বাচিয়া খাকিলেও স্থানীয় প্রবাদে লুপ» হইয়াছে-যর্দি “কাতাল পীর” তাহারই বিরত নাম বলিয়। বিবেচিত না হয়। বর্তমান চট্টঞএম সহরের আন্দরকিষ্ীয় পীর বদরের আক্তীশ। বিদ্যমান থাকিয়া ৬০০ ধৎসরের স্মৃতি বহন করিতেছে। ১৮৪৮ সনে ইহার নিষর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদে তৎকালীন খাদিমগণ “অ।পত্য বরে যে ৮টগ্রাম শহর জঙ্গল ও পৈরির বাস থাকা বালীন হিন্দুহাঁণে লাহ! গৌরির রাজত্ব সময় সাহা বদর পীর আওলিয়া নাহেব কেম সহর হইতে এ স্থান আগমনে পরমেশর ধ্যানে বাদ করত আবাদ ক্রমে” লরকারের আমলের পূর্বের আমেল।ন ও বাঁদলাহা হইতে খম়রাঁত পাইয়। খাদিমেরা “পোক্ত এক দরগাহা চৌদেওয়ার বেষ্টিত” স্থাপন করিয়াছিলেন । এই চিরন্তন প্রধাদ-ব।ক্যমধ্যে সাহা গৌরি অর্থাৎ মহম্মদ ঘোরির সমকালীনতার উল্লেখ অমূলক এবং পীর বদরের আদিস্থান (আরব দেশের অন্তর্গত ) “কেম সহরের” উল্লেখ একটি নূতন সম্বাদ বটে। অপর একটি দলীলে দানভাজন ব্যক্তি ও দানকর্তগণের একটি ধারাবাহিক নামম।লা লিপিবদ্ধ আছে-- “মৌরসান্ সেক হামিদ ও আবদুল করিম ও"পীর মাহামুদ (ও) ছদরজ্জহ। ও সেখ মাহাম্মদ ও সেক ছেবান্” প্রভৃতি খাদিম “সরকার বাহাদুরের আমলের পূর্বে নও্াঁব হোসেন সাহা বাদল গাজি ও নওডাব জাফর খ। ও নণ্ডাব অলি ধেগ খা] ও সাহ] ফিরুজ খা ও নগ্ডাব রহমত খাঁর সনদ উপলক্ষে” ভূমি পাইয়াছিলেন। এই মক্ল সনদ গৃহদাহে বিনষ্ট হইয়াছিল | নিহাবঙ্দীন তালিশের বিবরণেও পীর বদরের আস্তানার উল্লেখ আছে এবং
তজ্জন্ত মঘবাঁজা-প্রদত্ত ভূমিদ।নের কথা আছে। সম্ভবতঃ “সাহা ফিরূজ খা” কোন মঘরাজায় মুছলমানী নাম।
কবি মহম্মদ খাঁর পিভৃবিবরণে পাওয়া যায়, “ছিদ্দিক-ঘংশীয়” মাহি আছোয়ার তাহার আদিপুরুষ। মাহি আচছোয়ার অর্থাৎ মতস্তারোহী একটি যোগৈহ্ধ্যস্চক উপাধি মাত্র। কবি তাহার প্রকৃত নামটি গ্রস্থমধ্যে কুত্রাপি উল্লেখ করেন নাই। “তারিখ-ই-হাঁমিদী” রস্থানুদারে (পৃ. ৯১০-১১) তাহার প্রকৃত নাম “বকৃতার” এবং তাহার বংশ চাটিগ্রামের স্তরান্ত মুছলমান পরিবারসমূহের শীর্সস্থানে অবস্থিত ছিল। ন্ুন্দীপ-ইতিবৃত্তে পাওয়া যায়: (নব্যতারত, ২২৯৬, পৃ, ৩০৪ ), বকৃভার অথব! বক্তিয়ার মাইপোয়ার প্রভৃতি ১২ জন আউলিয়! গ্রথম হুন্দীপে পদার্পণ করিয়াছিলেন এবং তিনি এক! হ্বন্দীপে থাকিয়া যান। এই অমূলক প্রবাদের উৎপত্তির কারণ, হুন্দীপের বিখ্যাত জমিদার আবুতোরাপ চৌধুরী মাহি আছোয়ার- বংশীয় ছিলেন। কবি মহম্মদ খাঁর বিবরণ অনুসারে মাহি আছোঁয়ার ও হাজি খলীল এই
৫৪শ বধ] চাটিগ্রামে পাঠান ও মঘ-রাঁড তব ২৫
ছুই জন চাটিগ্রাম আমিলে কদল খাঁ, বদর আলাম প্রভৃতি ১২ জন তাহাদিগকে সমাদর করিয়া আনিয়াছিলেন। হাজি খলীলের সমাধি শ্রীহট্ে বিগ্ঠমান আছে, অর্থাৎ তিনি চাটিগ্রাম থাকিয়া যান নাই। বার আউলিয়ার অন্ঠতম অপর একজন বিখ্যাত ফকীরের নাম “হজরত সাহা মছনদ অ।ওলীয়া”» | সায়েন্ত। খাঁর চাটিগ্রাম বিজয়ের অধ্যবহিত পরে নবাব বুজরগ্ উমেদ খা ও দেওয়ান নরসিংহ দাস ১০৭৭ হিজরি সনে (১৬৬৬ খ্রীঃ) ঝিঅড়ি গ্রামে উক্ত আওলিয়ার দরগার জন্য মঘী ১০ দ্রোণ ভূমি দান করিয়াছিলেন । সনদের প্রতিলিপি আমর! পরীক্ষা! করিয়াছি। নিতান্ত আশ্চর্যের বিষয় যে, ঝিয়ড়ি ও বটতলির এই বিখ্যাত দরগাছের উল্লেখে বর্তমানে সর্বত্র সাহা মছনদের পরিবর্তে মৌোহছেনের নীম চলিতেছে (বার আওলিয়া, পৃ ৫৬০৮)।
ফখরুত্দীন হইতে বারবক্ নাহের রাজত্ব পর্যন্ত অশ্যুন এক শত বংলরের চাটিগ্রামের শসনকর্তাদের নাম জান! যাঁয় না। বক্তার মাহি-আছোয়ারের প্রপৌত্র রাস্তি থা কবি মহম্মদ খাঁর বর্ণনানুলারে “চাঁটিগ্রম দেষপত্তি” অর্থাৎ প্রধান রাঁজপুরুষ ছিলেন । চাটিগ্রাম ফতেয়াবাদের তথাকথিত আলাওলের দীঘির পারে রাস্তি খার মসজিদ বিষ্তমান। ৮৭৮ হিজরী সনে ( ১৪৭৪ খ্রীঃ) সুলতান রুকনুদ্দীন বারবক সাহার রাজছ্ে ইহা নির্মিত হইয়াছিল। ইহার নিকটে যে নছরত সাহার দীঘি স্বাছে, তাহা! ম্থলতান হুসেন পাহ! তনয়ের নাম বহন করিতেছে বলিয়া অনেকে লিখিয়াছেন। তাহা ঠিক নহে, ১৮শ শতাব্দীর প্রথম গাদে “নছরত সাহ” নামক ব্যক্তি “পাহাড় ও জঙ্গল ইত্যাদি আবাঁদপুর্বক” পাকা মস্জিদ ও দীঘি দিয়াছিলেন। তাহার বংশ বহু কাল বিদ্যমান ছিল। রাস্তি খাঁর পুত্র মীনা থা, ততপুত্র গাভুর খা__“যার কীন্তি গৌড়দেশ ভরি |” তাহার সম্বন্ধে কবি এক স্থলে লিখিয়াছেন £--
“করিয়া! বিষম রণ, জিনিল! প্রিপুরাগণ, হেলায় পাঁঠানগণ জিনি।” ইত্যাদি । এই পঙক্ির ব্যাখ্যা কেহ এ-যাবৎ করেন নাই। ত্রিপুরাধিপতি ধন্তমীণিক্যের সহিত হলেন সাহের সঙ্র্ষ এখানে চিত হইয়াছে বলিম্না আপাততঃ মনে হয় । কিন্তু পরাগলী মহাভারতের অশ্বমেধপর্ক্বে ছুটি খার পরিচয়-প্রসঙ্গে হছসেন সাহের তনয় নসরত সাহের রাজন্বকালেই ত্রিপুরা-বিজয়ের উল্লেখ দৃষ্ট হয়। (স-প-প, ১৩৩৪১ পৃ. ১৬৪-৬৬)২ রাজমালার মতে
২। স্বর্গত কৈলাসচন্ত্র দিংহ-সংগৃহীত একটি পরাগলী ভারতের পুথির ছুইটি পাতা (২৫৮৫৯) মাত্র আমাদের হস্তগত হইয়াছে । ২৫৮২ পত্রে অনুশীননপর্বের পুষ্পিকার পর একটি মূল্যবান ও কৌতুকজনক তথ্য লিপিবদ্ধ হইয়াছে £ “জে ঠাকুর কলে পুস্তক পঠ আন্গাকে মন্দ না বুলীব| শ্রীমাসীম খাএর আদরস ও ঝাঁজা খাঁএর আদরশ ও ম।ণিক্যবীবীর আদরণশ এহি তিনের তিন আঁদরদ জেরপ আছে তেমত লিখিছি এহাঁতে গৌনহ না করিছি।॥ এহি নিব্দৌল--* মামীম খ! সম্ভবতঃ পরাগলপুৰের চৌধুরীবংশের আদিপুরুষ ইত্রাহিম খর চতুর্থ পুত্রে এবং প্রীয় ১৭০* সনের লোক । পুথিটির লেখক ও লিণিকালের উল্লেখ
২৬ সাহিত্য-পরিষত-পাত্রকা [ ১৯ ২ সংখ্য।
হুসেন সাহের পৈস্ত তিন বারই ধন্তমাণিক্যের হস্তে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হইয়াছিল (২য় লহর, পৃ. ২২-২৮)। ধন্ঘমাণিক্যের ১৩৫ শকাবের *চাটিগ্রামজয়ি” রজতমুদ্র।র আবিষ্কার দ্বারা রাজমালার উক্তির যথার্থতা প্রম।ণিত হইয়াছে । সুতরাং গাতুর খ! নলরত সাহের সময়ে (১৫১৯-২৫ সন) বিদ্যমান ছিলেন ধর] যায় এবং ত্রিপুররাজের সহিত সংঘর্ষকালে গাতুর খার পিতৃব্য-পুত্র ছুটি খা সেন।পতি ছিলেন। কারণ, পরাগলী ভারতে স্পষ্টাক্ষরে লিখিত আছে, ছুটি খাঁর পিতা পরাগল থা ছিলেন “রাস্তিখানতনয়” (সা.প-প, ১৩৩৪, পু. ১৬৬) পরাগল ও তৎপুত্র ছুটি খা যে বংশের একটি কনিষ্ঠ ধারা, তাহ! “লস্কর অর্থাৎ সেনাপতি) উপাধি হইতেও প্রতিপন্ন হয়__তীহারা সমগ্র চাটিগ্রামের অধিপতি ছিলেন না। এই পরবস্তা সংঘর্ষ সম্ভবতঃ ত্রিপুরাধিপতি ধন্তমাঁণিক্যের র।জত্বের শেষ ভাগে ঘটিয়াঠিল। রাজমালার ইহার উল্লেখ দৃষ্ট না হইলেও পরবর্তী রাজা দেধমাপণিকোর (অভিষক-যুদ্রা ১৪৪৮ শকাব্) বিবরণে পাওয়া যাঁয় £-_
£চাটাগ্রাম থানা রাখি আদিলেক দেষ।
জত রাধ্য পিতৃসত্ত আছিলেক পুনি।
সকল সালিল মুখে সেই নৃপমনি ॥ (প্রাচীন রাজমালা, ২৩২ পত্র)
তদ্থারা অন্থমান হয়, ধন্যমণিক্যের ট!টিগ্রামে অধিকার কিছুকলের জন্ত বিলুপ্ত হইয়াছিল । এবং দেবম|ণিক্য নসরং সাহের মৃত্যুর পর চাটিগ্রাম পুনঃ জয় করিয়ছিলেন। অন্তথা ধারাবাহিক অধিকারস্থলে চ।টিগ্রামে থানা রাখ।র উল্লেখ শিশ্রয়োজন । গাঁভুর খাঁর কীন্তিকথায় একটি বিশ্ময়জনক তথ্য লিপিবদ্ধ হইয়াছে যে, তিনি “হেলায়
পাঠানগণ” জিনিয়।ছিলেন। এই পাঠানগণ কে? সমসাময়িক পর্তুগীজ বিবরণীতে পাওয়া যায়, প্রায় এ সময়ে চার্টগ্রামের দক্ষিণাংশে “খোদা বকৃপ খা” নামক একজন পরাক্রান্ত জমীদার ছিলেন। ১৫২৮-৩৮ সনে তাহার লহিত তদ'য় এক প্রতিবেশী জমীদার, পর্ড,গীজ ও চাটিগ্রামের অধিকাঁরীর সংঘর্ষের কণা 08270০9৩-কত 7০:08658 30. 86799] (1919) গ্রন্থে (9. 81-2, 49) ভ্রষ্টব্য । এই গ্রন্থের প্রারস্তে যে 19 8৪£09এর মানচিত্র মুদ্রিত হইয়!ছে, তন্মধ্যে আরাকান ও চাকমা রাজ্যের সংলগ্র অথচ চাটগ্রাম হইতে পৃথক্ খোদা বকৃন খাঁর বিস্তৃত জমীদারী (50300 ০০ (০0৫5$83697) প্রদণিত হইয়াছে। গাডুর খীর সংঘর্ষ এই খোদা বক্স থাঁর সহিতই ঘটিয়াছিল বলিয়া নির্ণয় করা যুক্তিসঙগত। কবি-বর্ণিত গাভৃর খার পাঠান-পরাভব-বার্তী ও পতুগী-বিত খোদা বকৃল খাঁর
নাই। ছুটি খাঁর বিবরণে (২৫৯ পত্রে) পাঠান্তরগুলি লিখিত হইল £--সব্দেব বন্দিয়। বন্দোম কবিগণ।."'উপপ্লব নাই কোহ্ৃ.**। ত্রিপুর! গড়েত গীয়া তৈল সন্বিধান।"'দেবের নির্মান মে জে অলংহন পুরী ।.'লঙ্কর পরাগল খাঁনের তনয়।'**সম্বা্দে বিষয় দিল কুতুহলমতী |... জগ্ভপি অভয় দিল খান মহামতী। তথাপী আতঙ্ক বাড়ে ত্রিপুরান্পতী। আপনা নৃপঠি সত্্পিয়া সবিশেষ ।.*.পণ্ডীতে মণ্তীত সভা... |
হ£শ বর্ষ] চাটিগ্রামে পাঠান ও মঘ-রাজত্ব ২৭
প্রতিবেণীর সহিত সংঘর্ষ (6৪৭ %/1) ৪ 06191508219 ০৮1০6১--এ, পৃ. ৩১) একই ঘটন! বলিয়া মনে হয়। লক্ষ্য করিতে হইবে, ছুটি খ1 ও পরাগল খর স্তায় গাসুর খাও বিদ্বংসেবী ছিলেন :-_লইয়া! প্তিতগণ, শীল্ত শুনে অনুষ্ষণ, রঙ্গ ঢঙ্গ কৌতুক অপার। কিন্তু বাস্তি খা-তনয় পরাগল খাঁর সহিত গাতৃর খাঁর অভেদ কল্পনা! ( বঙ্গলঙ্মী, আখিন ১৩৩৭, পৃ. ৮৩) ভ্মায্মক ।
গাতুর খার পুত্র (?) “হামজা খা মষ্টুলন্দ” ১৫৩৮ সনে জীবিত ছিলেন। কারণ, চাটিগ্রামের অধিকার লইয়া তাহার সহিতই খে।দা বক্স খার সংঘর্ষ হয় এবং পতুগীজরা হামজ| খাঁর পক্ষাবলম্বন করেন। নামটি পতুগীজদের উচ্চরণ-দোষে '2.109128050% রূপে পরিণত হইয়াছে (05820009 0. 42)। সের শ|হের প্রেরিত প্রতিনিধির মহিতও হামজা খর বিরোধ হইর়াছিল। এই হামজা খ। হইতে পৃথক অপর এক জমীদার এ নামে ১৯৯৩ হিজরী সনে জীবিত ছিলেন ( তারিখ-ই-হ|মিদী, পৃ. ১২৮-৩২)।
হ|মজা খর পত্র নসরত খাঁর বর্ণনা সংশোধনপুর্বক সম্পূর্ণ উদ্ধৃত হইল। ইহা কৰি মহম্মদ খর রচনাশক্তির একটি উতকুষ্ট নিদর্শনরূপে গ্রহণীয়।
তাহান নন্দনবর,, রসে যেন রত্বাকর, ধর্মে কর্মে যেন বুহম্পতি। সুমেরুসদৃশ থির, পার্থলম মহাবীর, শ্বর্য্যেতে দিলীপ যযাতি ॥ বংশের প্রসিদ্ধিহেতু, নিজকুল জয়কেতু, জন্ম হৈল! প্রচগ্ডপ্রতাপ । গান্ধা রীনন্দন মানে, কর্ণ বলি যেন দানে, ভিক্ষুক জনের যেন বাপ ॥ বিঙ্জয়ে বিজয়ী সম, বিশক্ষকুলের যম, চন্দরমুখ সুধা মধু হাস। রূপে কামসমসর, ধীর স্থুললিত বর, পুরান্ত সকল নারী আশ ॥ প্রঞ্জার পালক রাম, বাপ হোতে অন্গপাম, বাহুবলে শসিলেন্ত ক্ষিতি। বান্ধব পালন গ্রণ ন্সবত খান জান, " তান পদে করম মিনতি ॥
অন্থত্রও (৬১1৯ পত্রে) কবি নলরত খণকে “বংশের অবতংস'” বলিয়া বর্ণনা করিয়াছেন। সৌভাগ্যবশতঃ চাটিগ্রামের অধিপতি এই নসরত খ'ার সম্বন্ধে কিঞিৎ তথ্য আবিষ্কৃত হইয়াছে । কবি মহম্মদ খর প্রমাতামহ “ছদজ্জীহ1” উপাধিধারী সাহা! আবদুল ওহাব একজন প্রসিদ্ধ ব্যক্তি ছিলেন; তাহার সম্বন্ধে কবি উজ্দ্রল ভাষায় লিখিয়াছেন.+--
গৌড়ধাম অধিপতি ধাঁকে প্রশংসিল! । বার বাঙ্গালার পতি ইছ! খান বীর। ভিক্ষুক জনের প্রতি ধাহাকে বলগিলা ॥ দক্ষিণকুলের রাজ! আদম সুধীর ॥ চা্টিগ্রামপতি জান নসরত খান। ন্েহভাবে ধাহাকে পুক্গস্ত নিতি নিতি। আপনার প্রিয় হ্ুতা দিল! ধার স্থান ॥ ধাহাকে প্রশংসা কৈল! মগধের পতি ॥
নুপ্রলিদ্ধ ইশা খাঁর লমকানীন এই পরম পত্তিতের অভ্যদয়কাল ১৬শ শতাব্দীর শেষপাঁঠে এবং তীছার শ্বশ্তর নসরত খাঁর শীমনকাঁল 'ই শতাবীর তৃতীয় পাদে নিয় কর!
ও। চাটিগ্রামের অন্র্দত «পীরথাইন* গ্রাষে “হজরত সাহা আঁবগুল ওহাব সদরজাহার
২৮ সাহিত্য-পরিষত-পত্রিকা [১২ সংখ্যা
যায়। আরাকানের ইতিহাসে পাওয়া যায় (ছন্দমালালঙ্কার, রচিত “রটৈউতরাজওয়াঙ্গ - থছক্যম্*, ২য় খণ্ড, পৃ, ৭৯), মঘ-রাজা মেউছৌলহ ( ১৫৫৬৬৪খ্রী: ) চাটিগ্রামের “উজী(র) নৌথরো খের” নিকট হইতে ১৫৬১-৬৩ সন মধ্যে উপটৌকনাদি পাইয়া তাহার আনুগত্য গ্রহণ করেন। তৎপরবর্তী রাজ! ছক্যবদির ( ১৫৬৪-৭১গ্রীঃ) সহিত এঁ উজীরের সংঘর্ষ উপস্থিত হইয়াছিল (এ, পৃ. ৮১) পতুগীজ বিবরণী হইতে প|ওয়া যায়, চাঁটিগ্রাম লহরের অধিপতির (1২০6০: ব| 0০৮2:50£ ) সহিত পতুগীজদের সংঘর্ষ হইয়াছিল এবং তাহাদের হস্তে ্ অধিপতি নিহত হইয়াছিলেন। ইহা! ১৫৬৯ সনের শেষ ভাগে (কিম্বা ১৫৭০ সনের প্রারস্তে ) ঘটিয়াছিল। ( 704:0555 1715 70119101775) ৬০], ১0, 0, 137 2:0920609, 7869 ) এই অধিপতি খুব সম্ভবত নসরত খ1।
নদরত থার পুত্র জালাল খার বর্ণনাটিও সম্পূর্ণ উদ্ধায়ষে।গ্য :-_
প্রণামি তাহ।ন পদ, রচিব পাঞ্চালীপদ, তান পুনে বলে হলধর |
চা্টিগ্রাম দেশ কান্ত, পৃথিবী জিনি ধৈর্্যবন্ত, গাঁণীবে অঙ্ঞুন সমসর-॥
শান্ত দান্ত গুণবন্ত মর্ধ্যাদার নাহি অন্ত, স্ৃগ্যন্তে একান্ত কেপ গণি।
ক্ষোভস্ত করস্ত বল, নাশত্ত রিপুর দল, জলম্ত আনল হেন জানি ॥
প্রশংসস্ত সর্ধদেশ, কীন্ডি গান্ত সবিশেষ, মহিষ মারন্ত এক শরেশ
শর্্যবস্ত বীর্যযবস্ত, অনস্তকে কৈল অস্ত, এক শরে শার্দ,ল সংহারে ॥
সত্যবন্ত জিনি ধর্শ, জ্ঞানবস্ত জীবসম, প্রজাক পালিলেন্ত ধর্ম রাখি।
কবরগাহ।”র জন্ত মির্জ৷ মাহাম্মদ বকর ভূমিদান করিয়াছিলেন। তাহার দলীলপত্র চাটিগ্রাম কালেক্টরীতে আমরা পরীক্ষা করিয়াছিলাম। ণলয়লা মজনুপ্র কবি দৌলত উজীরের পীর আছাওদীন এই ছদরজাহার প্রপৌত্র ছিলেন (সা-প-প, ১৩০৭, বাঙ্গালা প্রাচীন পুণির বিবরণ, ১৩২০, পৃ ১৪-১৬ ও নবনূর ১৩১০, পৃ. ২১৩-২৮ দ্রষ্টব্য )। কবি যেসকল এঁতিছানিক তথ্য লিপিবদ্ধ করিয়াছেন, তাহ! অত্যন্ত মূল্যবান অথচ এ যাবৎ সম্যক আলোচিত হয় নাই। লয়ল! মজনু রচনাকালে দিল্লীশ্বর ছিলেন আওরঙ্গ সাহা, আর চাঁটিগ্রাম অধিপতি ছিলেন (গৌঁড়ের অধীনতা দূর হওয়ার পর) "ধবল অরুণ গজেম্বর” নেজাম সাহা । মোগল আমলের শাসক নবাব মহ'্মদ নিজামুদ্দীন (১৭৭-৫৯্ী:) হইতে পৃথক্ এই নেজাম সাহা নিঃসন্দেহ মঘরাজ! চন্ত্রস্ধন্্ীর (১৬৫২-৮৪খ্রঃ) নামান্তর ৷ বুঝা যায়, শায়েস্তা খশার চাটিগ্রাম- বিজয়ের পূর্বে চাটগ্রাম সহরেরই নামাস্তর ছিল “ফতেয়াবাদ”, পরে ইসলামাবাদ হয়। কবির পূর্বপুরুষ হোসেন সাহের (১৪৯৩-১৫১৯খ্ী:) প্রধান উজীর হামিদ খ'! মুক্তলহ্বোসেনের গ্রমাণবলে ছদরজাহারই বৃদ্ধপ্রপিতামহ ছিলেন৷ চাটিগ্রামের বদরমোকামের দলীলে তিনিই প্রথম দানভাজন (সেক হামিদ) এবং প্রথম দাতাও ছিলেন হোসেন সাহা! । সম্ভবতঃ রাস্তি খা! তনয় মীন! খার পরে কিন্বা স্থলে, অর্থাৎ গাভুর থাঁর পূর্বে, হামিদ খাই চাটিগ্রামের অধিপতি ছিলেন।
£৪শবর্ধ] চাটিগ্রামে পাঠান ও মঘ-রাজখ্ব ২৯
মুখজ্যোতি প্ণচন্তর, হান্ত জিনি মকরন্দ, কোমল কমলদল আখি ॥ দশন মুকৃতাপাতি অধর রঙ্গিম অতি, ভূরুযুগ টালনি দোলনী। দীর্ঘ বাহু মধ্য চারু, গজথণ্ড ছুই উরু, চরণ তরুণ কমলিনী ॥ নারীমুখপন্ভূঙ্গ, সমরে সদৃশ সিংহ, মধুবাণী সুধাসম হাস। তেঞ্জি গুরুঞনভীত, সকল কামিনীচিত, শ্তামঘন মিলিবার আঁশ ॥ কেহ বোলে কার ভর, দেখি আইল ঝ্বামরায়, কেহ বোলে কোথায় অনঙ্গ। এহি মুখ পূর্ণশশী, কেহ বোলে নভোবাপি, কোথা চান্দ নাহিক কলম ॥ কেহ বোলে দিনকর, কেহ বোলে বিগ্তাধর, কেহ রোলে ন! হয় সকল। এহি সে জালাল খান স্থরপতি পঞ্চবাণ, রূপে জিনিয়াছ্ে (দেবদল) ॥ - সে পদপন্বজবেণু, শিরে ধরি ফাগু জন, রচিব পাঞ্চালী অন্ুপাম ॥ (৩২-৪।১ পত্র)
কৰি মহম্মদ খার পরিশুদ্ধ রচন|-রীতি দেখিয়া আশ্র্ধ্য হইতে হয়! বর্ণনাটিতে একটিও যাবনিক শব্ধ নাই। আরাকানের ইতিহাসে জলাল খার শোচনীয় মৃত্যুর কথ! লিপিবদ্ধ পাওয়া যার। ঘটনাটি সংক্ষেপে লিখিত হইল। ত্রিপুরাধিপতি ধন্তমাণিক্য ১৪৩৫ শকাব্দ (১৫১৩থ্রীঃ) চাটিগ্রাম অধিকার করেন। তৎপর হইতে অমরমাঁণিক্যের রাজত্বকাল (১৫৭৭-৮৬দ্বীঃ) পর্য্যন্ত চাটিগ্রামে ত্রিপুরার আধিপত্য মোটামুটি অক্ষুপ্ ছিল। মঘরাজ! সেকেনার সাহ ১৫৮১ সনে অমরমাণিক্যকে পরাজিত করিয়া ত্রিপুরার রাজধানী উদয়পুর অধিকার করিয়াছিলেন (প্রবাসী, চৈত্র ১৩৫৩) পৃ. ৬০৫ দ্রষ্টব্য)| রা|জমালায় পাওয়া যায় (২য় লহর, ৩৮ পৃ, এই ত্রিপুর-মঘ-ুদ্ধের স্থত্রপাত হইয়াছিল বিদ্রোহী মঘ সামন্ত “আদম পাদসাহ1”কে লইয়া | যুদ্ধের প্রথম ভাগে অমরমাণিক্যের এক পুত্রের মৃত্যু হইলে সেকানর সাহা! সন্ধির প্রস্তাব করিয়! লিখিয়া পাঠান £-- রাস্তু ছকরুযা ছিল আদম পাদসাহা। তাহারে বান্দিয়া দেও আমি চাহি তাহা ॥ (প্রাচীন রাজমালা) সুতরাং চা্িগ্রামের দক্ষিণভাগস্থিত রামুচকরিয়ার এই অধিপতি নিঃসনেহ ছদরজাহার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক “দক্ষিণ কুলের রাজা আদম” হইতে অভিন্ন। মঘরাঁজা কর্তৃক উদয়পুর অধিকারের পরও অমরমাণিক্য তেজংপূর্ণ বাক্যে আশ্রিত আদমকে প্রত্যপণ করিতে স্বীকৃত হন নাই। অমরমাণিক্যের এই ক্ষাত্রতৈজ ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখিত থাকা উচিত।
পুনর্্বার মগরাজ! লিখীল রাজারে। তোমি তাকে কি জানিবা মগধকুমার ॥ আদমকে ছাড়িয়া দেহ পৃতি হইবারে ॥ দৈবগতি এক পুত্র যুদ্ধেত পড়িছে। নৃপতি লিখীল তবে ই কথা না ছবে। আর ছুই প্রত্র মোর অখনেহ আছে ॥ শরপ লইছে আদয তাকে নাহি দিবে ॥ এহি সব মরিলে হ না দিব আদম। ক্ষতি ₹ংশেত জন্ম হইছে আমার । ছুর্বল হইছি আমি দৈবগতিক্রম ॥
(প্রাচীন রাজমালা, ৪৫1১ পত্র)
৩, সাহিত্য-পরিষত-পত্রিকা চি
চাটগ্রামে চক্রশাল! অঞ্চলে “আদম ছাইগ্র দীঘি ও তৎসংক্রান্ত প্রবাদ এখনও বিষ্যমান আছে। ছন্দমমালালঙ্করের আরাকাঁন-ইতিহাসে (২য় খণ্ড, পৃ. ৯০) পাওয়া যাঁয়। উক্ত সংঘর্ষকালে “চাইতাগঙের উজী(র) জলা ল্)” আঙ২রাজার ( অর্থাৎ ত্রিপুরাধিপতির ) পক্ষ অবজম্বন করিয়াছিলেন এবং তাহার পরাজয় হইলে ভয়ে প্রাণত্যাগ করেন। ৯৪৮ মঘাঝের ৬ই পনেত্ী” বুধবার মখরাজ! সমারোহে যুদ্ধযাত্র! করিয়াছিলেন । মঘান্দ “কান্তিকাদি” ছিল এবং গণনানুসারে ১৫৮৫ সনের ১৭ নবেম্বর বুধবারই এ যুদ্ধযাত্রার তারিখ হয় এবং ১৫৮৬ সনের প্রারভ্তে (রাজম!লার মতে চৈত্রমাসে) সেকানর সাহ উদয়পুর অধিকার করেন। অমরমাণক্যের পুত্র রাজধরমাণিক্যের ১৫০৮ শকাবের অভিষেকমুদ্রা আবিষ্কত হওয়ায় ত্রিপূর-পরাজয়ের এই তারিখই প্রামাণিক প্রতিপর্র হয় ছুর্গামণি-সংশে।ধিত রাজমালার তারিখ (পৃ. ৪২, চৈত্ত ১৫১০ শক ) এস্তলে ভ্রান্তিমূলক | প্রাচীন রাজমালার প্ররুত পাঠ “কালনভ শরচন্ত্র “ক চৈত্র মাসে" (অর্থাৎ ১৫০৬ শকান্দ) স্থলে বোধ হয় “শৈলনভ” ছিঙ্স।
১৫৮৬ লন হইতে ১৬৬৬ সন পর্য্যন্ত দীর্ঘ ৮০ বংসরকাল চাটিগ্রামে মঘ-ফিরিঙ্গির অ্ুপ্ প্রতাপ প্রতিষ্ঠিত ছিল। জালাল খার পুত্র “বিরাহিম খাঁন” তাহাদের আনুগত্য স্বীকার করিয়া নামে মান্র “উজীবর” ছিলেন বলিয়া মনে হয়। কবির ভাষা হইতে ( *ভ্রীবিরহিম খান, তোন্াকে প্রণামি বহুতর |”) বুঝা যায, গ্রন্থ রচনাকালেও (১৬৪৬ সনে) তিনি জীবিত ছিলেন। আর।কাঁনের ইতিহাসে এবং পাদ্রী ম্যানরিকের (8057706) অপূর্ব ভ্রমণ-কাহিনীতে পাওয়া যায়_মখঘর।জার দ্বিতীয় পুত্রই দাধারণতঃ চাটগ্রামের অধিপতি নিধুক্ত থাকিতেন (7626981 : 085£ 9 :55670, 1916, 1. 169)| উক্ত পাত্রীর আগমনের অল্প পূর্বে ( ১৬২৯ খ্রীষ্টাব্দে) চাটিগ্রামের তৎকালীন অধিপতির মৃত্যু হইয়াছিল। তিনি সম্ভবতঃ ছুদধীস্ত পর্ভ,গীজ দ্য গঞ্জালিসের সমকালীন ( মঘরাজা ললিম সাহার--১৫৯৩-১৬১২ দন) দ্বিতীয় পুত্র 40910159 1 73০9০8£109+5 [06809 গ্রচ্থে (9. 499) তাহাকে 41,915 91 00০18710016 [0180958, 950060619 210 [৪002 বলায় বুঝ! যায়, সমগ্র চাটিগ্রামে তৎকাঁলে তিনটি শাপনবিভাগ ছিল-_ দেয়ার্গ, চক্রশাল! ও রামু। ম্যানরিকের সময়ে রামুতে পৃথক শাসক ছিল (86998] : 2536 6 চ765506 1916, 9. 229) এবং তাহার অবস্থানকালে চাটগ্রামের নবনিযুক্ত অধিপতি পর্তভুগীজগণের অনিষ্টসাধনের জন্ত ঢাকার নবাবের নামে পর্ত,গীজগণের ও চক্রশালার বাঙ্গালী অধিবাসি- গণের (7706 96095193 26310170010. 076 66121601706 550838818,” 1810. 02 227) ছুইটি গুপ্ত সন্ধিপত্র জাল করিয়াছিলেন । মনে হয়, ১শ শতাব্দীর প্রাবস্ত হইতেই চারটগ্রামের সহিত মঘ রাজাদের সম্পর্ক আরম্ভ হইলে তিন জন পৃথক্ মঘ প্রতিনিধি তিন
স্থলে নিধৃক্ত হইত । রামুর (এবং সম্ভবতঃ চক্রণালার ) এইরূপ একজন প্রতিনিধি ছিলেন তামরমাণিকোর আশ্রয়প্রাপ্ত আদম সাহা।
০০
আচার্য্য শ্রীযোগেশচন্দ্র রায় বিচ্যানিধি মহাশয়ের নংবর্ধন।
গত ১৩৫৪, ২১এ অগ্রহায়ণ দিবসে বঙীয়-সাহিত্য-পরিষদের সহকারী সভাপতি সার্ প্রীছুনাথ সরকার মহাশয়ের সভাপতিত্বে বাকুডা শহরে শ্রীযোগেশচন্ত্র রায় বিদ্যানিধি মহাশয়ের উননবতিতম জন্মতিথি উপলক্ষে বঙশ্গীয়-সাহিত্য-পরিষং ও তাহার গুরণমুগ্ধ দেশবাদীর পক্ষ হইতে তীহাকে সংবর্ধনা করিঝ্রর জন্ত এক বিশেষ অধিবেশনের অনুষ্ঠান হয়। সভার উদ্বোধনের পর সভাপতি মহাশয় বিছ্ভানিধি মহাশয়ের গলে পরিষদের পক্ষে সোনালি জরির মাল! অর্পন করিলে পর, পরিষদের পক্ষে অধ্য।পক প্রীদীনেশচন্্র ভট্টাচার্য স্বরচিত নিয়লিখিত মঙ্গলাচরণ-ঠ্োোক পাঠ করেন।
স্বত্তি ॥ জ্যোতিঃকে।(ষ-পুরাণ-বেদবিষয়ৈকুপ্টিজ্জবিগ্ঠান্্র চ ন্তাধাস্ত পরং প্রগাটরচনৈঃ গৌডাঃ গতাঃ গৌরবম্। শ্রীবিদ্ভানিধিরায়ভ।জনমমৌ যোৌগেশচন্দ্রো ভবান্ মার্কপডেয়নিভঃ সও।জিতসশে দৃষ্টোহস্ হাঃ বয়ম্॥ ইয়ং প্রশস্তিবর্গীয়সাহিত্যপরিষদ্গৃহাৎ। দীনেশশর্মরচিতা শতায়ুঃপুত্তিশংদ্গনী ॥ শাকে গ্রহারিনাগেন্দৌ মার্গেকবিংখব।সরে | গ্রীতয়ে ভবতামস্ত্র বাকুড়।পুরবাসিনাম্ ॥
অতঃপর স্থানীয় অভ্যর্থনা-সমিতির সভাপতি অধ্যাপক শ্রীরামশরণ ঘোঁধ মহাশয় তাহার অভিাষণ পাঠ করেন। পরিষদের সম্পাদক শ্রীসজনীকাস্ত দাস নিষ্োদ্ধীত মানপক পাঠ করেন। একটি চন্দনকাষ্ঠের পেটিকায় স্থাপন করিয়! রেশমী কাপড়ে মুদ্রিত এই মান-পত্রটি বিছ্বানিধি মহাশয়ের হাতে দেওয়া হয় ।
এই অনুষ্ঠানের সাফল্য কামনা করিয়া পশ্চিমবঙ্গের প্রধান মন্ত্রী ডক্টর শ্রীপ্রকুল্লচন্্র ঘোষ, মহামহোপাধ্যায় শ্রীবিধুশেখর শান্ী, অধ্যাপক শ্রর্থনীতিকূমার চট্টোপাধ্যায়, শ্রীবসন্তরঞ্জন রা বিদবদ্বল্লভ, প্রীবসন্তকুমার চট্টোপাধ্যায়, শ্রীকমলকুঞ্জ রায় যে বাণ্রী পাঠাইয়াছিলেন তাহা পঠিত হয়।
আচার্য গ্রীযোগেশচন্দ্র রায়, বিদ্যানিধি, এম. এ. এফ. আর, এম. এস.,
রাঁয় বাহাদুর মহাশয়ের করকমলে-_
হে জ্ঞানভাপস.
আজ আপনার জীবনসন্ধ্যায় সাহিত্যিক, সাহিত্যরলিক ও দেশপ্রেমিকদের পক্ষে আপনাকে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং আমাদের কর্মজীবনে আপনার আশীর্বাদ লাত করিবার উদ্দেস্তে আমরা আপনার সংস্পর্শপৃত বাকুড়াতীর৫ঘে উপনীত হইয়াছি। আপনার সুদীর্ঘ কর্মময় জীবনের অধিকাংশ কাল কঠোর জ্ঞানসাধনায় আঁতবাহিত করিয়! আপনি যে গৌরবময় আদর্শ স্থাপন করিয়াছেন, তাহা চিরদিনই আমাদের অনুকরণীয় হুইঘা থাকিবে; আদীব্যদ করুন, সেই আদর্শে আমর! যেন অন্ুপ্রীণিত হইতে পারি। হে নত্যাগুসন্ধী শিক্ষা ব্রতী,
আপনার খধিতুল্য সরল পবিত্র জীবনযাত্রা, শিক্ষাদানে একনি তৎপরতা, স্থানীয় লর্ধবিধ জনছিতকর কার্ষে পথপ্রদর্শন) আপনার প্রধান কর্মক্ষেত্র উড়িয্যাগ্রঙেশে চিরশ্মরণীয
৬২ সাহিত্য-পরিষত-পত্রিকা [১,২য সংখ্য।
হইয়াছে; আপনি সেখানে বহু হ্বদয়ে ভক্তির বেদীতে আজ প্রতিষ্ঠিত । আপনার স্বদেশ- বাসী বাঙালীকে মাতৃভাষায় দুরূহ বিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষা দিবার জন্ত আপনার প্রথম জীবনের একক সাধনার কথ। আজ আমর! কতজ্ঞচিত্তে প্মরণ করিতেছি । আপনার অক্লান্ত লেখনী দীর্ঘকাল ধরিয়। কত বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশবাসীদের শিক্ষিত, উদ্ধদ্ধ ও সতর্ক করিয়াছে এবং ভবিষ্যতেও করিতে থাকিবে | বিজ্ঞানকে সাহিতোর আধারে পরিধেশন করিয়া আপনি ভাবপ্রবণ বাঙালী জাতিকে নৃতন পথে উদ্দদ্ধ করিয়াছেন। রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, জ্যোতি- বিজ্ঞান, উদ্ভিদ্ বিজ্ঞান প্রভৃতি বিজ্ঞানের বিধিধ বি্াগে বহুবিধ গবেষণা করিয়া আপনি মাতৃভাষায় তাহা লিপিবদ্ধ করিয়াছেন। ভাষাতত্ব, ইতিহাস এবং সমাজতত্বের নিখুঁত সত্যগুলি আপনার অপূর্ব প্রতিভাবলে বঙ্গপাহিত্যের সম্পদ্ হইয়া উঠিয়াছে। আপনি বঙ্গভাষার মধ্য দিয়া আমাদের জাতীয় জীবনে জাঙ্ৃবীধার! প্রবাহিত করিয়াছেন । আপনার এই সকল অমর কীতি ন্মরণ করিয়া আমরা আপনাকে অভিনন্দিত করিতে আসিয়াছি। হে জক্লান্তকর্মী বৈজ্ঞানিক,
শুধু বিজ্ঞানের তত্বে নয়, ফলিত বিজ্ঞানেও আপনি এই দরিদ্র দেশকে সম্পন্শীলী করিবার প্রয়াস করিয়াছেন। ্বদেশী-আন্দোলনেরও পূর্বে, দেশীয় উদ্ভিজ্জ হইতে স্থায়ী রঞ্নক- দ্রব্য প্রস্তুতের ধে প্রণালী আপনি আবিষ্কার করিয়াছেন, আজ স্বাধীনতার দ্বারদেশে আসিয়া তাহার প্রয়োগে জাতীয় সম্পদ্-বুদ্ধির সম্ভাবনা দেখ! দিয়াছে । আপনার কৃত কর্মের পুরস্কার আপনার স্বদেশ এবারে লাভ করিবে। দেশজননীর আশীর্বাদে আঁপনার জীবনের সাধন! ধন্য হইবে। | হে একনিষ্ঠ সাহিত্য সেবী,
আপনি বশীয়-সাহিত্য-পরিষদের শৈশব অবস্থ। হইতে ইহার সহিত যুক্ত হইয়! আজ পর্যন্ত ইহাকে বিবিধ দানে পুষ্ট করিয়া আলিতেছেন। সেই দান «বাঙ্গালা ভাষ!”, “বাঙ্গীলা শব্দকোষ” এবং অসংখ্য বৈজ্ঞানিক পরিভাষা ও অন্যান্য বু গবেষণালব্ধ প্রবন্ধের মধ্যে বিধৃত থাকিয়া চিরদিন আপনার অমবকীরতি ঘোষণা! করিবে। আপনি এক জীবনে যাহা করিয়াছেন, তাহ! প্মরণ করিয়া আমর! বিশ্ময়বিযুগ্ধ চিত্তে শ্রদ্ধ। জ্ঞাপন করিতেছি। আপনি আমাদের প্রণাম গ্রহণ করুন। ছে মাভাগ,
প্রত্যক্ষে এবং পরোক্ষে আপনি আমাদের কুলপতি_সহত্র সহত্র শিষ্বের গুরু। আমর! আপনাকে আমাদের ভক্তির অধ্ধয দিতে আসিয়াছি, আপনি গ্রহণ করিয়া আমাদিগকে কতার্থ করুন|
॥ বন্দে মাতরম্ ॥
বঙগীয়-সাহিত্য-পরিষদের পক্ষে
জ্রীসজনীকান্ত দাস
সম্পা্ক
কলিকাতা ২৯ অগ্রহায়ণ ১৩৫৪
বঙগীয়-সাহিত্য-পরিষত কতৃক সম্বর্ধনার উত্তরে আচার্ধ শ্রীযোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধির ভাষণ
বঙ্গীয়-নাহিতা-পরিষর্ধের সদস্য ও বীকুড়াবাসী বন্ধুগণ। আমি আপনাদিগকে সবিনয় নমস্কার করছি । আজ আপনারা সকলে সমবেত হয়ে মামার বছু সম্মান করলেন। আমি ধন্য হলাম। আমি কন্রিন কালে ভাবি নাই, আমি এতাদৃশ সমাদর পাব। পরিষৎ বঙ্গের অন্তি্। একদা পর্ষদের সদশ্য-সংধা। তিন সহশ্রেত অধিক ছিল। সেই পরিষদের শুর বছুনাথ-প্রমূ সদন্ত এই শীতকালে রেলগাড়ীতে ভ্রঘণের ক্লেশ উপেক্ষা ক'বে এখানে আমার সমর্ধন। করতে এসেছেন । আমি নিজেকে কৃতার্থ মনে করছি । অপর গ্িকে মনে হচ্ছে, আমি অপরাধী । সভা বটে, আমি নিরলপ হয়ে নানা বিষ আলোচনা করেছি । কিন্তু কখনও মনে করি নাই, লে সবের দ্বারা বাঙ্গালা সাহিতোর পুষ্টি হবে অন্যের উপকার হবে। আমি অবসরকালে দশ বার বৎসর বাঙ্গালা ভাষার চর্চা করেছি । সে এক আশ্চর্য ব্যাপার । কারণ, আমার শিক্ষা, সংসর্গ, কার্ধ বাজাল! ভাষা শিক্ষার অনুকূল ছিল না । আঁম বিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলাম। বাঙ্গাল ভাষা শিক্ষার বিন্দুমাত্র প্রয়োজন ছিল না। কেন বাঙ্গাল! শিক্ষায় বত হলাম, সে কথা বলছি।
১৩১১ সালে বঙগীয়-সাহিত্য-পরিষৎ প্রতিষ্ঠিত হয় রমেশচন্ত্র দত্ত, স্তর গুরুদাস বন্দ্যোপাধ]ায়। সারদাচরণ মিত্র প্রভৃতি মিলে উই) প্রত্ষ্টিত করেন। ১৩৭২ সালে আমি উহার সদন্য নির্বাচি্ হই। সিপাহী-বিদ্রেছেব ইতিহাস-লেখক রজনীকান্ত গুধ পরিষৎ- পত্রিকার সম্পার্দক ছিলেন। তিনি আমায় পত্র লেখেন। প্রথম বৎসরের পত্রিকায় দেখলাম, “ইউরেনাস্্ঃ নামক গ্রহ্থের সংস্কৃত নাম নিমে তর্ক চলেছে। দেখি, জব্বলপুর কলেজের গণিতের শিক্ষক অপূর্বচন্ত্র দত্ত একদিকে ও বিশুদ্ধ সিহধাস্ত পঞ্জিকার কর্তা মাধবচন্ত্র চট্টোপাধ্যায় আর একদিকে তর্ক করছেন। একজনের মতে ইউরেনাসের নাম ইন্ত্র ওয়] উচিত কারণ, গ্রীকপুরাণে ইউরেনাস দেবতার প্রথম রাজ, বেদের ইনু দেবতার রাজা । অন্ত জনের মতে, ভাষাত তবে ইউরেনাস ও বেদের বরুণ একই শব, অতএব ইউরেনাসকে বরুণ বলাই উচিত। আমার কাছে দুইটি ঘু'ক্তই নূতন ঠেকল। ইউবেনানকে বাঙ্গালায় ইউরেনাস বা সংক্ষেপে িউবেন” বলতে আপত্তি কি? অনেক্ক বিচারের পর পাশ্চাত্য জ্যোতিবিদের] এই নাধ শ্বীকার করেছেন। জ্যোতিবিদ্ হার্শেল, যিনি এই গ্রহের আবিষ্তা, তিনি এই নাম দিয়েছেন। ইহার বৈদিক নাম রাখবার কি প্রয়োজন হ'ল। কিন্তু কেহ উত্তর দিলেন ন।। ৃ
বাঙ্গালা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নতি, পুষ্টি ও উনুদ্ধি সাধন পরিষদের উদ্দেশ্ব ছিল। বাঙ্গাল টজ্ঞানিক পরিভাবার অভাব ছিল। ১৩৭২ সালে রাষেন্্রহন্দর জিষেদী রাসীয়লিক
€
৩৪ সাহিত্য -পরিষৎ-পত্রিকা [ ১ম, ২য় সংখ্যা
পরিভাষ! প্রণয়নে প্রবৃত হন। কি নিয়মে রসায়নের মূল ও যৌগ্সক পদার্থের নাম রন। কর্তব্য, তিনি প্রথমে সেই নিয়ম বিচার করেন। সে বিষয় কারও আপত্তি করবার ছিল না। কিন্তু তার অসামান্য বুদ্ধি ও বহুজ্ঞান প্রয়োজনোপযোগী পরিভাষ! প্রণয়নে ব্যর্থ হ'ল। তিনি নিজেই লিখেছিলেন, রসাযুনশান্ধের পৰিপাটি পরিডাষ'র গুণেই ইহার উন্নতি সম্ভবপর হয়েছে। তিনি সে পরিভাষা ত্যাগ ক'রে নৃতন বাঙ্গালা ও সংস্কৃত নাম প্রস্তাব করলেন। যেষন, অক্সিজেন হক, অক্মাইভ “দগ্ধ, ক্লোরিণ হরিণ ক্লোরিণ-অক্সাইড “দপ্ধ-হরিণ+, ইত্যাদি। এই নামটি দিন কয়েক সকলের কৌতুক উৎপাদন করত। সে সময়ে মেডিকেল ইস্কুলের ছাত্রের! বাঙ্গালায় ডাক্তারি বি্যা শিখত । শিক্ষাবিভাগের অধ্যক্ষ মেডিকেল ইস্ুলের শিক্ষার কর্তা ছিলেন। তিনি আদেশ করলেন, ছাত্রদিকে রসামন-বিদ্যা ও কিঞ্চিৎ পদার্থ- বিছ্যা শিখতে হবে । কটকে মেডিকেল ইস্কুল ছিল, কিন্তু প্রথমে ইন্কুলে এই দুই বিদ্যা শিখাবার উপকরণ ছিল না। শিধাবার ভার আমার উপর পড়ে। ছাত্রের! শনিঝারে শনিবারে দুইটার পর কলেজে আসত । আমি বাঙ্গালায় বলতাম । গড়িয়া ছাত্রেরা বাঙালী ছাত্রদের মত বাঙ্গাল বুঝত, কিন্তু পাঠ্যোপযোগী বই ছিল না। আমি “সায়ন” নামে একখানি বই জিথি। ০ বই ১৩৪ সালে মুদ্রিত হয়। আমি সেবইতে ইংরেজী পরিভাষা নিয়েছিলাম | “প্রবাসী”র অগ্রজ পপ্রদীপে এই বইয়ের সমালোচনা বেরিয়েছিল । সমালোচক “নানান দেশে নানান্ ভাষা । বিনা স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা ॥”-এই ভূমিকা কারে “দীনা বঙ্গভাষাশ্র জন্য ধেদ করেছিলেন। তিনি নিজের নাম দেন নাই । রামানন্দবাবু “প্রদীপের সম্পাদক, তাঁকে পত্র লিখে জানলাম, ডক্টর্ প্রফুপ্চন্্র রায় (পি. সি. রায়) সমালোচক, ভিনি নাম দেন নাই, আমি স্থযোগ পেলাম, উত্তরে লিখেছিলাম, “দীন বঙ্গভাষাণ্র খেদ করার যথার্থ কারণ আছে । বাজারে ইংরেজী-নামে ওঁষধ বিক্রী হচ্ছে, কেহ তাদের বাঙ্গালা নাম রাখছে না। কয়েকজন বাডালী “বেঙ্গল কেমিক্যাল এণ্ড ফামাদিউটিক্যাল্ ওয়ার্কস্*_-এই বিজ্ঞাতীয় ছকচ্চার্য অর্থহীন নামে এক সমবায় করেছেন। তারা ওঁষধ প্রস্তুত করছেন, কিন্তু সে উধধের নাম ইংরেক্জী! বঙ্গভাষা সত্য সত্যাই দীনা। এত তর্কাতকির পরেও এক বিদ্বান্ পাণিনির হ্ৃত্র ধ'রে মূল পদার্থের নাম উদ্ভাবন করেছিলেন। আমি একা একদিকে, অন্য কলে অপর দিকে ছিলেন। দ্রব্যের নাম সম্বন্ধে আমি ইংরেজীর পক্ষপাতী, কিন্তু গুণ ও ক্রিয়াবাচব শবে সংস্কৃত নাম প্রয়োগ ক'রে আসছি । আমি বহু শব্ধ সংস্কৃতে সঙ্কলন কিন্বা রচনা করেছি। পরিষৎ*্পব্িকায় চাবি পাচ শত দিয়েছি । আমার বইতে ও প্রবন্ধে আমার রচিত শ্নেক শব্দ আ।ছে। “ভারতবর্ষে” 'বাঙ্গালা ভাষার শ্রীবুদ্ধি', প্প্রবাসীগতে 'ইংরেজীর বাংলা” এই এই নাষে রাজ্যশাসন ও পালন-সংক্রান্ত অনেক শব্ধ চয়ন কৰবেছি; অন্যের গ্রষ্নোজনেও কবেছি। সব শব্দ একজ্র করলে বোধ হয় এক হাজাবেব কম হবে না।
প্রথম বৎসরেই সাহিত্য-পর্িষৎ আর এক গুরুতর বিষয়ে মনোযোগী হয়েছিলেন ৷ তারা বুষেছিলেন, ইন্ছুল ও কলেজে বাঙাল! শিক্ষা প্রবতিত ন! হ'লে বাঙ্গাল! সাহিত্যের উদ্নতি
€৪শ বর্ষ] আচার্য প্রীধোগেশচন্দ্র রায় বিষ্যানিধিব ভাষণ ৩৫
হবে না। গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রঙ্জনীকাস্ত গুপ্ত ও আর ছুই সদস্য নিজে এক সমিতি করেছিলেন । সমিতি অনেক আলোচনা ও ইস্কুলের ও কলেন্ডের অধ্যক্ষদিগের অভিমত সংগ্রহ ক'রে ছুইটি প্রস্তাব স্থির করেন। একটি,_এন্টাম্স পরীক্ষায় ছাত্রের! বাঙ্জালাম ইতিহাস ভূগোল ও গণিতের প্রশ্ব্ের উত্তর লিখতে পারবে । অপরটি,_.এফ-এ, বি-এ পরীক্ষার ছাত্রদিকে ইংরেজীর বাঙ্গালা ভাষাস্তর ও বাঙ্গালা রচনা করতে হবে। তৎ- কালে এণ্ট.ান্ন পরীক্ষার্থীকে ইংবেজীর বাঙ্গালা ভাষাস্তর করতে হ'ত। কিন্তু তদ্দারা বাঙ্গালা ভাষা শিক্ষা কিছুমাত্র হ'ত না । এই নৃত্তন প্রস্তাব সম্বন্ধে মতাস্তর হয়েছিল। ইস্কলের অনেক প্রবীণ শিক্ষক্চ বাঙ্গালায় ভূগোল, ইন্হাস ও গণিত শিক্ষার বিরোধী ছিলেন। কোন কোন কলেজের অধ্যক্ষদের মতে, এপ্টান্স পরীক্ষায় উদ্দেশ্য যেমন ব্যর্থ হয়েছে, এফ-এ, বি-এতেও তেমন হবে। তথাপি পরিষন্ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকট উক্ত ছৃষ্ট প্রন্তাব পাঠালেন । বিশ্ববিদ্যালয় প্রথমটি গ্রহণ করলেন না। দ্বিতীয়টি গ্রহণ করলেন দশ পনর বৎসর পরে। কলেজের ছাত্রদেরু গল্প পড়া বেড়ে গেল; কারণ, বাঙ্গালা রচনায় যোগ্যতা দেখাতে হবে। সোজা নয়, একশ নম্বর রাখতে হবে। ছু'শ পৃষ্ঠার বই হৃঘণ্টায় সমাণ্চ করতে লাগল । "তার পর কি হ'ল? তার পর কি হল ?» গল্পের বইয়ের পাছা উন্টাতে লাগল । ভাষা শিখল না । বিশ্ববিদ্যালম ছাত্রদের পাঠের নি মত্ত কতকগুলি বই নির্দেশ করেছিলেন । কিন্তু ছাত্রের সে সব বই পড়ত না। স্যর আশুতোষ অল্পে তুষ্ট ছিলেন, কোন ছাত্র বাঙ্কালায় 'ফেল' হ'ত না। পরিষদের উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ব্যথ হ'ল । ১৩২১ সালে ( ইং ১৯১৫) ত্র মাসে বর্ধমানের মহারাজা বঙ্গীঘ-সাহিত্া-সম্মেলন নিমন্ত্রণ করেন। বঙ্গের সকল স্থান হতে প্রতিনিধি এসেছিলেন । মহামভোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শান্্ী সন্মেলন-পর্তি ও সাহিত্য-শাখা-পতি ছিলেন। শ্রীযুক্ত যছুনাথ সরকার ইতিহাস-শাখাব, হীরেন্্রনাথ দত্ত দর্শন-শাখার সভাপতি ছিলেন; আমি ছিলাম বিজ্ঞান'শাখার । মহারাজার গোপালঞ্গীর মন্দিরের বুহৎ প্রাঙ্গণে সভা বসেছে। দু-তিন হাজার লোকের সমাগম হয়েছে । শান্মী মশায় আমায় আদেশ করলেন, আমি প্রস্তাব করুলাম, ইস্কুল কলেজে ইংরেঞ্জী ভাষা ও সাহিত্য ব্যতীত অপর সকল বিষয় বাঙ্গালা ভাষায় পঠন-পাঠন প্রবতিত হউক | বহুকাল হ'তে একট] তক ছিল, বাঙ্গালায় বিজ্ঞান শিক্ষা দেওয়া কঠিন। আমার মেডিকেল ইস্থুলের অভিজ্ঞতা ছিল; আমি বলেছিলাম, মেডিকেল ইস্কুলের ছাত্রদিকে বূসায়ন-বিছ্যায় কুড়িটি পাঠ নিতে হ'ত। এ নিমিত্ত ত্রিশ ঘণ্টা বা চল্লিশ ঘণ্টার অধিক সময় লাগত লা) কিন্তু পাঠ্য বিষয় ছিল “আই, এস. সি”'র রসায়ন তুল্য, কেবল
কর্মাভ্যাস ছিল না । কলেজে প্রতি বসবে ষাটটি ক'রে হু'বৎসবে একশ” কুড়িটি পাঠ দিতে ইত। কিন্তু ছাত্জদেঝ জ্ঞান ভাসা-ভালা হ'ত, 'মডিকেল ইস্কুলের ছাত্রদের জ্ঞান পাকা হ'ত। রসায়ন-বিষ্ঠার তুল্য সাঙ্কেতিক বিদ্যা আর একটিও নাই | বাজাজ] ভাষায় সে বিছ্যাশিক্ষা অক্রেশে হ'তে পাবে । সভায় এই প্রস্তাব গৃহীত হল, বিশ্ববিদ্ালয়ের গোচরীভূতও হ*ল। ইছার পঁচিশ বৎসর পরে ইং ১৯৪০ সালে শ্তর আশুতোষের কতৃত্বে ইংবেজী ইন্কুলে বাঙাল! পঠন-পাঠন আস্ত হ। আব 'আই-এ, বিএ, ও এম-এ পর্বস্ত বাঙাল! সমাদৃত হ'ল।
দেশের কাঁলচক্র অতিশয় মুহগতি |
৩৬ সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা [১ম ২য় সংখ্যা
রবীন্্রনাথ বাজাল! ক্রিয়াপদ সংগ্র্গ করছিলেন। ১৩৯৮ (ইং ১৯৯১) সালে সাহিত্য- পরিষদ্ সেই তালিকা ছাপিয়ে স্স্তগণের নিকট পাঠিয়েছিলেন । পরিষদের সন্থকারী সম্পাদক ব্যোমকেশ মুঘ্তফী সে তালিকার সঙ্গে এক নিবেদন-পদ্রও দিয়েছিলেন । তিনি লিখেছিলেন, শবজীয়-সাহিত্য-পরিষদের প্রধান উদ্দেশ্ট বাঙ্গাল! ভাষার অভিধান ও ব্যাকরণ সম্ধলন '* এই উদ্দেশ্য সাধনের জম্য বাজালা ভাষার যাবতীয় শব সংগ্রহ করতে হবে। সাম্যগণ শব্দসংগ্র করলে পরিবদের অভিপ্রেত উদ্দেশ্তট সিদ্ধ হবে । আমি পড়লাম, আর রেখে দিলাম। এ কাজ আমার নয়। তিন চার বংসর পরে স্ষিশ্রাম লাভের জন্য পুরী গিয়েছিলাম । সঙ্গে কোন বই ছিল না। সকালবেল! ভ্রমণ করে কাটত। অপরাহ্ে কয়েকজন পণ্ডিত আসতেন তাদের সহিত আলাপ ক'রে কাত, কিন্তু মধ্যাহু কাটে না, দিবানিক্রার অভ্যাস নাই। একদিন মনে হল) পরিষদ্ শব সং£হ করতে বলেছিলেন। আমি যত *ব জানি, জিখতে থাকি । যে শব্ধ মনে আসতে লাগল, এক খাতায় লিখতে লাগলাম | ঘণ্টা ছুই তিন লিখবার পর মলে হক) অযুনন্ত শক বগিত করে না লিখলে কি কাজে আসবে? পরদিন আবার নূতন খাতা ক'রে রাক্মাঘর নিয়ে আরন্ড করলাম। সেখানে কিকি শব লাগে? “মা'লসা” 'সরা» *খুস্তী? ; কিন্তু সন্দেত হল মাল্সায় “স+ না 'শ”, খুস্তী” না খিস্তী?? ত-এ হন্ব-ই নাদীর্ঘঈ? একাজ আমার সাধা নয়।
ইহার ছু-এক বৎসর পরে বোস্বাইবাসী এক মরাঠী বন্ধুর পত্র পেলাম। তিনি বাঙ্গালা ভাষা শিখতে চান । ছিনি বাজালা শিখবার বই চেয়েছেন। এমনকি বই আছে, আমি জানতাম না। কলিকাতার এক পুম্তক-বিক্রেতাঁকে লিখলাম । তিনি লিখলেন, এমন বই নাই। মাস কয়েক পরে ভ্রিবাঙ্কুড়বাসী ও মালফুলমভাষী এক বন্ধু বাঙাল ভাষা শিখবার বই পাঠাতে কিখলেন। তিনি ভিজ্ঞাসা করছেন, বাজালা ভাষা লেখা সোজা কি না? আমি এর উত্তর জ্জানি না । আমার আক্ষেপ হ'তে লাগল। আত্মদিন্দা আমায় পীড়িত করলে। কিআশ্চয! আমি বালাল! বই লিখেছি, প্রবন্ধ লিখেছি, বাঙালী ব'লে পরিচয় দিচ্ছি, আমি আমার মাতৃভাষার কিছুই জানি না। আমার মাতৃভাষ'র গুতি ভক্তি অজ্ঞানের ভক্তি, অকিঞ্চিংকর ! আমি বাঙ্গাল ভাষা শিখতে বসলাম। সংস্কৃত শব্দের ব্যাকরণ আছে, কোষ আছে। সে সকল শব আমার বিবেচ্য 'ছল না। তন্ব্যতীত যে সকল বাঙ্গাল! শব আমি জানতাম, সে সকল শব বর্গে বর্গ ভাগ ঝ,বে এক এক খণ্ড কাগজে এক এক শব খে যেতে লাগ্লাম । আমার নিজেরই আশ্চর্য বোধ হ'ল) আমি নিজের মন হতে প্রায় আট হাজার শব লিখেছিক্গাম তার পর শব্দের উচ্চারণ, বানান ও অর্থ চিস্তা করলাম। এইক্ধপে আঘার বাঙাল! ব্যাকরণ ও শবকোধের উৎপত্তি হয়েছিল। কারও সাহাষ্য পাই নাই, কোষে কিছু কিছু ভূল রয়ে গেছে।
১৩১৫ সালের সাহত্য-পকিষৎ-পরত্জিকার অতিরক্ত সংখাারূপে আমার ব্যাকরণের গ্রাথম অধ্যায় ছাপা হয়েছিল৷ সে এক দীর্ঘ অধ্যায়। তাতে বাঙ্গাল ভাষার উৎপত্তি, প্রকৃতি, গতি, ব্যাণ্চি প্রভৃতি ালোচিত হয়েছিল। আজ আপনারা রাষ্ট্রভাষার কথা শুনছেন।
€৪শ বর্ষ] আচার্ধ শ্রষোগেশচন্দ্র বায় বিস্যানিধির ভাষণ ৩৭
চল্লিশ বৎসর পূর্বে এই প্রশ্ন আমার মনে হয়েছিলা আমি বাঙ্গালার সহিত হিন্দীর তুলন! ক'রে লিখেছিলাম, হিন্দী বহু লোঁকের ভাষ' । কিন্তু হিন্দীর লিঙ্গানুশাদন সহজে আয়ত্ত হবার নয়। সে বিষয়ে বাঙ্গালা ভাষা শ্রেষ্ঠ। বাঙ্গাল! সাহিত্য যত সম্বদ্ধ, হিন্দী সাহিত্য তত নয় । আমি যেন দিব্যচক্ষে দেখতে পেয়েছিলাম, সে দিন আসবে, ষেদ্িন আমাকে ভার - ভাষা চিস্তা করতে হবে, আর হিন্দীর সহিত বাঙ্গালাকে লড়াই করতে হবে। অন্যান্য প্রদেশে বান্দালা ভাষার প্রসার করতে পারলে আজ বাঙজালাকে ভারত্-ভাষার আসনে বসাতে পারা ষেত। আমি সতর্ক করেছিলাম; কিন্ধু ঝাডালী উদ্দাসীন, কেহ সে কথা শুনলেন না। বাঙ্গাল! ভাবা প্রসার সমিতির কাধবিবরণ পড়তে পাই নাই।
বাঙ্গালা ভাষা শেখা সোজা, মে লৈখিক ভাষা, মৌখিক ভাষা নয়। বিশেষতঃ ধারা একটু সংস্কৃত জানেন, তার অতি অল্প দিনেই শিখতে পারেন । আমাদের নিত্য বাবহাধ ভাষায় যত সংস্কৃত শব আছে, অন্ত কোন প্রঙ্েশের ভাষায় তত নাই।
আমি এ কথার প্রত্যক্ষ প্রমাণও পেয়েছি । ওুড়িষ্যায় ইংবেজী-শিক্ষিত ব্যক্তিমান্দ্েই বাঙ্গালা জানতেন, বিহাবীও জানতেন, আসামীর ত কথাই নাই। একদা অনুস্থয়া বাঈ নামে এক মাঝাঠী বিদুধী কটকে এসেছিলেন, তিনি কটকের সরকারী উকিল হরিবল্লভ বন্থর বাড়ীতে উঠেছিলেন । স্থভাষের পিতা জানকীনাথ বন্ধ হরিবল্লভ বাবুর আত্মীয় ও "জুনিয়র? ছিলেন। মহিলাটি সংস্কত ও তার মাতৃভাষ) মরাঠী ভিন্ন অন্য ভাষা জানতেন লা। তিনি তথাকার ছু” পাচ জনের সঙ্গে আলাপ করতে চান। এ এক আশ্র্ধ, হরিবল্পভ বাবু আর কাহাকেও পেলেন না, আমাকেই ডেকে পাঠালেন। আমি সন্ধ্যার সময় গেলাম। মহিলাটি সংস্কৃতে প্রশ্ন করলেন, আমি ব্যাকরণ ভেবে ভেবে উত্তর দিলাম । এইরূপে ছুই চারটি গ্রশ্থ্ের পর তিনি বুঝতে পারলেন, সংস্কৃতি কথা কওয়ায় আমার অভ্যাস নাই । তিনি বললেন, "আপনি বাঙ্গালায় বলুন, আমি সংগ্কৃতে বব।” আমি সাধু বাঙ্গালায় বলতে লাগলাম। আমার মনে আছে, তিনি বলেছিলেন, তিনি ভারতের নানা দেশ ঘুরেছেন, নানা ভাষা শুনেছেন; তিনি অন্য কোন ভাষা বুঝতে পাবেন নাই, কিন্তু বাঙ্গালা বুঝতে পেরেছিলেন ।
বাঙ্গাল! ভাষা অক্েশে কইতে পারা যায়, অক্েশে বুঝতে পার' যায়, কিন্তু অকেশে বাঙালা অক্ষর পড়তে, বিশেষত লিখ তে পারা যায় না। বাঙ্গালা বর্ণ অর্থাৎ ভাষার ধ্বনি প্রায় পঞ্চাশ । কিন্তু পঞ্চাশটি অক্ষর শিখলে বাঙ্গালা লিখতে পারা যায় না। ব্যপ্রনাক্ষর যোগে স্বরাক্ষর পরিবতিত হয়। এই পরিবর্তিত স্বাক্ষর গ'নলে চৌষট্রিটি অক্ষর পর্যাপ্ত হবার কথা। কিন্তু তা হয় না। বিদ্যাসাগর ষহাশয়ের বর্ণপরিচয়ের ছিতীয় ভাগের শব্ধ লিখতে ও পড়তে শিশুকে কি কষ্ট পেতে হয়, ধিনি দেখেছেন, তিনিই বুঝবেন । তথাপি কত বাঙ্গাল বই গুজরাতী ও হিন্দীতে অনৃদিত হয়েছে। অন্ুবাদকের প্রবাসী বাজালী নহেন। এ বিষয়ে রাষানন্দাধু অনেক জানতেন, আমি ছুই এক ভ্রাবিড় ভাষা কথা জানি। গত বৎসর মাদ্রাজ-বাসী ও তেলেগু-ভাষী এক শাস্ী আমায় এক পত্র জিখেছিলেন। পত্রখানি ইংরেজীতে | নিজের পরিচয় দিতে লিখেছিলেন, তিনি আম্ব | 'আন্ধ” শবটি বাজাল!
৩৮ সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা [ ১ম, ২য় সংখ্যা
অক্ষরে লিখেছিগ্েন। তদবধি তাঁর ছয়-সাতখানা পক্স পেয়েছি । আমি *প্রবাসী”তে কোন্ কালে কি লিখেছিলাম, তিন পড়েছেন আবু কোন কোন বিষয়ে তর্ক তুলেছেন। আমার জিজ্ঞাসার উত্তরে ইংরেজীর মধো মধ্যে বাঙ্গালা অক্ষবে তেলেগু শক লিখেছেন । কিন্তু অক্ষর দেখলেই বুঝতে পাবা যায়, তিনি কষ্টে লিখেছেন। যেখানে আটকেছে, সেখানে নাগরী ধরেছেন । বাঙ্গালা ভাষার এই গৌরব অল্প দিনের নয়। প্রায় ৬০ বৎসর পূর্বে বাঞ্গালোর হ'তে এক বাক্তি আমায় পত্র লিখেছিলেন। আমার বঙ্গবিদ্যাঙ্গয়ের একখানা পাঠ্য পুস্তক ছিস। তিনি বইথানি কনাড়ী ভাষায় অন্বাদ করবার অন্মতি চেয়েছিলেন । তিনি নিশ্চম্ অনেক পাঠ্য-পুস্তক দেখেছিলেন আর নিশ্চয় বাঙলা যুক্তাক্ষরের কাটার বেড়ায় বিক্ষত হয়েছিলেন।
এই সব দেখে আম বুঝলাম, বাঙ্গালা যুক্তাক্ষরের অনাবশ্াক জঞ্জাল দুর করতে না পারলে বাঙ্গালা-ভাষা শেথা সোজা বলতে পারি না। কিন্তু লোকে আমার উদ্দেশ্য বুঝলে না? ভাবলে, আঁমি অনাবশ্তক কিছু করতে বসেছি; অনেকে আমার প্রতি বিরক্ত হলেন, কোথাকার কে ওুড়িস্যায় থে.ক বাঙ্গালা-ভাষার সর্বনাশ করতে বসেছে । ভাগলপুর সাহিত্য- সম্মেলনে ললিতকুমার বন্দ্টোপাধ্যায় বর্ণমালার অভিষোগ এনেছিলেন। শ্রোতারা খুব হেসেছিল। কিন্তু কেহ বলে নাই, মভিযোগটি মিথ্যা । আমি বর্ণঘালা স্পশ পধন্ত করি নাই । কেহ বলে নাই, অক্ষরমালা আমার নিকট কৃতজ্ঞ। নিম্পিষ্ট, সষ্টুঠিত, বিকলাঙ্গ কত অক্ষরকে আমি উদ্ধার করেছি । এপ্রবাশী”সম্পাদক বামানন্দবাবু আমার স্হাম হয়েছিলেন। আমি যেমন অক্ষরে লিখতাম, তিনি তেমন ছাপাতে চচষ্টা করতেন। “ভারতবর্ষেব সম্পার্দক জলধরবাবু€ যথাসাধ্য ০েষ্টা করতেন। কিন্তু "লাহিত)”-সম্পাদক স্থরেশচন্্র সমাজপতি নাম রেখেছিলেন *যৌগেশ বানান”। রামেন্দ্ন্ন্দর সাহিত্য-পরিষদের সম্পার্ক ছিলেন। প্রথমে তিনি তর্ক করেছিলেন, পরে তিনি আমার ব্যাকরণ ও শব্দকোষ ছাপবার জন্য দশ বাটা নৃতন টাইপ করিয়েছিলেন | ও কু, কষ, শু পর্বতে গু, র, বু, শ! দিখলে মহা ভাবত অশুদ্ধ হয় না। স্যর জগদীশ বস্থুর কথা ম্বতস্ত্র। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, "আপনি কি বাঙ্গালা বানান বদপাতে চান ?” আমি বললাম, প্না, বানান নয়, গোটা-কয়েক অক্ষর ।” এই কথাট। বুঝাতে ২৪।২৫ বৎসর লেগেছে । আপনারা দেখেছেন, আননাবাজার পত্রিকা কি অক্ষরে ছাপা হচ্ছে। শ্রীধুত শ্ররেশচন্দ্র মন্্রমদার আমাকে লিখেছিলেন, “আপনার উদ্ভাবিত অক্ষরে “আনন্দবাজার” ছাপাচ্ছি।” শ্রীধুত রাজশেশর বন্থ নৃতন টাইপের চিত্র পাঠিয়ে আয়ার মত চেয়েছিলেন । একদা অনেকে আমাকে উপহাস করেছিলেন। আমি বিন্দুমাত্র ছুঃখিত হই নাই। আমিজানি, বাঙ্গালী তার মাতৃভাষাকে এত ভালবাসে, কেহ তার বাহনেও হাত দিলে রুষ্ট হয়। আর একটু অগ্রসর হলে মাত্ব চৌষটি অক্ষর দ্বার! বাঙাল! শব লিখতে পারা যায়।
পুবে বলেছি, চক্লিশ বৎসর পূর্বে আমি ভারতভাষার কল্পনা করেছিলাম । সে ভারত- ভাষাকে এখন আমা ভারত-বাষ্ট্রভাষা বলছি। বাঙ্গালাকে রাষ্ট্রভাষা করতে হলে ইহার
৫৪শ বর্ষ] আচার্ধ প্রীযোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধির ভাষণ ৩৪
লিখন ও প্ঠন সোজা করতেই হবে। ইহার পাহিত্য সমৃদ্ধ ও লোভনীয় করতে হবে। বাঙ্গালা ভাষা রাষ্ট্রভাষা হউক না ₹উক, ইহাকে ভারত-কৃষ্টির ভাষা করতে চেষ্ট করুন! যেন সকল প্রদেশের লোক বাঙ্গালা পড়তে, বুঝতে বাগ্র হয়। গুনছি, পূর্ববঙ্গে উদুর্ণ ভাষা চালাবার চেষ্টা হচ্ছে । বাঙ্গাল] দেশ ছৃ-ভাগ হয়ে গেছে, সেটা মাটির ভাগ? দেখবেন, ষেন কষ্টির ভাগ না হয়। আজ বুঝতে পারছি, পঞ্চাশ বৎসর খাগে কেন তর্ক হয়েছিল, 'ইউবেনাস্'এর বাঙ্গালা ইন্দ্র হবে, কি বরুণ ইবে। বুঝতে পারছি, কেন রামেন্্রনথন্দর অক্সিজেন্কে অক্সিজেন বলতে পারেন নাই । আমাদের সাহিত্য ছাড়া আর কিছুই নাই। আমাদের সাহিত্যে বাসালী-জাতির হৃৎপিগ্ত নিহিত আছে। ইংরেজ দেশ শাদন করুক, কিন্ত আমাদের সাহিত্যকে ভার অধীন করব না। এখন বাঙ্গাল! ভাষা রাজকীয় ভাষা হয়েছে । এখন বাঙ্গালার উন্নতি ও শ্রবৃদ্ধির স্থযোগ হয়েছে । বাঙ্জালা সাহিত্যের আদর্শ খব হ'তে দিবেন না।
ভাষার যাহাতে বিশুদ্ধি ও সংযম রক্ষা হয়) সে বিষয়ে আপনাবা সাবধান হবেন। তবেই এ ভাষা ভারত-কুষ্টি-ভাষা হ'তে পারবে । সাহিত্য-পরিষৎ ভাষার শুদ্ধির প্রতি দৃষ্টি করেন নাই । রুজনীকান্ত গুপ্ধ ভাষাকে যথেচ্জাচাবিতা হ'তে রক্ষা করতে পরিষৎকে বলেছিলেন । তিনি অকালে পলোকগমন না করলে এ বিষিয়ে পরিষৎ কত নিধাঁরণ করতেন। সমরেশ সমাজপতির কশাঘাতে কেহ কেহ জর্জরিত হ'লেও ভাষার সৌষ্টব রক্ষিত হত |
গোটা কয়েক উদাহরণ দিচ্ছি-সংবাদপত্ে দেখছি 6990: 68৪এর বাঙ্গালা “কাছুনে গ্যাস», যে কাদে, সে কীাছুনে ; যে কাদায়, সে কাদালে ( কাদানিয়া, কাদান্তে )। কিন্তু চোখের জল ফেলা আর কাদ। এক কথা নয়। হর্ষেও চোখের জল পড়ে, কাদে না। “আগুনে বোম। ফেলেছে 7” কে এমন নির্বোধ আছে যে, একাজ করবে? “মাপ্ুনিয়া” বলতে কি আপত্তি ছিল? আজকাল “শিল্প” শব্দের অপ-প্রয়োগ হচ্ছে । শিল্প বস্ত-নির্মাণে। 'নৃত্য-শিল্প। হয় ন,২ হয় নৃত্য-কলা। কুটার-শিল্প, অর্থ হয় কুটাব-নির্মাণ কর্ম। কুষি-শিল্প, লবণ-শিল্প বিশ্বকর্মার হাতে, আমাদের হাতে নাই। গণ? শব্দের ছড়াছড়ি দেখতে পাই, গণ-শিক্ষা, গণআন্দোলন, গণ-মত, গণ-পরিষদ্ ইত্যাদি । কিন্তু যখন বলি, হে বন্ধুগণ, তখন বন্ধু নামে যেগণ আছে, তাকে উদ্দেশ করি গন” আর 'গণ? এক অর্থ নয়। ভাষার বিশুছি বঙ্গার জন্য ঘদ্দি পরিষদ একটি পঞ্চক নিযুক্ত করেন, তারা শব্দের এইরূপ অপপ্রয়োগ হ'তে ভাষাকে রক্ষা করতে পারবেন। তারা ব্যাকরণ-তুল, বানান-ভুলও দেখবেন, আর ধীরভাবে লেখকের তুল সংশোধন করে দেবেন। একাজ পরিষদ্ করলে কোন লেখকের ক্ষুব্ধ হবার কারণ থাকবে না। আমরা পাশ্চাতা সভ্যতার মাঝে রচছ়েছি। আমাদিকে নৃতন নৃতন ভাব, অবস্থা, রাষ্ট্ররচনা, বাষ্ট্রব্যবস্থা, ব্যবসায়, কলা, বাণিজ্য, ব্যাপার ইত্যাদি লানা বিষয় গ্রহণ করতে হচ্ছে। সে সকলের ধোগ্য বাঙ্গালা প্রতিশব্দ ইচ্ছামাত্র মনে আসে না। পরিষদ প্রতিশব সম্ধলনে মনোযোগী হ'লে তার গৌরব বৃদ্ধি হবে।
আপনাদিকে অনেক কথ শুনালাম। আপনাঝা উত্তম শ্রোত্1| বয়স বৃদ্ধিতে বায়ু
৪ সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা | ১ম, ২য় সংখ্যা
বৃদ্ধি হয়, বাচালতা বৃদ্ধি পায়। সংস্কৃতে একটি শ্লোক আছে,_হ্বনামা পুরুষে! ধন্তঃ, যে নিজের নাষে প্রসিদ্ধ, পে ধন্ত। আমি তাই । যোগেশচন্ত্র নাম পিতৃদত্ত বা মাতৃদত্ত নয়, নামটি শ্বদত্ত। যখন আমার বয়স নয় বৎসর, তখন আমি এক বৎসরের জন্য বাকুড়ায় ছিলাম | সেসময়ে আমি আমার নাম নিজেই রেধেছি। সে এক কৌতুকের কথা। আমার এক মগ্রজ ছিলেন, তিনি আমার জন্মের ৮১০ বৎসর পূর্বে মারা যান। এই কারণে আমার জন্ম হ'লে যা নাম রাখেন হারাধন | তাবৎকাল আমার নাম হারাধন ছিল। যখন বাকুড়ায় আপি, তখন দেখি, হারাধন আরও আছে। পিতার এক খানপামা (খাস চাকর) ছিলঃ তার নাম হারাধন। আদালত হ'তে এক চাপরাশী এসে আমাদের বাপায় থাকত । তারও নাম ছিল হারাধন।
পিতা পান্ঠীতে কাছারী যেতেন। বাসার বেড়ে মধো চারি জন বেহারা থাকত। তাদের একজনের নাম হীরা ছিল। কেহ হারাধন? ব'লে ডাকলে আমার কান খাড়া হ'ত। একদিন আমার ভারি রাগ হলল। মা বাড়ীতে । কাকে বলি, কি করি। পরদিন সকালবেলা পিতার খানসামা! আমার খাবার নিয়ে এল। প্থাব না, নিয়ে য।% “কেন খাবে না?” "তোকে বলে কি হবে? খাব না।” পিতার কর্ণগোচর হ'ল, তিনি ডাকলেন। “কি হয়েছে? কেন খাবি না?” "আমি কি ওদের সমান?” “কাদের সমান?” সমুখে খানসামা দীড়িয়েছিল, দেখিয়ে দিলাম । ফ্রেমে ব্যাপারটা স্পষ্ট হ'ল। আর বালার সকলে যত হাসে, আমি রাগে তত ফুলতে থাকি । পরে পিতা বললেন, আজ সন্ধ্যার আগে তোর নাঘ পালটান হবে? তৃই যে নাম চাইবি, সেই নাম থাকবে। তখন বাকুড়ায় এক বর্গবিদ্যালয় ছিল। সন্ধ্যার আগে বিদ্যালয়ের প্রধান পণ্ডিত ছু-ছিন ফর্ম কাগজে ধত রকম নাম হতে পারে, তালিকা নিয়ে এলেন। মিটিং বসল। পণ্ডিত মশায় তালিকা হ'তে অক্ষয়। অভয়, অবিনাশ ইত্যাদি অকারাদি ক্রমে নাম পড়তে থাকেন আর আমার মুখের দিকে তাকান । বোধ হয় কোন অভিধান হ'তে তিনি এত নাম এনেছিলেন । অআকথখ ইত্যাদি শেষ ক'রে মশেষহ'ল। তিনি থে নাম পড়েন, মনে হতে লাগল, পে নাম শুনেছি কিন্বা হ'তে পাবে। আমি কৃত্তবাসী রামায়ণ পড়েছিলাম। বামামণে রাম, লক্ষণ ইত্যাদি নাম মনেছিল। পণ্ডিত মশায় 'যোগেশ' নাম পড়লেন । মনে হ'ল, এ নাম কারও নাই । আমি বললাম, আমার এই নাম হউক। পরদিন ইন্কুলের বহিতে আমার পুরাতন নাম কেটে নৃতন নাম লেখা হ'ল।
বিভিন্ন বিসদৃশ অর্থে একটা শব্ধ প্রয়োগ করলে অনর্থ ঘটতে পারে, এই কথ! স্মরণ করিয়ে দিয়ে আপনাদের বহু ধন্যবাদ করছি।
সাহিভ্য-পরিষৎ-পত্রিক! ?দশী বমু। তয় ও ৪র্থ সংখা।
১০৫৭
মহীপালের নবাবিষ্কীত বেলওয়া-লিপি প্রীমনোরগীন গুপ্ত বি. এস্সি
গত ২০এ নভেম্বর ১৯৭৬ গ্রীঃ ঠিপি হইতে ১৬ মাইল পূর্নস্থিত দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত কথাগাভী নামক গ্রামস্থ একটি জমিদারী কাছারীর কর্মচারী শ্মান বছিব সরকার আমাকে পত্রদ্বার জানায় যে, "ভাতছালার পাস্ববন্তী গ্রাম বেলওয়ায় খাড়ে সাওতাল নিজবাড়ীর উঠানস্থ উনান বড় করার সময় দুইটি খড় তাখার পাত পাইয়াছে।” আমি ততস্ষণাৎ তাহ! চাহিয়া পাঠাই। এবং পরে তাহার মারফৎ আমার দাদ! শ্রীযুক্ত জগদীশচন্দ্র গুপ্ত মহাশয় উহা পাইয়া গত ১লা জানুথারী ১৯৪৭ খ্রাঃ আমাকে কলিকাতায় আনিয়া দিয়াছেন।
শাসন দুইটির আয়তন এক | প্রস্থ ১৩" ইন্চি। এবং লম্বায় ১৪৬" ইঞ্চি। এই লম্বার দিকেই রাজচিহটি যুক্ত করা আছে। রাছচি'ক্গর মাপ লম্বয় ৭'২” এবং পারবে ৫" ইঞ্চি। রাজচিহূটর ণীর্ষদেশে একটি শঙ্খ, নীচে বৌদ্ধ ধন্মচক্র, তার ছই পার্গে মৃগদাঝ, তার নীচে দাতা রাজার ন[ম, 'তার নীচে পুষ্প.বদিকা। সধই অতি নুন্দর কব'কারযাদারা মণ্ডিত ও বেষ্টিত । ছুই পৃষ্টেই পণ্ঠগ্ভময় শাসন খোদাই করা। একটা পাসন মহীপ।লদেবের, অপরটা বিগহপালদেবের।* যে বেণওধা প্রথমে এই শাসণ ডইটি পাওয়া যায, সেখানে কিছু কিছু প্রাচীন এরতিহাসিক নিদশন ও দেখিতে পাওয়। যায়। গ্রামে ছয়ঘাটির বিল নামে একটি বিরাট দীঘি আছে। উহ! দৈর্ঘ্যে অদ্ধ মাইল। আরও অনেক দাঁঘি এই গ্রামে আছে। স্থানে স্থানে ইষ্টকথণ্ড- উহার সংলগ্ন উচ্চ ঝাধান বেদীর মত পীরের দবগা। ইষ্টকগুলি ১০" ইঞ্চি স্কোয়ার ও এক ইঞ্চি পুক। শিকটেই যে স্্রলে তামশাসনটি পাওয়া যায়, সেই এ।ড়ে লাওতালের বাড়ীর চড়দিকে এক বিঘ। জমি বেন করিদ্বা ছুই হাত প্রস্থের পুরাতন প্রাচীর । ইহার ইটও ঠিক পৃর্বর্ণনার মত) নিকটেই ৩০ হাত প্রস্থ পরিখর চিহ্ন আছে। তাহার নিকট ইটের টিপি । তাহাতে বন স্ুপ। নিকটেই মস্ত দীঘির পাড়ে প্রাচীন একটি ভগ্ন মন্দির আছে। মস্ত পরিখা-বেষ্টিত স্থানে গুদির ধাপ নামক প্রাটীন ভগ্মাবশেষ আমি ১৯৪৮ ফেব্রুয়ারি মাসে দেখিয়া আলিয়!ছি।
* প্রথম শাসনটা বহমানে প্রকাশিত হল) পরিকাৰ পববলতী সখ্য খিশীয শাসনটা প্রকাশের ইচ্ছ। আছে । আলোচা শাসনের পাঠ ও অথ গিকপণ বিষমে সাঠিতা-পবিষং-পত্রিকায় প্রকাশিত মভীপালেৰ বাণগ ঢলিপিবিধয়ক প্রবন্ধ, অক্ষয়কুমাণ মৈত্রের অভীশ্য-সম্পাদিত গৌডলেখমাল। গ্রন্থ ও অধ/।পক জীখুক্ত দীনেশচন্দ্র উ্টাচাষা ম৯।শয়েব নিকট হইনে। প্রচুর সাহাথা গ1ইষাছ্ি। দীনেশবাবু ও পত্রিকাধ্যক্ষ অধ্যাপক শ্রীবুস্ত চিন্তাহরণ চক্রবতী মহাশয় প্রবন্ধটা আগাগোড়া দেখিয়। দিয়াছেন এবং নানাভাবে পবামর্শ দিয়! আমাকে কৃতন্ঞ হা-পাশে আবদ্ধ করিয়াছেন
শু
৪২ সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকাঁ [আ্প্বসংখযা
মহীপালের ঘে তাম্রণাপনটি বহুদিন হইতে বঙ্গীয় বিদ্ৎসমাজে পরিচিত আছে, তাহা বাণগড় লিপি নামে আখযাত। উহা ১৩০৫ সালে প্রাচ)বিছ্ঠামছার্ণৰ নগেন্ত্রনাথ বন্থ মহাশয় পরিষংপত্রিকায় প্রকাশ করেন। তার পর গৌনলেখমালায় উহা সানুবাদ ছাপ! হয়। এই শাসনটি মহীপ।লদেবের বিলাদপুবসমাবাসিত ্রীমঙ্জয়স্ন্ধাবার হইতে প্রচারিত। উহাতে দেয় ভুমি ছিল পুগু,বদ্ধনহুক্তিতে কোটাবর্ষবিষয়ে গোকলিকামশুলাস্তঃপাতী-..। আর আমরা এই বেলওয়ার মহীপাল-শ।সনে পাইতেছি-“শ্রপাহসগণ্ডনগরসমবাঁসিত- প্রামজ্জয়ঙ্কন্ধাবার হইতে” এবং দেয় উমি হর্ইল-__"ফাণিহবীধীসম্ঘন্ধ : | পু'গুরিকামগুলীন্তঃ- পতী-*1 পঞ্চনগরীবিষয়ান্ুঃপাতী-'গণেখরসমেত গ্রামপুফচরিণাতে |” ম্থতরাং ইহা বণগড়-লিপি হইতে পৃথক্ জয়ঙ্বন্ধ।বাব বা খি্য়শিবিরের নাম করিতেছে এবং দেয় ভূমিও পৃথক 'মগুল' ও “বিধযের, অন্বর্গত হইতেছে ।
উল্ত পঞ্চনগরী বিষয়ের উল্লে। গুপু আমলের বৈগ্রামলিপিতে আছে। সুতরাং ৫1৮ শূদ বংসব ধবিয়া পঞ্চনগরীবিষয়টি থে একই নাষে পরিচিত ছিল, তাহাতে
পু কোন সংশয় নাই । এ জেলত-দিনঃজপ্ুর পঞ্চনগরী পাচবিবির প্রযান/- থোডা থিম?
টা
পুবনাম বলিয়া আম।.দর ধরণ।। এই ধারণার করণ পৃথক প্রবন্ধে আমাদের বলিবার ইচ্ছা বহিল।
বেলওয়ার সন্নিকটে বহু মের নামের অস্তে “গাড়ী, পাঁওয়া যাঁয়।-_ যথা, পুঞাগাড়ী, বল" গাড়ী, কেশবীগাড়ী ইত্যাদি । আমর! এরূপ ২২টি গ্রামের নাম সংগ্রহ করিয়াছি। সাহনগণ্ডের গণ্ড শবই গাড়ীতে পরিণত হইয়াছে বলিয়া মনে হম্ম। যদিও ঠিক এই নামের কোন গ্রাম নাই। বেলওয়াঁর চতুস্প্ববর্তী স্থানে বছ এতিহা/ধিক নিদর্শন কমান বহিয়াছে। ইহাদের
এই চিট কন ছাতা হঠাত 8 শাটল সই পক ---------5
মহীপাঁলের নবাবিষ্কত বেলৎয়।-লিপি ৪৩
৫৪শ রঙ]
মধ্যে বি এণ্ড এ রেলওয়ের দিনাজপুর জেলায় রেললাইনের পশ্চিমস্থিত বাণগড € এখা:ন মহীপালের একটি তানশ!সন পা€য] গিয়াছে এব* বন প্রাচীন কীতি আছে), দিবর দীদি
এ টা
৮০ ৫5-02-485৫ 5 (5৯ 57208 ০ (০8/৫০ 4628) পি _ 15275 95 নে
2
৪৪ সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা | আওতা
€ এখানে দিব্যক-ন্তস্ত আছে ), মাহিসস্তোষ (অনেক প্রাচীন চিহ্ন আছে ), আগ্র। (গুত্বতব্- বিভাগ কতৃক রক্ষিত পর্বত) ও বেল আমলা (এখানে প্রাপ্ত চত্তী, স্রধ্য ও বাস্ুদেবমুতি বরেন্দ্র অনুলন্ধান-সমিতিতে রক্ষিত আছে) সম্বন্ধে অনেক আলোচন। ইতিপূর্বে হইয়াছে। গুপু ও পাল-রাজাদের আমলের এই সকল চিহ্ন হুধীবুন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করিয়াছে। কিছু দিন হয়, রেললাইনের পুর্বস্থিত বৈগাম (এখানে একটি গুপ্ত আমলের তাত্রশাদন ও শিব- মন্দির প্রতৃতি পাওয়া গিয়াছে), কশবা উচাই ( এই অঞ্চলে অতিকায় বোধিসত্ব লোক নাণমুতি ও ধাতুনিনি 5 চতুভুজা 'শ্রী'মুতি পাওয়া গিয়।ছে ) ও ঘোড়াঘাট ( কাটাছুয়ারের রাজার অরণ্যবেষ্টিত দুর্গ ছিল এবং পরে গাজী ইসমাইল কর্ভৃক অধিকৃত ও সহরে পরিণত হয়) প্রত্বৃতি কয়েকটি স্থান পণ্ডিতসমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কিন্তু বেলওয়া অঞ্চলে এত দন কোন এঁতিহাসিকের আলোচনার বস্ত্র ছিলনা।
কেবল বছির সরকারের সাহাধ্যে এই লেখকই প্রায় ১০ বৎসর পূর্বে একটি মৃতির ভগ্গাংশ পাইয়াছিণ। নঞ্সতে দেখা যাইতেছে, ভীমের জাঙ্গালের কয়েকটি বেষ্টনী যেন এই স্থানে আসিয়া মিলিত হইয়াছে, শ্রঘুক্ত জগদীশচন্দ্র গুপ্ত মহাশয় বেলওমাতে পরিখা-বেষ্টিত উচ্চ পাহাডসদৃশ প্রাচীন ইষ্টকময় স্থান দেখিয়াছেন এবং ভীমান্ বছির নরকা!র জানাইয়াছে যে, “বেলওয়া ও বলগাড়ীর মধ্যবতী রথুনাথপুর গ্রামে প্রায় ২*০ বিঘ! জমির চতুদ্দিকে উচু পাহাড়ের মত আছে + * * খরস্থানে জঙ্গলে একটি স্থান সন্দেহ করিয়া রাত্রিতে খুড়িয়। ইটের গাথনীযুক্ত স্থান দেখিতে পায় এবং পরে সাপ দেখিয়। পলাইয়! আসে ।” বছির আরও লিখিয়ছে যে, "বেলওয়ার নয়ানদীঘিতে (এই গ্রামে বছনংখ্যক দীঘি বিগ্কঘ।ন ) ৩০ বৎসর অ।গে এক বিরাটু দেবীমুর্তি ঈাওতালরা পাইয়াছিল। তাহা এখন ঘোডাঘাটে এক গৃহে পুজিত হয়। বামননীপিতে মস্ত মন্ত শঙ্খ, ঘণ্ট।, রেকাবী, পঞ্চপ্রদীপ ইত্যাদি পুজার জিনিষ পাওয়া গিয়াছিল।”
এই শাসনে বেলওয়। গ্রামের কোন উল্লেখ নাই। কিন্তু এই গ্রামে এই সঙ্গেই অন্য যে শানন পাঁওয়।! গিগ্লাছে, সেই বিগ্রহপালের শাসনটিতে আছে যে, উহার দীনগ্রহীত। বেল্লাবাগ্রামনিবাসী ছিলেন।
মহীপালের বেলওয়া-লিপির দত্ত ভুমির মাপ সম্বন্ধে কিছু প্রশ্ন উঠিতেছে। এত দিন নানা দানলিপি পাঠ করিয়া অনেকে দিদ্ধান্ত করিয়াছেন যে, এই পাঙ্রাজীদের আমলে “সর্বোচ্চ ভূমিমান হইতেছে কুল্য অথব| কুলবাপ, তার পর দ্রোণ ব! দ্রোণবাপ এবং সর্বনিম্ন মান আডঢ়বাপ।” (সাঁহত্য-পরিষত-পত্রিকা, ৪৮ বর্ষ, ১৮৫ পৃঃ)। কিস্ত মহীপালের বেলওয়া- লিপিতে আছে--দশোত্তর শতদবয় প্রমাণ, নবতদুত্তর5তুঃশত প্রমাণ, একপঞ্চাশছুত্তরশত প্রমাণ । এই প্রমাণ তাহ! হইলে ভূমির অন্তরূপ মাপ কি না, তাহা বিবেচ্য । মূল শাসনটির সম্মুখ- ভাগে ৩৩ পংক্তি ও পশ্চাত্তীগে ২৫ পংক্তি লিপি আছে।
সাঁহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা [ ওয়, ৪র্থ সংখ্যা
(এরা ্ 8 হবি না 624 ঠাস হও বংলা ভিড হাহা হাহ ২৭
ঘা ডেহহজরহিরা হর আহএ়াতো তের ধহএপ্হাবগ্হ বু হারব যা ৮5872121444 সাহা জঞহাত হুডি নম 75545452545
হর এআপসহবাথআ ইওর হাহ রতন উ51জা উহ জসসরসএবঅওউখউআনিকঅজএবরআেনবিত32:513র/ ৫ রিও হরয় এডি ধধআ 0২ রব বজেিহেহহএকাত হায্েস৭2393৭3 ছিব হরনহথএখ এইজ রত গরিব জহর হিজর হিসি হরর এান্হা তি 7 272-75735 জবার 8৭8227 হী: টিপস কগয হহেতাহে হল 2222 -ব2 [পনতপুনজকহি হাথ ত উহ খাহ রবে হাতা 24 অযথা হতজহব্নিপাআ হালা পিই ঘাববিতব এজ রতন বন রি মজনপেজথভপখীহহাধথত্ বর াসনাববিরউিবঠবঞুনতিরাব ববিতা থে বধূ 1418২22প্রপুযএ42হণ খত লতা মু ইপ্রবর উতর প্হ্াভহহীহা 2244-51-54 তু ৬০21
ণ 54 দা
থা ২7ব 11 হ2স্রহলতযুহ ওরস একহাতে হজ
০৮: ৮1:১/711514628 শিযুহহবথহঅআ হউবরাএততা টা 54817575566
মহীপালের নবাবিদ্কৃত বেলওয়া-লিপির সম্ষুখ-ভাগ
ওয়, ৪ সংখ্যা) লাভিতাপ্পরিবং- পত্রিকা
হু ই
হরিগহারহহহহহর ই উর গজব হব হাজধরর্হহহন প্র ঁ রি বু হতএঞঞহরাুৰং মাসি
ব্অঅঝন মনৰ: উপেকমহৃস্স্ি বা দহন অহবগনুঙ্ এ
আজ হও অন্রসঙীর হয হাহ ২
মহীপালের নবাবিষ্কৃতি বেলওয়া-লিপির পশ্চাংভাগ
৪শ বর্ষ] মহীপালের নবাঁবিষ্কত বেলওয়া-লিপি ৪৫
চর
লিপির পাঠ_-সম্মুখ-ভাগ
পংদ্কি
১ ৬১ শু স্বস্তি। মৈত্রীম্কীকণ্যবদ্ প্রমুদিতহদয়ঃ প্রেয় শীং ন১
২ সন্দধানঃ সম্যকান্থো- ধিবিগ্যাপরিদ[ম এল জ-
৩ লমক্ষালিতাজ্ঞানপন্ক ২। জিত্বা যঃ কা[4মকা4) রিপ্রভ ৪ বমভিভবং শা্বতী মপ্রাপ শান্তিং স শ্রীম।
৫ নেশকনাথে। জয়তি দ- শবলোহন্তাশ্চ গোপ!
৬ লদেবঃ॥* [১] লক্্মীজন্মনি- কেতনং মম (1+ক+7) রো বোটুং ক্ষ
ও স্বন্তি। শ্রীমান লোকনাথ দশবল (বুদ্ধ) এবং অপর শ্রীমান গোপালদেব জয়যুক্ত হউন। (বুদ্ধ ও গোপাঁলদেব ) যাহার কাক্ুণ্যরদে প্রমুদিত্দয় প্রিয়তমা মৈত্রীকে ধাঁরণ করিয়াছিল, যাহার সম্যক সন্ববোধিষুক্ত বিদ্যারূপ নদীর নির্মল জলে অঙ্ঞানবপ পক্ক বিদুরিত হইয়াছিল যিনি (কাম) শক্রর আাক্রমণ পরাজিত করিয়া শ।শ্বত শান্তিলাভ করিয়াছিলেন। [১৮]
এই গোপালদেব হইতে শ্রীধর্মশাল নরপতি জন্মগ্রহণ করিয়|ছিলেন। তাহার মহিমা
১। মূল প্রশস্তি পাঠের বাহিবে বন্ধনীমধো এইট ছুটি অক্ষর আছে ।
* দেখা যাইতেছে, এই শ্লোকে গোপালদেব লোকনাথ বুদ্ধদেবের সঙ্গে আপ্যাম্মিক নিমিষে সমপধ্যায়ভুক্ত বিবেচিত হইয়াছেন । এই বাজাদের আমলে দেখা যায় যে, ঈচার! পূর্বপুরুষ ও নিজ জীবনেব শৌর্ধ্যবীর্যের প্রকাশক অনেক ( অতিশয়োক্তি) কনিতে সদাই প্রস্তত। কিন্তু একপ আধ্যাম্মিক বিষয়ক গুণবর্ণনা অন্ত কোন পাঁলপাজাদেব বিষে প্রযুক্ত হয় নাই । গোপালের এতিহাসিক ভীবনে ইহ।ব সমর্থক কিছু ঘটন। ছিল কি না, যেমন অশোকেব ছিল, তাহা আমাদের সন্ধানের বিষয়।
গোপালদেব-প্রদত্ত কোন তাত্রশাসন পাওয়া যান নাই। এই শ্লোকটি গোপালেব পঞ্চম পুকুষ নারাঘণপালের ভাগলপুর-লিপিতে প্রথম পাওয়া! যায়।
পণ ধ্মুপালদেবের নিজ খালিমপুর-লিশি--এই “নৃপতিবৃন্দের অধীশ্বর একাকী সমগ্র বন্ুমতীর শাননকাধ্য পরিচালন করিতেন ।” 'পৃথুং রাঘব, নল প্রভৃতি নরপালকে একত্র
৪৬ সাহিত্য-পরিষত-পত্রি হব [| অর্থ সংখা
পতক্তি
৭. মঃক্বাওরম্। পক্ষচ্ছেদভয়াছুপস্থিতবভমেকা শ্রয়ে। ভুড়তাম। মর্ম/দ[পরিপালনৈকনিরতঃ শৌর্ঝ।ল-
৮ যোম্মাদভুঙ্ গ্রা,স্তাধিবিলাসহপিমহিমা শ্রীপন্মপাঁলো নুপঃ ॥ [২1 বামস্তেব গৃহীতসত্যতপসস্থস্ত।নুৰপো
৯. গুণৈঃ পৌমিত্রেরদপাদি তুল্যমহিমা বাক্পু!লনামাগ্ু্ঃ |
যঃ শ্রীমাননষবিক্রঘৈকবসতিত্রীতুঃ স্থিতঃ শাল-
নে শুন্ঠাঃ [শ,ক্রপতাকিনীনিরকরোদেকাতপত্র। দিশঃং ॥ [৩]
টা ৪
ও
[গ্ধাস্তোধি বিলাস] ম্ীরে। [দসঘুদ্র-সৌ ন্র্মযকে উপহাস কারত। লক্ষীর উদ্বস্থান বলিয়া ক্ষীবোদসমুদ্র “লক্দীছন্মনিকেতন৮ তিশিও রাজকুলে সত বলিয়া “লক্ষীজন্মনিকেতন” ;-- ক্ষীরোদদমূদ মব£পু্ণ বলিয়া শিব বর তিনিও *মভাবে রাজকর গ্রহণ করিতেন বলিয়। “সমকব”)- ক্ষীরোদদখুজ দিষুকে ধন করিতে সমর্থ বল্গিয়া “গ্াভর-বহন-ক্ষম,” তিনিও ধরাঁভার বুনে সমর্থ বলিযা ক্ষ! ভরবহনন্মম;--পক্ষচ্ছেদভয়ে শরণ।গত [ভূড়ং] ধরাধ।রক পর্বতলমূহের পক্ষে ক্গীরোদসমুদ্র একমাত্র আশ্রয, স্বপক্ষচ্ছেদন্ঞয়ে শরণাগত (ভূত) নরপালগণের পক্ষে তিনিও একমাত্র আশ্রয়; ক্গীরোদ সমুদ্র জলম্থলের [মর্য]দ1] সীম। সংরক্ষণে নিরত, তিনিও লোকসমাজের [মর্ঘ।াদা] শাস্্নিদিষ্ট স্বধর্মীসংরক্ষণে একনিষ্ঠ; [সন্ধ্য।সমাগমে ক্র্যাতেজঃ সমুদ্রগর্ভে অস্তমিত হয় বলিয়া] ক্সীরে'দলমুদ্র (শৌরালয় ) ক্যয- কিরণের আধার, তিনিও বীরত্বের আ।ধার [শৌরধ্যালয়] [২]
সত্যব্রত পালন-পরায্ণণ শ্রীরামচন্দ্রের অনুজ সৌমিত্রীর ভুলা মহিমসমন্বিত বাক্পাল নামে [এই বাঙ্গার] এক [অন্থজ] ভাতা জন্মগ্রহণ করির়াছিলেন। তিনি নীতি এবং বিক্রমের নিঝ।স-স্থল ছিলেন : এবং জোষ্ট ভ্রাতার শাসনে অবস্থিত থাকিয়া, একছুত্র-শাসন- সংস্থিত দশ দিক্ শক্রপতাকি নী-শুন্য করিযা চিযাদিতে | [৩]
দশনেব ইচ্ছায় বিধাতা যেন র অবনালিকুলাীবর সাতার ধর্মুপাল নামক নবপালকে কলিযুগে চিব্চঞ্চল লক্মী-কবিণীব বন্ধনে।পষোগী মহাস্তস্তবপে সাস্থাপিত করিয়াছিলেন” ভাব পৰ “কান্তকুজাধিপতি মতেন্দেব ভয়ে চক্ষু নিমীলন কবা,” “ইঙ্গিত মাত্র ভোজ, মতগ্ত, মদ্র, কুক, যদ্থু, যবন, অবস্তি, গান্ধান এব; কীৰ প্রভৃতির রাজাদের প্রণতিপবায়ণ করান” ইত্যাদি অনেক বল্বীধ্যপ্রকাশক ঘটনান কবিত্বপূর্ণ বর্ণনা এই তাম্রশাসনে আছে। কিন্তু [৩] নম্বব শোকে ধর্মপালেব অন্জ ব।কৃপালের বীবস্ব ও ভ্রাভাব স্ায়ত| কবার যে বিবরণ আছে, তাহার কোন উল্লেখ ধন্মপালেন নিজেব তাম্রশা সনে নাই। ধশ্মপালের পুত্র দেবপালদেবের মৃঙ্গেরলিপিতেও তাহা খুল্লতাত বাকপালেব এ কীত্তিত্বর কোন বর্ণনা নাই। এ বর্ণনা প্রথম দেখিতেছি দেবপালের অনুজ জয়পালেব পৌত্র নারায়ণপালের ভাগলপুর-লিপির চতুর্থ শ্লোকে। এত বিলম্বে ইহাব উল্লেখের কারণ কি, তাহা বলা শক্ত। তবু একটু অন্থমান করা যায়।
টির] মহীপাঁলেক্র নবাবিদ্কৃত বেলওযা-লিপি রর
পংক্তি তন্মাহুপেন্দ্রচরিততৈজগ তীং পুনানঃ পুত্রে! বন্তুব বিজয়ী
১১ জয়পালনাম! । ধর্মদ্বিযাং শময়িতা যুধি দেবপালে যঃ পুর্বজে ভূবনর।জ্য১নু খান্ত-
নৈষীৎ॥ [৪]
শ্ীমান্িগ্রহপাল-
১১. স্তৎস্থন্থুরজাতশক্ররিব জাতঃ শক্রবনিতা প্রলাধনবিলো।পি
বিমলালিজলধারঃ ॥ [৫]
দিকৃপালৈঃ ক্ষিতিপালনায় দ- রী
১৩ ধতং দেহে বিভক্ঞান্ গুণ।২ (117) ন্
জয়পাল নামক বিজয়ী, উপেন্দ্রচরিত্র ঘর জগৎ যেমন পবিত্রীকৃত হইয়াছিল, সেইরূপ ( পবিপ্রক্কারী) তাহার পুত্র হইয়াঁছিল। ধর্ম্দ্বেধীদের দমন করিয়া! (যুদ্ধে পরাজিত করিয়! ) পূর্নজাত দেবপালকে যিনি ভুবনরাজান্থখ ভোগ করাইয়াছিলেন [৪] *
তাহার অজাতশক্রর গায় পুত্র শ্রীম|ন্ বিগ্রহপাল জন্মগ্রহণ করেন। তাঁহার বিমল অনিধার শক্র বনি তাদের প্রসাধনবিলোগী (হইয়াছিল) [৫]
ক্ষিতিপালনার্থ দিকৃপালগণকর্ুক বিভক্ত গুণনমূহ আও্মণরীরে ধারণকারী, জীঘান্ ও প্রন্ৃত্বশ।লী ত।হার নারায়ণ । নামক) পুত্র হইযাছিল | যিনি চরিত্র দবার। স্যায়ানুসারে প্রাপ্ূ ধন্মাসন অলগ্টত করিয়াছিলেন এবং ভূপতিগণের শিরেমণির কান্তিদ্বার। যাহার পাদপীঠোপল আলিঙ্গিত হইত। [৬];
১ সথানোবৈষীহ। ২ গুথান |
* নাবায়ণপাল স্বদ' কাজ। দেবপালে পীর নগ্ন, বাঙ্গান্তজ জয়পালেন পৌর্র এব উাহার এই পিভাগহ জয়পাল বাজা দেবপালের পরম সহায়ক 1 বাকপালও ভেঘনি বছ তাই ধম্মপালে পরম সহায়। ছে» শ্রাতাদেব বড ভাইদে প্রশি এল আন্থগতা ও সহায়তা থার। প্রজাদের ভষ্টিসাধন বাজবংশের স্থাত্িত্ব বিধান ও বিদ্রেহনভবন্্ীবন।শেব খুব স্িবিণ। উম়। সেই জন্য তাইএ ভাইএ একাঘ্ঘ | দেখাইবান জনই সম্ভবত এই ভউপ্রেমেব বর্ণনা পণবভী কালে £বাজিত হইয়াছ্ছে |
ণ* এই বর্ণনাযু যে কবি আছে, তাহা একালে আংনকেণ চিনে বিগ্রহসালেৰ পণিবন্তে যাহাদের প্রসাধন বিলুপ্ত হইগাছিল, দেই বিধবাপ্ প্রতিই সগানুড়তি মনিবে। ঠিক এইক্প বস প্রদায়ী অঙ্া একটি শ্লোক দেখিতেছি মদ্নপাল “দবেব মনহলি-লিপিতে উতভীয় গোপালদেবের গ্ুণবর্ণনায়। “প্রভাথিপ্রমদাকদশ্ব কশিবঃপিন্মবলে।পক্রম-ক্রী ডাপাটলপাণিবেষ স্ষুৰে গোপালমুববীভ; 1” অর্থাৎ প্রতাখিগণেব বমণীসমূতেব শিরস্থিত পিন্দ.র লোপক্রষ্ধপ ক্রীড়াঙ্থাব। ষাহ।ব হস্ত পাল হইয়াছিল, সেই গোপাল । এইকপ শ্রোক 'সে আনলেন বাঙ্গাদেন চিন্তবৃত্তিব ছবি'--এ কথা কি বল।বায়? উহার দানধান করিতেন দেখ। যায, বৌদ্ধ হইঘ়ও ব্রান্মণকে পম্মাচবণ জন্জা ভূমিদান করিতেন, ম|ভাবত পাঠ করিঘ্া বাজমহিধীকে শুন[ইবার জন্কা (.মনহলিব পিপি) ভমিদান কবিতেন, পৃবরপুরষদেব তুষ্টিও ইছাদের খুব কাম্য ছিল। কিন্তু ইহার। সকলে বাহুদপের উপবেই জীবন প্রতিষ্ঠিত করিতেন, বোধ হইতেছে ।
ধু. নারারণপালের ভাগলপুব-লিপিতে আবও প্রভূত আত্ম প্রশংস। আছে । অপ পক্ষে মোনাহন
সাহেৰ লিখিয়াছেন,.&, “ক।ন্তকুজধিপতি মহেন্দ্রপাল বা মহেন্দ্রযুধের গর! ও তন্লিকটব্তী স্থানে প্রাপ্ত
৪৮ সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিক [ আম হর্ঘ সংখা
ংক্তি ১৩ শ্রীমন্তঞ্জনয়ান্ভুব তনয়ং নারায়ণং স প্রভুং | যঃ ক্ষোণীপতিভিঃ শিরোম ণিরুচাশ্িষ্টাজ্বি পী ১৪ ঠোপলং গশ্তায়োপ।ভ্বমলঞ্চকার চরিতৈঃ স্ৈরেব ধর্ীননং॥ [৬] তোয়াশয়ৈজ লধিমূলগতীরগর্ভৈ (০) দঝুলয়ৈশ্চ
১৫ কুলভূধরতুল/কক্ষৈঃ | বিখ্যাত কীন্তিরভ বন্তনয়স্চ তন্ত শ্রীরাজ্যপাল ইতি মধ্যমলোকপালঃ॥ [৭] তশ্মাৎপুর্বক্ষিতি-
১৩ গ্রনিধিরিব মহপাং রারকুটা বয়েন্দোস্তগন্তে ত,ঞগ মৌলে-
হতরি তনয়ে! ভাগাদেব্যাং প্রন্থতঃ শ্ীমানগোপালদে বশ্চি- ১৭ রতরমবনেরেকপত্বা! ইটবকো। ভর্তাভূন্লৈ করত্বছু;তিখচিতচতুঃনিন্ধুচিত্রাংজুকায়াঃ॥ [৮]
(সেই নারাঃণপালদেবের ) শ্রীরাজাপাল নামক ভুলোকপাঁলক পুত্র জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন। তিনি অগাধ-জলধিমুলতুল্য--গভীর গর্ভযুক্ত জলাশয়ের ও কুঁলাচলতুল্য সমুচ্চকক্ষধুক্ত দেবালয় প্রতিষ্ঠা করিয়! কীন্তি লাভ করিয়াছিলেন। [৭]
তাহার (গুরসে ) এবং* রাষ্ট্রকুটকুলচন্ত্র উত্তষ-মৌলি তুঙ্গদেবের দুহিতা! ভাগাদেবীর ( গভে ) পুর্বাচলোদিত তপনসুঁল্য গোপাপদেব জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন। তিনি অনেক বত্ব- ছ্যাতধচিত চতুঃপিন্ধুবপ্ত্রবিভূষিতা অনন্থানুরক্কা! বন্ুম্ধরার একমাত্র তর্ভা হইয়া দীর্ঘকাল বাজ্যভেগ করিয়াছিলেন [৮]
শাসনাদি স্বাবা প্রমাপীকৃত হয় যে, তীবত্ৃক্তি এবং মগধেব কিয়ুদংশ নারায়ণপালের সময়ে খ্রীষ্টীয় নবম শত।বদীর শেষ পদে অথব। দশম শতাব্দীর প্রথমে গৌড়বাজ্য হইতে বিচ্ছিন্ন হইয়া স্তীতার শাসনাধীনে ছিল । (বামপ্রাণ গুপ্ত-প্রণীত 'প্রাচীন রাজমালা, ৪৪৭ পৃঃ)। নাবায়ণপালের সময় এই ভাবে পাঙ্গবংশেব গৌবব নিষ্নগামী হইগেও তাভাব সময়ে গৃহীত তাত্রশানের শ্রোকাবলীই দেখিতেছি, পরবর্তী রাজাগণ আর পরিবর্তন করেন নাই। হয় ত স্থানাতাব হেতু মাতৃপক্ষবিব্ধক বা অপব অধিক বর্ণনাকারী শ্লে।ক বাদ গিয়াছে, কিন্ত মূল শ্রোকগুলি তাহার পরেব একাদশ বাজা ( মদনপাল ) পধ্যন্ত চলিয়! গিয়াছে | ইহা নাবাণপাল ও ততৎসমদ়ের বাঁজকবির শ্লঘার কারণ বটে।
* এই বংশীযগণ পরবর্তী রাজা রামপাল ( পালবংশের চতুর্দশ বাজা ) যখন কৈবর্ত রাজা ভীমের সঙ্গে যুদ্ধ করিয়াছিলেন, তখন সহায়ত! করিয়াছিলেন | [8০ 06 78০887, 7385 158 ।
হ৯শ বর্ষ] মহীপাঁলের নৰাবিক্কত বেলওয় লিপি ৪৯
পংক্তি
১৭ বং স্বামিনং রাজ্াতপৈরনূম-
১৮ মাসেবতে চাকুতয়ান্থরক্তা |
উৎসাহযন্ত্রগ্রভৃশক্তিলঙ্্মীঃ পৃথীং সপত্বীমিব শীলয়ন্তী ॥ [৯] তশ্মাদ্বভৃব সবিতুর্বন্থ-
১৯ কোটীবর্ষী। কালেন চক্র ইব বিগ্রহপাঁলদেবঃ।
নেজরপ্রিয়েশ বিমলেন কলাময়েশ ধেনোদিতেন দলিতে! ভুব-
২৯ নম্ত তাপঃ। [১০] হতলকলবিপক্ষঃ সঙ্গরে বাঁছদ১পাঁ11+]দনধিকতবিলুপ্তং রাঙ্জামাসাগ্ পিতরং। নিহিতচরণপত্মো ভূ-
২১ তুঙ্জাংং মূর্মি তন্মাদভবদবনিপালঃ শ্রীমহীপালদেবঃ | [১১]
দেশে প্রাচি শ্র£ুরপয়সি স্বঙ্ছম।পীয় তোরং স্বৈরং ত্রান্ব। ত-
২২ নু মলয়োপত্যকাচনানেষু । কত্ধা সান্ৈর্মরুযুত জড়তাং শীকরৈরত্রতুঙ্গযাঃ প্রালেয়া্রেঃ কটকমভজন্ও যস্ত সেনা-
৩ গজেজা3॥ [১২]
উৎসাহশক্তি-মন্ত্রণক্তি-প্রতূশক্কিসম্পন্ন। রা্জলক্ী, স্থশীলার ন্যায় বহুন্ধরা-সপস্মীর মন তুষ্ট করিম, চারতরান্রাগে সেই রাঁজগুণবিভৃষিত ম্বামীর লেব! করিয়াছিলেন [৯]
হুধধ্যদেব হইতে যেষন কিরণ-কোটিবর্ধী চন্রদেব উৎপন্ন হইয়াছেন) তাহা হইতে তেমন কালক্রমে বিগ্রহপালদেব* ( উৎপন্ন ) হইপ্রাছিল। এই নেবপ্রিপ্ন বিমল কলাময়ের উদয়ে ভূষনের সম্তাপ ধিদু রত হইয়াছিল। [১*]
তাহার পুত্র শ্রামহীপাঁলদেব বরণে বাহুরর্পে বিপক্ষদলকে নিহত করিনা ক্নবিকৃত বিলুপ্ত পিতৃরাজ্্য উদ্ধার করিয়া বাজগণের মন্তকে চরণপপ্প নিহিত করিয়া অবনিপাল হইফ়্াছিলেন। [১১]
তদীয় অজ্রতুল্য সেনাপজেক্গণ (প্রথমে ) প্রচুর জলময় পূর্ব।ঞ্চলে স্বচ্ছ জল পান করিস
তাহার পর ( তদগ্থু) মলর়োপত্যকার চন্দনবনে ধথেচ্ছ বিচরণ করিয়া ঘনীতৃত শীকরোতক্ষেপে মকুলমূহের জড়ত। সম্পাদন করিয়া হিমালয়ের কটকদেশ উপভোগ করিরছিল। [১২]
* এই রাজার সময় পালরাজ্যের আয়তন ভাস প্রাপ্ত হয়। সম্ভবত এই জন্তই ইহার শৌধ্যবীর্ের কোক দর্না নাই, আছে ভাহার কলাম নেতপ্রিয়তার কথা। ১ দর্পাদনধিকৃত। ২। বাশগড়-লিপিতে আছে ভূতৃতাং। ৩1 ৰাণগড়-লিপিতে “তঙ্ষযু'। ৪ & কটকদ্ তজন্। ক এই ্োড়টি মহীপালের ৰাহুদর্পের খ্যাতি ঘোবপ। করিতেছে । এবং শিুরাজ্য পুনকৃদধারে() নির্রণ্. ভিজে | . বাপগক-নিশ্যিত এই জোকটি [১১] সংখ্যক পৌর স্থানে আছে অর্থ/ৎ ন্
৫০ সাহিত্য-পরিষশ্-পত্রি কা [ ওয়, ৪র্থ সংখ্যা
পংক্তি ২৩ ল খলু ভাগিরথীপথপ্রবর্তমান নানা বিধনৌ বাঁট কসম্পদি তপেতুবদ্ধনি হিত শৈলশিখরশ্রেণীবিভ্র- ২৪ মা নিরতিশয়ঘনঘনাঘন+ঘটাশ্তামায়মানবাসরণস্ীনমারধ-
সম্ততজলদসময়সন্দেহাৎ। উদীচী
২৫ নানেকনরপতি রাত তীক্কতা প্রমেয় হয়বা হিনীখরখুরোৎখাত- ধূলীধূলরিতদিগন্তরালাৎ |
যেখানে ভাগীরঘীপথে প্রবর্তমান নানাবিধ নৌব|ট ক দ্বারা সম্পাদিত সেতুবন্ধ নিহিত হওয়ায় শৈলশিখরশ্রেণী বলিক্ন! বিভ্রম হইতেছিল, নিরতিশয় ঘনমেঘবর্ণাশ্রিত বাসরলক্মীকে ( দ্িন-শোভাকে ) তমলীচ্ছন্ন করায় যেন জলদ্ময় সমাগত বলিয়া সন্দেহ হইতেছিল, যেখানে উত্তরাঞ্চজলবাসী নরপতিপ্রদত্ত অসংখ্য হয় (অশ্ব) বাহিনীর খর খুরাঘাতে উৎখাত ধুলিরাশি দ্বারা দিগন্তরাল ধূলরিত হইতেছিল, যেখানে পরমেশ্বরের সেবার জন্ত আগত অশেষ জন্বৃীপ- ভূপ্যুলগণের অনন্ত পদভরে পৃথিবী মথিত হইতেছিল, সেই সাহসগণ্ডনগরের নিকট স্থাপিত*
রিনি টি টিটি
সেখানে ইহা বিগ্রহপালদেবেৰ সৈন্দল সম্বন্ধে প্রযুক্ত হইয়াছে । বেলওয়া-লিপিতে ইহা মহীপাল দখল কবিলেন। কিন্তু মহীপালের পৌন্ তৃতীয় বিগ্রহপালের আমগাছি-লিপিতে আর এই গ্লোক মহীপালের ফুতিত্বর বর্ণনীয় নিয়োজিত নাই, তাহ! তখন [১৪] সংখাক শ্লোক হইরা তৃভীয় বিগ্রহপালেরই কর্ম- তৎপবতাব যেন নিদর্শক হইয়াছে | আমগাছি-লিপি )। কিন্ত এই শ্রোকটি অপহরণের দোষ তৃতীয় বিশ্রহপালের একার প্রাপ্য নহে । মহীপালের পিতামহ দ্বিতীষ গেপালদেবেব জাঁজিলপাড়া-লিপিতে (শ্রীযূত ক্ষিতীশচন্ত্র বন্মন্ লিখিত প্রবন্ধ, ভারতবধ, শ্রাবণ, ১৩৪৪) [১*] সংখ্যক শ্লোক হইয়া ইহা পূর্বেই দ্বিন্ঠীয় গোপালদেবের কৃতিত্বের পরিচায়ক হইয়াছিল । ইনাতে স্বতই প্রশ্ন জাগিতেছে যে, এইরূপ অতিশয়োক্তিকর শ্লোক-ফাহা মহীপাল নিঙ্গ পিতার জন্ত ব্যবহ।ব করিষাছেন এবং মহীপাল, মহীপালের পিতামহ ও মহীপালের পৌত্র স্ব স্ব রাজত্বক।লে নিজ নিজ সৈন্দলের ( মহীপাল একবার নিজের অন্ত এবং একবার পিতার জগ্ ব্যবহার করিয়াছেন ) কার্যকলাপের বর্ণনীয় বাবহার করিতে পারেন, তাহা ধ্রতিহাসিক মধ্যাদা কতখানি ! ইসা! স্থপ্প এ্রতিহাসিক সতা বলিয়া! গ্রহণ করিতে হইবে, অথবা ইহার বহুলাংশই কাব্য বলিয়া বিবেচিত হইবে? |
*। সে কালে এক শ্রেণীর রণছুক্খদ ঘাতক মত্বহভী প্রতিপালিত হইত, তাহাই ঘনাক্ষম নামে সুপরিচিত ছিল। ধরধীকোধে তাহা 'অস্টোন্যঘটনে চৈব ঘাতুকে চ ঘনাঘন:, বলিয়া উল্লেখ আছে। এই ঘনাধন নামক হস্ভীর ব্যহকে ঘটা বলিত।_-অমরকোব, ২৪১০৭, “করিণাং গটনং ঘটা' বলিয়া তাহাতে উল্লিখিত আছে । | ূ |
যে জয়ন্বব্ধাৰার হইতে এই দান প্রদত্ত হইয়াছে, তাহার অবস্থান বর্ণনার জন্ত এই পোকি।
হ৪শ বর্ষ] মহীপালের নবাবিদ্কৃত বেলওয়া-লিপি ৫১
পংক্তি ২৫ পরমেশ্বর--সেবাস- ২৬ মায়াত1শেষজঘুবীপত্থপালানস্তপাদাতভরনমদবনেঃ
শ্রীসাহসগণ্ডনগরসমা বাসিত১শ্রীমজ্জয়স্ন্ধা বারা-
২৭ 1 পরমদৌগতো মহারাজাধিরাজগ্রীবিগ্রহপালদেবপাদ[নুধ্যাতঃ পরমেশ্বরপরমভক্টারকো মহা বাজা ধি- ্
২৮ বাজ; শ্রীমন্মহীপালদেবঃ কুশলী । শ্রীপুগ্বর্দনতৃক্কৌ। ফাণিতবীধীসন্বন্ধ অমল [ক্ষদুংঙগা]স্ুঃপাততি স্বসথ।-
জত্ব্বঙ্ধাবাঁর (বিজনী শিবির) হইতে (এই দান প্রদত্ত হইল)। পরম ফৌগত মহারাজাধিরাজ প্ীবিগ্রহপালদেবপাদা নুধ্যান করিয়া পরমেশ্বর পরমভট্টারক মহারাজাধিরাঁজ শ্রীমান্ মহীপালদেব, কুশলে অবস্থিত, পৌগু,বর্ধনভুক্তিতে এই দান প্রদান করিতেছেন ।
পালধাজগণ বিভিন্ন জয়স্বদ্ধাবার হইতে দাঁন প্রদান কবিয়াছেন, কিন্তু এই বীয় দ্বিতীয় রাভ। ধন্রপাল হইতে আরড কবিয়া সগুদশ বাজ মদ্নপাজদেব পর্য)স্ত, সকলের দানলিপিতেই জর়ঙ্কক্কাথাবের অবস্থান বর্ণনায় এই একই শ্লোক ব্যবহৃত তৃইয়াছে | উদাতবণ_-
দীতাঁর না বিপিন পরিচয্স জমস্কল্গা বারের নাক্ষ ধমপালদেৰ খালিমপুর পাটলীপুরূনগরসমাবাসিত দেবপালগেব মৃঙ্গেব হ্ীযুদগগিবীসমাকাগিত মারাযণপালদেব ভাগলপুব এ
দ্বিতীয় গোপাল জাঙ্দিলপুন্ব বটপর্বতিকাসমাবাসিত মহীপাল বাণগড বি/লা]সপুবসমাবাসিত মহীপাল বেলওয়া প্রীসাহনগগ্ডনগরসমাবাদিত তৃতীয় বিগ্রহপাল আমগাছি শ্রীমুদগগিবিসমাবাসিত
তৃতীয় বিগ্রহপাল বেলওয়া , বিলামপুরসমাবাসিত মদনপাঁলদেষ মনহলি | শ্রীরামীবতীনগরপবিসবসমাবাসিত
এবং বিচিত্র এই যে, সমস্ত 'জয্বন্ধাবাবের' ব্ণনায়ই “ভাগীবরবীপথপ্রবর্তমান নৌবাটক দ্বার! সেতু," তাহা 'শৈলশিখরশ্রেণী বলিয়া বিভ্রম হওয়া, সেখানে -উত্তরাঞ্চলবাসী নবপতি প্রদত্ত অশ্ববাহিনীব” আগমন এবং “জনত্বীপভূপালগণের পরমেশ্বরের সেবার জন্য সমবেত" হওয়া_সর্বগাই এক । শুতকাং এই ক্লোকটি ্রতিহথাদিকগণ বুক্সভাবে সত্য বলিয়া বিবেচনা! করিবেন কি না আমাদেব সন্দেহ আছে ।
১1 ধার মত দেখা যার়। ২। [ন্বব্ীপঙগান্তঃপাতি।
৫২ .সাহিত্য-পরিষত-পত্রিক - [ এ, ৫র্ঘ সংখা!
পংক্তি
২৯ বিচ্ছিপ্ন তালো]পেতদশোতয়শতঘয়গ্রমাণৌ । সন্গকৈবর্তবৃতি।* পুণ্তরিকা মণ্ডলান্তঃপতি ১পঞ্চকাণ্ডকাধিক
৩০ যু্টপাণ। পববি] নবতবুত্তরচতুঃশতপ্রমাণনন্দিশ্ব।মিনী। পঞ্চনগর্ী- বিষম্ান্তঃপধতি একপদ্ধাশছুত্তর শ-
৩১ ত প্রমাণগণেশ্বরসমেতগ্রামপুফিরিণীযু২। লমুপগরাতশেঘর। জপুরুষান্। রাজরাজন্তক। রাজপুত্রে। রাজামা-
৩২. ত্য। মহাসাদ্বিবিগ্রহিক। মহাক্ষপটলিক। মহাসামন্ত। মহাসেনাপতি। মহাপ্রতীহার। দৌঃসাধসাধনি-
৩৩ ক। মহাদগুনামক। মহাকুমারামাত্য। রাজস্থানোপরিক। দাশাপরাধিক । চৌরোদ্ধরণিক। দাণ্ডিক। দাণ্ড-
কৈবর্দিগকে যে বুত্তি প্রদত্ত ছিল, তাহার নিকটবর্তী ফাণিভবীথীসত্বদ্ধ অমল .. ছুই শত দশ প্রমাণ) পুগুরিকামুলাস্তঃপাতি..চারি শত নব্বই প্রমাণ নন্দিস্বামিনী ও পঞ্চনগরীবিষয়ান্বংপাতি এক শত একপঞ্চাশ প্রমাণ গণেশ্বরসমেত গ্রামপুক্ষরিণীতে ( প্রদত্ত হইল)।
* সন্নকৈবর্তবৃত্তি তাতাব পূর্ববর্তী অণশেব বিশেষণ কিম্বা পববর্তা' অংশের বিশেষণ, তাহা সঠিক বলা শক্ত। একালে, ;:1__যতি বুঝাইবাব জন্ত নানা চিহ্ন আমবা দেখিতে পাই । সে কালে | ও ॥ ছাড়া অগ্ত ষতিচিহ্ন ছিল না। এব”, এর পরিবর্তে দাডি বাবহৃত হইত।
সন্ত অর্থ বি? দুই অর্থ হয়--(১) হীন, অবসম্ধ, (২) নিকট, সন্সিহিত | কৈবর্তদের একটি বৃ বা জানগীর যে সে কালে ছিল, ভাগাতে সম্ভবত আব কোন স'শয় নাই। মনে হয়, ইভারা রাজার অধীনে সৈম্বিভাগে নিষুক্ত থাকি । এই 'সম্পকৈবর্তবত্তি' বকাটি এইতে মে আলোচনার উদ্ভব হইতেছে, পরে তাহা কাব ইচ্ছা রহিল।
১। -পাতি। ২। পুষ্কর্িণী। ৩। সমুপগতা।
চপ ব্) মহীপালের নবাবিদ্কৃত যেলওয়া-লিপি ৫৩
পশ্চান্ভাগ পংজি ১ পাশিক* । [শৌ]্ষিক। গৌনিক। ক্ষেত্রপ। প্রাস্থপল। কোট্রপা- ২ ল। অঙ্গরক্ষ। তগাযুক্ত- বিনিষুক্তক । হস্তযা্বোই- ৩ নৌবলব্যাপৃতক | কিশো- র বড়বা। গোমহিষ্যজা- ৪ বিকাধ)ক্ষ। দূতপ্রেষণি- ক গমাগমিক। অভিত্ব (1র+) ৫ মাণ। বিষয্পপতি। গ্রামপ- তি। তরিক। গৌড় । মালব ৬ খন। ভূণ। কুলিক। কল্লাট২। লাট। চাটি। ভট। সেবকাদীন্।
অন্তাংন্চাবীন্তিতান্। রাদ্রপাদোপজীবিনঃ প্রতিব (11)- ৭ নিনো ব্রাহ্মণেতরান্। মহতমৌত্বমকুটু ষ্বিপুরোগমেদা স্কচগ্লপর্বস্তান্। বথারহং মানয়তি | বোধয়তি স-
শৌক্কিক, গৌন্িক, ক্ষেত্রপতি, প্রান্তপ1ল, কোট্টপাল, অঙ্গরক্ষকঃ এবং এই সকল ব্যক্তি কর্তৃক যাহার! নিযুক্ত ব! বিনিযুক্ত ) হন্তীঃ অশ্ব, উষ্ ও নৌবলে নিযুক্ত, কিশোর অশ্ব-গো-মহিষী-অজ-মেধাদির অধ্যক্ষ, দৃতগ্রেষণিক, গমাগমিক, অভিত্বরমাঁণ। বিষয়- পতি, গ্রামপতি, তরিক, গোঁড়*মালব-থস-হুণ-কুলিক-কর্ণাট-লাট হইতে আঁগত চাট, ভট্ট ও অপরাপর সেবকাদি এবং অনুক্ত অপরাপর সকল রাজপুরুষদিগকে ত্রদ্গণেতর
১1, দাগুপাশিক। ২। কর্ণাট।
* এই সৈন্ৃদলের উল্লেখ ধন্দপালদেবের খাঁলিমপুব-লিপিতে নাই--কেবল 'চাটতাট" আছে। দেবপালদেবের মুঙ্গের-লিপিতে প্রথমে এই সৈম্থদলের নাম দেখ! যায়। তদবধি প্রতি বাজার তাত্র- শাদনে এই সৈল্ঞদঙ্গের নাম দেওয়া হইত। মদনপালের মনহলি-লিপিতে আবাব দেখিতোছি, গৌড় *মালবের পর 'চোড়' কথাটি যুক্ত হইস্বাছে। প্রসঙ্গত উদ্লেখ করা যাইতে পারে ঘে, বিগ্রহপালের (২) আমলে ঠান্সেল নর্পতি যশোবশ্ব খসবলের ষহাষতায় (অর্থাৎ তাহারা বিদ্রোহী হইগ্াছিল' (?) গৌঁড জীড়ালতার অনিষ্বপ......মালনুগণের পক্ষে কালম্বরূপ ছিলেন। (১* সংখ্যক ম্লোকের মধ্য ব্য )
০ সাহিত্য-পরিষৎ*পত্রিকা [ অ,গর্ঘ সংখ
পংক্তি
৮. মাঁদিশতি চ। বিদিতমন্ত ভবতাং। যথোঁপরিলিখিতো [১] ত্র গ্রামাঃ২। [স্ব] সীমাহণপ্র,তিগোচরপর্যস্তাঃ৩ সতলঃ
৯ সোদেশাঃ৪ | সামমধুক1৫ | সজলম্কলা:৬ । সগর্ভোষব।:৭ | সদশাপচার[2]। সচৌরোদ্ধরণাঃ৮। পরিহ্ৃতসর্বগীড়াঃ৯। অ-
১০. চাটভটগ্রবেশঃ) . অকিকিতগাহ2১০। সমস্তভীগভোগকরহিবণযাদিগ্রত্যায় সমেতা:১১ | ভূমিক্ছিদ্রন্তায়ে-
১১ ন আচন্তরাক্ষিতিসমকালং। মাতাপিত্রোরাত্মনশ্চ পুণ্যবশোভিবদ্ধয়ে
প্রতিবাসীদিগকে, মহতমোত্ম কুটু্ি£মুখ (ব্রাঙ্গণাদি ) চগ্ডাল পর্যন্ত (সকলকেই ) যথাযোগ্য সন্মান করিতেছেন।* (তাহাদিগকে) জানাইতেছেন ও আদেশ করিতেছেন; আপনারা সকলে বিদিত হউন। যথা উপরিলিখিত গ্রাম? স্বসীমান্তর্গত তৃণ, পুতি ও গোচারণ মি পর্য্যন্ত; তল, উদ্দেশ, আজ, মধুক, জলম্থল, গর্ভ, উষর, দশপচার, চৌরোদ্ধরণিক, (প্রত্যেক সহ) সর্বপ্রকার উৎপীড়নপরিহৃত, চাট (ঠিকা) ও ভদ্র (নিয়মিত) সৈন্ুপ্রবেশের অযোগা, ঘে (ভুমি) হইতে কিছু গ্রহণ কর] যাঁয় না ভাগভোগ কর ও
* আঙগকাল মানুষে মানুষে প্রভেদ আব তত স্বীকৃত হয় না। এ অবস্থায় এই বাক্য আৰ পরিপূর্ণ আন্দ দিতে পাবে না। তবু চণ্ডালকেও বাজ বথাযোগ্া সম্মান করিয়া সে কথা তাত্রশীসনে উল্লেখ করিতেছেন, ই! দৃষ্টি আকর্ষণ কবে।
শ* এই বেলওয়া দানলিপিতে দানেব পবিমাণ খুব বেশী। 'নন্দিস্বামিনী' বাক্য ছ্বাব। কোন বিগ্রষ্ ঝা ব্যক্তিকে বুঝ্ধাইতেছে এব' 'গণেশ্ববসমে তগ্রামপুদ্ধিবিণীষু' সম্ভবত গণেশ্বধেব মন্দিবেব পলগ্র গ্রামের দীঘিগুলি বুঝাইতেছে । যদি তাহাই হয়, ভবে এই মন্দির ও দীঘিগুলি কে প্রস্তত করিয়! দিলেন? যদি ইহা বাজা স্বয়ং নিজ ব্যয়ে কবিয়া দিয় থাকেন (৭ সংখ্যক শ্লোক দ্রষ্টব্য, তাহাতে রাজ! রাজ্যপাল কত্বক দেবালফ ও জলাশয় রচনার কথা আছে ) তবে ভীহার বদ্ষণাবেক্ষণের জন্ত নিজে ব্যবস্থা করিলেন না কেন? এই দানেব দ্বারাই কি স্টাহার কর্তব্য শে হইল? এই দানগ্রহীতা শ্রীজীবধর শব্দা কি এই সব দেবালয় ও জলাশয়ের মালিক হইলেন? অথবা তিনি অছি মাত্র বহিলেন? এবং ববেদ্দুমণ্ডলে যে বিস্তর জলীশয় দেখা যায়, তাহার বদ্দণাধেক্মণের জন্ক কি এইরূপ ব্যবস্থাই ছিল? এই সকল প্রশ্ন
উত্থিত হইতেছে ।
১। তাত্রশাসনে গ্রামের আগে ত্র, ভার আগে একটি অক্ষর পড়া যায় নাই। সঞ্ডবত উহ্। লুপ্ত অকারের চিহ্ন । ব্র-এর আগের দাগটি 2 কারের মত বোধ হয়। অর্থাৎ ধ্রিগ্রামণ । ২--২১। এই আকারগুলি পূর্বে ছিল না, পরে যেন জীচড়েক মত দাগ কাটা।
শব্ধ মহীপালের নবাবিষ্ৃত বেলওয়া-লিপি ৫৫
পংক্তি
১১ ভগবন্তং বুদ্ধভট।রকমুদ্দিত্ত আ-
১২. ঙ্গিরসাম্ম [রীষগামন! *] শ্বগ্রবরায় ।-হুস্তিদাসলগোত্রায়। বিষ্ণুদেবশম্মণঃ পৌত্রায় | ধারেখরদে বশর্খরণঃ
১৩ পুরার । শ্রীজীবধরদেবশত্্রণে । বিউবত,সংক্র।তৌ। বিধিবৎ। গংগায়াং শত শাসনীককত্য প্রদত্োহন্মাভিঃ। অ-
১৪ তো [ভবস্তিঃ] সর্বৈরেবানুমন্তব্যং ভাবিভিরপি ভূপতিভিঃ॥ ভূমের্দানফল- গৌরবাৎ। অপহরণে চ মহাঁনরক-
১৫. পাত্ভদ্গাৎ]। দানমিদমন্মোগ্।জ্ুপালনীমং। প্রতিবাদিভিশ্চ ক্ষেত্রকরৈঃ। আজ্ঞাশ্রবণ বিধেয়ীভুয় যথাকালং
১৬ সমুচিউভ।গভোগকরহিরপ্যাদি প্রত্যায়েটপনয়ঃ কার্য ইতি ॥ সম্বং ২২ শ্রাবণ দিনে ২৫ ভবস্তি চাত্র ধ-
১৭ স্মীমুশংপিনঃ শ্লোক; বহু ভির্ষধ। দত্ত রাজভিঃ সগরাদভিঃ | যন্ত যস্ত ষদা ভূমিস্তস্ত তস্ত তদ। ফলং॥ তু-
১৮. মিং ষঃ প্রতিগৃহ্বাতি যশ্চ তূমিং প্রথচ্ছতি। উভোৌ তো পুণ)কর্ম্মাণৌ নি়তং স্বর্গগামিনৌ ॥ গামেকাং স্বপ্রমে-
হিরণ্যাঢ্গি বাঁদস্ব-সমেত, ভূমিছিদ*ন্ঠায়ানুদারে যত দিন চন্দ্র সূর্য পৃথিবীতে বিগ্ঠমান, তত দিনের নিমিত্ত এবং মাত।, পিত। ও আপনার পুণ্য ও যশোবিবর্ধনার্থ আঙ্গিরস বাহপত্য প্রবরযুক্ত হস্তিদাসসগোত্র বিষুলদেবশন্ম্ার পৌর, ধারেশ্বর দেবশশ্্ার পুত শ্রীরজীব্ধর দেবশর্শাকে বিষুবসংক্রান্তিতে বিধিবৎ গঙ্গায় মান করিয়া ভগবান্ বুদ্ধদেবের নাম স্মরণ করিয়া শাসনদ্বার। ( উক্ত গ্রাম) আমাকৃক প্রদত্ত হইল। (এই দান) অগ্ুমেদন করিবেন। (অনাবশ্তক বোধে পরবর্তী কিয়দংশের অনুবাদ প্রদত্ত হইল ন।)।
* এই অক্ষবগুলি ক্ষয় প্রাপ্ত হইয়াছে, নিঃমংশয়ে পড়া যার না|
শ” জন্বৎ ২২, শ্রীবণ ২৫ দিনে । বাগগড়-লিপিব সম্বৎ পড়া ফার নাই । দেখা যাইতেছে, এই সব রাজার। নিজ গিজ রাজত্বের বধ পিখিতেন এবং সম্ভবত তাহাই সবত্র রাজকাধ্য নিয়োজিত হইত) সম্ভবত এই জন্যই অপর কোন লোক কোন দান করিলে (সে দানবাপারে বাঁজাব বিশেষ কোন আখিক জহাম্ততাব প্রস্বোজন না! থাকিপেও) তাহাকে কোন্ রাজত্বসময়ে ইত্যাদি দানপত্রে উল্লেখ করিতে হইত। উদাহরণ_-(১) কেশব-প্রশস্তি ( মহ[বোধিলিপি )--ধন্মপালের ষড়বিশতি বধে... (২) বারীশ্বরীপ্রত্তরদিপি--গোপালরাঁজার [রাজ্য) লগ্ঘ* ১ স্থাশ্থিন শুক পক্ষ ৮1 (৩) কৃষ্ণঘারিক।- মঙ্দিলিপি--জনালম্মানামক স্থানে] নয়পালদেবের বিজয়রাঁজ্যের পঞ্চদশ সংবংদরে |
8৬
০
৯
শখ
৩
২৪
৫
সাহিত্য-পরিষত-পত্রিক। [ডর ৪র্থ সংখা
কঞ্চ ভূমেরপ্যদ্মন্ুলং | হরন্নরকমাযাতি যাব(+দা+)হুতসংপ্রবং ॥ যষ্টিধর্ষসমন্ত্াণি স্বর্গে মোদতি* ভূমিদ
£। আক্ষেপ্ত। চীনুমন্ত। চ) তান্তেষ নরকে বসেৎ॥ স্বদত্তাং পরদসত্তাং
যো ইরে(+ৎ+) বহ্ৃন্ধরাং। স ঝিষ্টায়াং কৃমিভূত। পি-
তভিঃ লহ পচ্যতে। সর্ব(11+)ন্তোন্ ভাঁবনঃ প্রাধিবে ত্রান ভুয়োভুয়ঃ প্রার্থয়তোষ রামঃ। সামান্তোয়ং ধর্শপেতুনৃ
পাণাং কালে কালে পালনীরঃ ক্রমেণ ॥ ইতি কমলদল +1+)দুবিদূলোলাং শরিয়মন্্রবিচিন্ত্য মনু ঘ্যঙ্গীবিত-
ঞ্চ। সকলমিদমুদাতঞ্ বুদ্ধ। ন ছি পুরুষৈ: পরকীর্তয়ে। বিলোপ্যা ইতি ॥
শ্রীমহীপালদ্ধেবেন দ্বিজশ্রে-
ষ্ঠোপপাদিতে শ্রীমা্লক্ষীধরে! মন্ত্রী শাসনে দূতকঃ কত। পোষলী গ্রামনির্যাত চন্রাদিত্যন্ত শূন্থনা১ ॥ ই-
দং শাসনমুৎকীর্ণং প্রীপুষ্যাদিত্যেন শিল্লিনা ॥
শ্রীমহীপালদেব কর্তৃক শ্রীমান্ লক্দীধর মন্ত্রী দ্বিজশ্রেষ্ঠ (শ্রীজীবধর দেবশশ্মীকে )
সমপিত এই শাসনের দূতক নিধুক্ত হইয়াছিলেন। পোষলীগ্রামাগত চন্্রাদিত্টের পুন্র ্রীপৃষ্যাদিত্য নামক শিল্পী দ্বারা এই শাসন উৎকীর্ণ (হইয়াছে )।1
* মদনপালেব মনহলি-লিপিতে 'মোদতি'র পবিবর্তে 'ভিষ্ঠতি' আছে । ১1 কুম্থুনা। ণঁ দৃক ও শিল্পীব নাম ও পবিচষ বদি সাজান থায়, তবে পালবাজাদের তাত্রশাসন-ভেদে কিরূপ
দাড়ায়, তাহা দেখা ফাক__
ভিপি পরিচম দছুততের নাম শিল্পীর নাঙ্ম ও বাসস্কান খালিমপুব (খনন ) নাম নাই তাতট মুঙ্গের (দেব) রাঙ্গপুত্র শ্রীবাজ্যপাল নাম নাই ভাগলপুর (নারায়ণ ) উ্টগ্তবব, পুণ্যকীত্তি সংসমতটজন্মামংখদাস ( মগ্যদাস ?) জাঙ্িলপুব (গোপাল) ভট্টপ্রভাস সংসমতটজন্মা মদ্যদাসপু্র বিমলদাস বাণগড ( মহী) ভট্টক্ীবামনমন্্রী গোষলীগ্রামনিধাতবিজয়াদিত্যপুত্র মহীধর বেলওয়া (মী) লক্ষমীতৰ পোষলী গ্রামনির্ধাত নদ্রাদিত্যপুতরপুষ্যাদিত্য. আমগাছি (বিগ্রহ) পড়া যার নাই পোষলীগ্রামনির্ধাত সহীধরের পুত্র শশিদেষ বেলওয়। (&) জ্রীজিলোচন শিঙ্গিভীগ্রামনিধাত হরদেবপুত্র পৃথীদিত্য মলহলি ( মদন ) সান্ধিবিগ্রহিক ভীমদের তথাগত সর
ইহা হইতে কিছু আলোচনার সথষ্টি হইতে পারে। এই বিষস্থ পরে লিখিবার ইচ্ছা রহিল।
বংলা সাময়িক-পত্র
১২৭৫ সাল ( ১২ এপ্রীল ১৮৬৮ )--১২৭৮ সাল (১১ এগ্রিল ১৮৭২) প্রীত্রজেজ্্নাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
১২২৫ সালে ( এপ্রিল ১৮১৮) শ্রীরামপুত্ত হইতে জে. সি. মার্শম্যানের সম্পাদনায় 'দিগার্শন, নামে একখানি মাপিক-পত্র প্রকাশিত হয়। ইহাই বাংল! ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িক-পত্র। এই সময় হইতে ১২৭৪ সাল (১. এপ্রিল ১৮৬৮) পর্য্যন্ত বাংলায় যে-সকল সাময়িক-পত্রের উত্তধ হয়, সেগুলির বিবরণ আমি “বাংল! সাময়িক-পত্র' (ওয় সংস্করণ ) গ্ষ্ে প্রকাশ করিয্াছি। বর্তমান প্রবন্ধে কেবল ১২৭৫ হইতে ১২৭৮ সাল, অর্থাৎ বঙ্কিমচন্ত্রের “দর্শনের অত্যুদয়ের পুর্ব পর্যন্ত, প্রকাশিত বাংল! সাময়িক-পত্রগুলির বিষয় ধারাবাহিক ভাবে আলোচিত হইবে । এই চারি বংসরে শ্রহর ও মফম্থলে বহু পত্র-পত্রিক' জদ্মলাঁত ও অকাল-মৃত্যু বরণ করিয়াছিল। আঞ্জিকাঁর দিনে এগুলি সংগ্রহ করা সহজসাধ্য নহে, --অর্ধিকাংশই অবস্ধে ও জলবাঘুর দোঁষে লোপ পাইফ্াছে। এই কারণে আমাদিগকে প্রধানত; বেঙ্গল লাইব্রেরির তালিকা, সরকারী রিপোট ও সমদাময়িক সংবাদপত্রে প্রকাশিত নৃতন পত্রিকার সমালোচনার উপর নির্ভর করিতে হইয়াছে । আমাদের বিবরণে অসম্পুৃতি। থাক! বিচিত্র নহে। কেবল তবিষ্যং কর্নার পথ অপেক্ষাকৃত সুগম করিবার মানসে আমি নিজের চেষ্টাম যতটুকু উপকরণ সংগ্রহ করিতে পারিয়াছি, তাহাই প্রকাশ করিতে সাহসী হইলাম । আলোচ্য বিষয়ে কেহ কোন নূতন উপকরণের সন্ধান দিলে তাহাও সাদরে পত্রিকায় গৃহীত হইবে। সাপ্তাহিক সম্বা্দ (সাপ্তাহিক...)। ১ বৈশাখ ৯২৭৪ (এপ্রিল ১৮৬৮ 1
“এখানি ১লা অবধি ভবানীপুর সাপ্তাহিক সংবাদঘন্ত্র হইতে প্রকাশিত হইতে আরম্ত হইয়াছে। প্রতি সপ্তাহে হার এক এক খণ্ড প্রচারিত হইবে। আমরা ইহার প্রথম খণ্ড. প্রাপ্ত হইয়াছি। এই খণ্ডে তৃমিকা, বঙ্গদেশীয় থৃষ্টাত্রিত জনগণের পেন্সন ফণ্ড, বিবাহ" ভঙ্গের আইন ও আদালতের আবগ্তকতা এবং সংবাদাকি লিখিত হইয়াছে । এখানিতে সম্পাদকের লাম নাই) কিন্তু ইহার লিখনভঙ্গীধার] ইহ! যে এ দেশীয় গৃীয়ান কর্তৃক প্রচারিত ইহা স্পষ্ট বোধ হইতেছে ।”--'সোমপ্রকাপ) ২৩ বৈশাখ ১২৭৪ |
১৮৭০ অনে, খুব সম্ভব মে মাস হইতে, 'পাগ্ডাহিক সা? পাক্ষিক পরে পরিণত হইয়া «পাক্ষিক সন্াদ' নাম ধারণ করে । এই ভাবে কিছু দিন চলিবার পর ১৮৭১ লনের ১লা মে হইতে পুনরায় লাগাহিক হইয়া পূর্বানীমে এক পয়ল! মূল্যে প্রচারিত হইতে থাকে । ২৯ এপ্রিল ১৮৭১ তারিখের 'এডুকেশন গেঙ্গেট ও নাণ্তাহিক বার্তাবছে' প্রকাশ ৫
সখিনা আজানিতি হইদা প্রকাশ করিতেছি, বৃষ মিশনরিদিগেক্ষ গ্রচারিত পাক্ষিক সংবীদ পত্রথানি 'আপগীহী ১ল। থে হইতে গদি বগা প্রকাশিত এবং উহার নাম সাপ্তাহিক সংবাদ হইবে ॥ ৪
৫৮ সাহিত্য-পরিষত-পত্রিকা [অজ সঙ্যা
সমালোচনী (মাদিক)। বৈশাখ ১২৭৫ ( এপ্রিল ১৮৬৮) ।
“এই মালিক পত্রিকার প্রথম ছুই খণ্ড আমর! প্রাপ্ত হইয়াছি। ইহা বহরমপুর সত্য- রত্ব যন্ত্র হইতে বৈশ|খ মাল হইতে প্রচার হইতেছে। এই ছুই সংখ্যায় বঙ্গভাষাদি ১৪টী প্রবন্ধ ও কতকগুলি চিত্রকথ। লিখিত হুইয়াছে। ইংরেজী রিভিউর ধরণে ইহার লেখা । অধিকাংশই গঞ্ছে, শেষ ভাগে কিছু' পদ্ভ রচনা আছে।-*ইহার লেখা মন্দ হয় নাই, বিশষতঃ এই শ্রেণীর পত্রিকা বাঙ্গলা ভাঁষায় এই প্রথম ।*-_+অমৃত বাজার পত্রিকা) ১৬ শ্রাবণ ১২৭৫ । প্প্রকাশিক। (মাসিক )। বৈশাখ ১২৭৫ ( এশ্রিল ১৮৬৮)।
এই *পগ্যময়ী পত্রিকা”র পরিচালক -_প্রাণকৃঞ্চ দত্ত । প্রয়াগ দূত ( পাক্ষিক": )1 বৈশাখ ১২৭৫ (এপ্রিল ১৮৬৮ )।
এই পাক্ষিক পাত্রকা “প্রতি মাসের ১লা ও ১৬ই দিবসে শ্রীশশিভ্ষণ মিত্র দারা এলাহাবাদ মৌসিমগঞ্জে প্রচারিত হয় ।” ইহার কণ্ঠে এই শ্লোধটি শোভা পাইত :-
শাস্তেণ ক্ষুত্রেণ সভাপি লোকে স্সাধিতঃ কন্মু মৃহদ্ুবেং কিল। হলেন ক্ষুদ্র হি কধিতে ক্ষিতো ভবস্তি শস্থা হ্বাপজী বনানি ॥
১৮৭১, ১৭ই এপ্রিল হইতে প্রঘ্াগ দূত? দীর্ঘ মামনতনবিণিষ্ট সাপ্তাহিক-পত্রে পরিণত হয়। পরবর্তী ২৮এ এপ্রিল তারিখের 'এডুকেশন গেজেটে” প্রকাশ 27
প্রয়াগদৃত নামক এলাহবাদের বাঙ্গাল। সংবাদ পরথানি ৫ই বৈশাথ হইতে সাগু।ঠিক হইঘ়াছে।
উত্তরপাড়। মাসিক পত্রিকা । শ্রাবণ ১২৭৫ (২৩ জুলাই ১৮৬৮)। সম্পাদক--রাসবিহারী মুখোপাধায়। প্ৰঙ্গভষার উন্নতিনাধ্ন করা পত্রিক!
প্রচ।রকদিগের উদ্দেন্ঠ ,৮--পোমপ্রকাশ, ২০ শ্রাবণ ২২ &।
বিচ্ে।ৎসাহিনী পত্রিকা (মাসিক )। শ্রাবণ ১২৭৫ (২ আগষ্ট ১৮৪৮) | সম্পাদক-_কলুটোলা-নিবাঁসী ছেমলাল দত্ত
পল্লীগ্রাম বার্তাবহ (পাক্ষিক)। শ্রাবণ (?) ১২৭৫ (ইং ১৮৬৮)।
“এই পাক্ষিক সংবা?পত্রখানি শ্রীরামপুর চন্তেদয় যন্তে মুন্্রত হইয়া বৈগ্বাটা হইতে প্রকাশিত হইতেছে। পল্লীগ্রামের অবস্থা ও সংবাদ প্রকাশ করাই পল্লীগ্রাম বার্তাবহের প্রধানোদ্েস্ট ।..নগরের বার্তা প্রকাশ করে একপ সংবাদপত্র অনক আছে। পল্লীগ্রামের মঙ্গলার্থ যত সংবাদপত্র প্রক।শিভ হয় ততই তাহার হিত সাধিত হইবে। পল্ীগ্রাম বার্তাবহের লেখা মনা হইতেছে না) ইহার অগ্রিম বাধিক মুগ্য ২২ টাকা1।”-গ্রামবার্তীপ্রকাশিকা,” অক্টোবর ১৮৬৮
সরকারী রিপে!টে ৩০ জুলাই ১৮১৯ তারিখেয় “পল্লী গ্রাম বার্তা বছে'র উল্লেখ আছে। হিতদাধিনী (মাপিক)। আশ্বিন ১২৭৫ (সেপ্টেম্বর ১৮১৮)
লম্পাদক--কেদারনাথ খেষ। “ইহার আফতন ১২ পেজি করমার ছুই ফরম) অগ্রিষ
ৎ৪শ বর্ষ ] বাংলা সাময়িক-পত্র--১৮৬৮-৭২ ৫৯
বাধিক মূল্য 8%০ আনা । ইহাতে দুই একটা করিয়! করিত গল্প সংস্কতে এবং নান! বিষয়ক প্রবন্ধ বঙ্গভাষায় লিখিত হইয়া থাকে ।৮_- ঢাকাপ্রকাশ” ২৮ পৌষ ১২৭৫। বোঁধ-বিকাশিনী (পাক্ষিক)। ১ থাঙ্িন ১২৭ (সেপ্টেখর ৮১৮)।
আট পৃষ্ঠার এই “অর্দ-মালিক” পত্রিকার কে "বহে রুতে যদি ন দিদ্ধতি কোহত্র দোষ£” মুদ্রিত হইত। প্রথম সংখ্যায় সম্পাদকীয় ভুমিকায় পত্রিক-€চাবেব উদ্দেন্ঠ সম্বন্ধে এইবপ লিখিত হইয়।ছে ২
স্বদেশীয় বীতি, নীতি ও আচান বাবহাবেৰ্ আঁন্দেলন (_দেশসাধানণের হিতকন কারো যথা- সম্ভব পবামর্শ প্রলান :_-নিস্তাস্ত অনিষ্ঠকব ঘটন| সকলেব উদপোসণ পূর্বক ক্ষমভাপন্ন ও প্রধান নার্ডি- গণেব নিকট ভন্নিবারণেব উপায় প্রার্থনা এবং সাপাবণত; বিগ্ঞান আলোচনা ও ( পাঠক মহাশয়গণের বির্ক্কিজনক হইলেও ) ক্রমশ: বচনীশক্কিব অভাসই আমাদিগের পত্িক। প্রচাবেব উদ্দেশ্য |
প্রথম সংখ্যার সুচী £- জশ্বর-স্তব, ভূমিক1, স্ত্রী-শিক্ষা) বিজ্ঞানঘটিত প্রশ্নোত্তর । কল্পলতিক1 (পাক্ষিক) ১৫ পৌষ ১২৭৫ (২৮ ডিসেম্বর ১৮:৮)।
পটোলডাঙ্গা ট্রেনিং ইনৃষ্টটিউশনের পণ্ডিত রামসর্ধস্ব বিছ্বাভুষণ -৮৬৮ সনের ২৮এ ডিসেম্বর এই পাক্ষিক পত্রিকা প্রকাশ করেন। “সংবাদ গ্রভকর (৫ জানুষারি ১৮৬৯) লেখেন £-ণকল্রলতিকা। এখানি পাক্ষিক পত্রিকা । শ্রীঘুক্ত রামসর্ধন্ব ভট্টাচধ্য ইহার সম্পাদক ও প্রকাশক । ১৫ই পৌৰ অবধি নৃতন খাঙ্গালা যন্ত্র হইতে প্রকাশিত হইতেছে, মাসিক মূল্য চারি আনা ।”
জীবিত ও মুত পত্রের তালিক।
১৮৬৯ লনের ১২ই এপ্রিল (১২৭৬, ১ বৈশাখ ) তারিখের 'সংবাদ পূর্ণচন্দে|দয়” পত্রে জীবিত্ত ও মৃত স।মদ্বিকপত্রের এক দীর্ঘ তালিকা আছে। “জীবিত” পত্রের তালিকাটি এইবপ £-
দৈনিক. ঃ--সংবাদ প্রভাকর, সংবাদ পূর্ণচন্দ্োদয়, স্মাচাব ন্ুধাবধণ (যাঁদবচন্দ্র আদ্য), লঙ্গ-
বিদ্চাপ্রকাশিকা ।
দিনাস্তরিক :--সংবাদ তান্কর।
. অদ্ধ-সাপ্তাহিক £_-সমাচাব চক্্রিক! ( বামাচ্ণ চট্টোপাধ্যায়), [কলিকাত!] বার্ডীবঙ্ ( কলুটোল। )। যা সাপ্তাহিক :--গবর্ণমেণ্ট গেজেট (স্মিথ), সোমপ্রকাশ, এডুকেশন গেজেট ( ঈশানচন্্
বন্দ্যোপাধ্যান, হুগলি ), বিজ্ঞাপনী, হিন্দুহিটতষিণী, ভাবতরঞ্জন, সুধাকব ( মধুবানাথ তর্কবয় ), রঙ্গপুর দিকৃপ্রকাশ, ঢাকা প্রকাশ, সাপ্তাহিক সন্ধাদ ( হারাণচন্্র সাহ। ), পদ্যদৃত, গোৌয়ালীয়ার গেজেট, উড গেজেট ( শিবসাগর ), অমৃত বাজার পত্রিকা, উৎকলনীপিকা, হিশরলিকা, যাজসাহী পত্রিকা ( গিরিশচন্দ্র চৌধুবী, বোয়ালিয়া ), পল্লিবিজ্রাপনী ।
৬* সাহিত্য-পরিষৎ"পত্রিকা [ ও, তব দখখ্যা
মাসিক :_ প্রাঙ্নকজনন্দিনী, 'তত্ববোধিনী পত্রিকা, নিত্াধন্ধান্রগ্রিকা, সর্বার্থ পূর্ণচন্ত্র, ছিতসাধক
পত্রিকা, সত্যপ্রদীপ, রতস্ত-সন্দর্ভ, বিদ্ধোন্নতিসার্ধিনী, সর্ববার্থ সংগ্রহ, ধন্মনীতি, জ্ঞানরত্ব,
গ্রামবার্তীপ্রকাশিকা, যশোহর পরিিকা, তত্ববিকাশিনী, সতান্েষণঃ নব-প্রবন্ধ, বামাবোধিনী 1
জীবিত পত্রের এই তালিকায় অসম্পূর্ণতা আছে। ইহার অন্তভূ্ি সাপ্তাহিক 'পছাদূত'
ও লিবিজ্ঞাপনী, এবং মাসিক 'ধর্খনীতি' ও 'ঘশোহর পত্রিকা'র কোন বিবরণ আমরা সংগ্রহ করিতে পারি নাই।
প্মৃত” পত্রের তালিকা টিও সম্পূর্ণ বা নিভূর্ল নয়। ইহার অনেকগুলির বিবরণ আমার “বাংল! সাময়িক-পত্র (১২২৫-৭৪), গ্রান্থে মিলিবে। কেবল ঘেগুণলর নাম আমদের অজ্ঞাত, মাত্র সেইগুলির তালিক! নিয়ে দেওয়া হইল :-_
সংবাদ মিহিবোদয় কালিদাস মৈন। স'বাদ ব্ভাকব নীলবর হালদাৰ। বিশ্বমনোরপ্লিক| পারণও্রসাদ চক্রবর্তী । জ্ঞ।নগ্রসবিণী ঢাকা। চাকচজ্্রোদয় শ্মামাচৰণ সাম্তাল | সত্যবাদী কলিকাতা স্বাদ । জ্ঞানরত্রমালা। সভাদপণ। বিদ্কাসারস*গ্রহ | বাকাণনী দর্পণ । জ্ঞানহাল!। সংবাদ নুখাকর ব্রজমোহন সিংহ । সন্ধাবিদ্বাবিমল বিভা -বাৰিকপুন্। বাজাজ্ঞে উপাখ্যান । সোমোদয়। জ্ঞানাঞ্চন।
হিন্দুহিতাকাঙ্কিনী (মাসিক )। বৈশাখ ১২৭৬ ( এপ্রিল ১৮৬৯)।
“ছুগলীর অস্তঃপাতী জিরাট হিন্দুহিতৈষিণী সভ। হইতে হিন্দহিতাঁকাজ্ফিনী, নামে একখানি মাসিক পত্রিকা প্রচার হইতে আরম্ভ হইয়াছে । উহার তিন খণ্ড আমাদিগের হস্তগত হইয়াছে ।”__সোম প্রকাশ, ৫ শ্রাবণ ১২৭৬।
মুষল মুদগর (সাপ্তাহিক )। বৈশাখ (1) ১২৭৬ (ইং ১৮১৯)। “এখানি সাপ্তাহিক পত্র। মফস্বল হইতে বাহির হইতেছে ।”--অমৃত বাজার পত্রিকা, ৮ শ্রাবণ ১২৭৬। অবল৷ বান্ধব (পাক্ষিক'*.)। ১০ (জোষ্ঠ ১২৭৬ (২২ মে ১৮৬৯)। ইহা! ঢাবার মুদ্রিত হইয়া লোনসিংহ হইতে প্রকাশিত হু । “সংবাদ প্রভাকর, (১৯ জ্যেষ্ঠ ১২৭৬) লেখেন £ অবলা বান্ধব।--এখানি পাক্ষিক পত্র। গত ১০ই জ্যৈ্ঠ অবধি ঢাঁক। সুলভ বন্্ হইতে প্রকাশিত হইতেছে। বাধিক অগ্রিম মূল্য ডাক মান্তল সমেত ৪ টাকা। শ্রীযুত দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায় ইহাৰ প্রকাশক । সংসারে স্ত্রীলোকের উপযোগিতা ও স্ত্রীশিক্ষার আলোচন! কবাই এতৎ পত্রের উদ্দেশ্য । এই শ্লোকেই তাহার স্পষ্ট ভাব ব্যক্ত'হইতেছে। যথা £-- 'সস্তষ্টো ভারধ্যা তর্তী, ভর্তা ভাধ্য। ততৈবচ। হম্মিম্নেব কুল্লে নিত্যং, কল্যাণ, তত্র বৈ স্রবহ ।”
থ৪প বর্ঘ ] ংল। সামফিক-পত্র--১৮৬৮-৭২ ৬১
পত্রিকা-প্রচারের উদ্গেতয সম্বন্ধে সম্পাদক--লোনসিংহ কুলের প্রধান শিক্ষক ছ্!রকানাথ গঙ্গোপাধ্যায় প্রথম সংখ্যায় এইরূপ লেখেন £-
আমাদিগেব আম্ক্ষমতাব উপব নির্ভন করিম! অধলাবান্ধব প্রচাবিত হইল না । ষে অনীম ক্গমতাবানেব ইচ্ছায় দুর্বল দেহে নববলের সধধার হইতেছে, নিতান্ত অক্ষমেরও মহাক্ষমত জন্মিতেছে, সেই পূর্ণ ক্ষমতাবান মহাপুকষেব উপব সম্পূর্ণ নির্ভৰ কবিমাই আমরা এই প্রচার কার্চে প্রবৃত্ত হইয়াছি। এ কথায় যাহা দিগেব অন্তথ জন্মায় আমবা তাহাদিগের প্রত্যাশী নতি। এস্বলে ইহ! বলাও অসঙ্গত নহে, আমরা ঘে সমাজেব পন্ষঞ্রমর্থন কবিতে উপস্থিত হইতেছি, “সই স্ত্রী সমাজের সহিত বালাকাল হইতে আমাদিগেব বিলক্ষণ আপ্যায়িততা আছে, আত্মীয়তা ধশ্মে উঠাহান! আমাদিগেব নিকট অনেক মনোগভ ব্ক্ত করিয়াছেন, তাহাদিগেব কোন বিষয়ে কিন্ধপ কি আমসা অভিনিবেশ চিত্তে তাহ। নিপীক্ষণ করিয়াছি, বাযাকুলেব অনেক গুণ দোষ আমাদিগেব নিকট স্পষ্টা- ক্ষরে প্রকাশিত আছে স্সতবাং অবলাবাদ্ধব 'ভাহাদিগের নিতান্ত অযোগা প্রতিনিধি হইবে ন! ভব! হইতেছে, কিন্তু আমাদিগেব বাক্য পাঠক সমাজে কতদূব আঘদৃত হইবে, তাহা ভবিষ্যতের গর্ডে নিহিত রহিয়াছে । জনসাধাবণে আমাদিগেব পকামর্শ অধিক পরিমাণে আশু গ্রহণ করিবে একপ প্রত্ত্যাশ! কবা যায় না, স্ত্রীজাতিব প্রকৃত মঙ্গল কামনা কহেন এমন লোকেষ মখ্যা বঙ্গদেশে অতি অল্প আছে। কুলকামিনীদিগকে অবজ্ঞ! কৰা অধিকা'শ লোকেবই প্রকৃতি, কতকগুলা লোকেশ প্রকৃতি এত তীব্র যে, নারীদিগেন মঙ্গলার্থক একটি বাক্য শুনিলেও নিতান্ত বিরক্ত হন। যিনি ওন্প কথ! উত্থাপন করেন ভাহাকে বিদ্ধপ ও অপমান কবিতে ক্রুটি করেন লা । যেয়ে মানসে পক্ষ সমর্থন কবেন বিধায় তাহাদিগকে “মেগে" বলিয়া উপহাস করেন। এসকল লোকের নিকট অব্লাবাদ্ধবের যত আদর হইবে তাহ। বলিবার অপেক্ষ! রাখে না। বঙ্গবাসিনী কামিনীদিগের মঙ্গল কামনায় ও পক্ষ রক্ষান় প্রবৃত্ত হওয়াতে তাহারা এ বিদ্পার্থক উপাধি হয়ত আমাদিগকেও প্রদান কৰিবেন। কিস্ত আমরা তজ্জগ্ কিছুমাত্র কষ্ট বা অনন্থষ্র হইব না; বিশ্ববিদ্যালয়ের অত্যুচ্ সম্মানাত্মক উপাধি হইতেও উহাকে অধিক আদর ও গৌরবের চিহ্ন মনে করিব ।
এক্ষণে হে যে বিষয়ে প্রধান লক্ষ্য রাখিয়া! অবলাবাদ্ধব প্রচারিত হইল তাহার উল্লেখ করা আবশ্যক । হাহাতে বঙ্গীয় ভ্ত্রীসমাজের অবস্থা ক্রমশ: উন্নত হয়, তাহাদিগের জ্ঞান ও ধনের বৃদ্ধি হয়, আত্মকর্তব্যবিধারণের ক্ষমতা জদ্মে, সামাজিক ও পারিবারিক সুখের বৃদ্ধি হয়, সমাজ ও পরিবার মধ্যে তাহাদিগে ঈশ্বরাম্ুমোদিত যে সকল প্রকৃত অধিকার আছে, তাহা অব্যাহত ব্ূপে প্রতিঠিত হয়, ভাহাদিগের ছুরন্শতি দূর হইয়া সুনীতি সংস্থাপিত হয়, আত্মার প্রস্কৃত উন্নতি হয়, এবং বিদ্যা বিষয়ে সবিশেষ অন্থুবাগ জন্মে, তাহার নিয়ত চেষ্টাই আলোচনা করিবার জন্তই অবলাবান্ধবের জন্ম হইল। যে সকল কীতিগত্তী প্রসিদ্ধা নারীদিগের জীবনবৃত্তান্ত এই সকল উদ্দেশ্য রক্ষায় অম্থৃকূল হইবে, সমযষেং তাহাও পত্রিকাস্থ করা যাইবে । এবং ঘে সকল শুশ্রাফণীয় সংবাদ রমহীদিগের বিশেষ জ্ঞাতব্য ও উপকারক, সংবাদ স্তত্তে কেবল তাহাই গৃহীত হইবে। এই সকল বিশেষ জক্ষ্য ব্যতীত সাধারণ হিতকয বিষয় সমূহের সমালোচনা পক্ষেও অবলাবাদ্ধব উদাসীন থাকিবে না। আবলাবলীর য্লাবলী প্রন্কাণ কবাও অবলাবান্ধবের এক কর্তব্য পরিগণিত হইন।
৬২ সাহিত্য -পরিষত-পত্রিক। [সংতর্থ সংখ্যা
স্ত্রীদিগকে দেববং পূজ। কনিনাৰ জন্ত এই পত্রিক! প্রচাবিত হইল কেহ যেন একধপ মনে কবেন না। এতহ্দণীষ অপলাদিগকে ভগিনীবত শ্রদ্ধা ও স্নেহ কৰিয়া ভাহ।দিগেব মঙ্গল বদ্ধন কবাই আমাধিগের অতিপ্রায়। আমা কাতাদিগের শণেব যেষণ গৌবব ও প্রতিষ্ঠা কৰিব, দোষেরও সেইব্মপ ঈল্বেখ কবিস। তন্নিবাকবন চেষ্টা পাইব |
উপসংহার কালে সর্বশক্তিমান পবমেশখবকে নমন্থার কবিয়। প্রাথনা এই, যাহাতে অবলা- পাঙ্ধবের এই সকল উদ্দেশ্টা বক্ষ পাইন ইহান দীজীবন হস্ষ, ভিনি এমন শসভ প্রদান বক্ষন। ১৮৭* সনে দ্বাবকানাথ কলিকাঁত[য আগমন ববেন এবং এখান হইতেই “অবলাবান্ধবঃ প্রকাশ করিতে থাকেন। তিনি তৎসঞ্কলিত 'নববধ্িকী'তে (১২৮৪) লিখিয়াছেন £ _- ১৮২৯ অন্দের গে মাসে অসলাবঝান্ধব নাক আগর একখানি পত্র ঢাক! হঈতে প্রকাশিত হইতে আবন্ত হয়। এক বংসবাস্তব কলিকাতা উঠিয। আইগে এস পাচ বসব কাল প্রকারিত হইয়। অর্থাভাবে ইহার প্রচার বহিত হম়। এই প্াত্রব জেখকেলা ভ্্রীস্বাপীনতান পন্মপা্তী এবং স্ত্রীপুকষষেস শিক্ষাগত অপ্রমাণিত পার্থকা বক্মীৰ বিবোদী ছিলেন। ৬ষ্ঠ বর্ষের পতিক! মাদিক আকারে ১৯৮১ সালের শ্রাবণ মাসে (৩৮ জুলাই ৮৮৭ ) প্রকাশিত হয় এবং অল্প দিন পবেই অর্থাভাবে মৃত্ামুখে পতিত হয়। .২৮৬ সালের বৈশাখ মাসে 'অবলাবান্ধব” মাদিক আকারে পূনঃপ্রকাশিত হইয়াছিল । বেল লাইব্রেরির তালিকা, মতে ইহার ১ম খণ্ড, ৭ম-৮ম সংখ্যার প্রকাশকাল--২০ নবেধর ১৮৭৯।
জ্যোতিরিঈগণ (মাপিক)। জুলাই ১৮৬৯।
১৮৬৯ সনের ছুলাই মাসে কলিকাতা ট্রাষ্ট সোসাইটি স্ত্রীলোক ও বালকবালিকাশণের নিমিত্ত এই সচিত্র মাপিক পত্রিকা প্রকাশ করেন। প্রথম সংথটায় সম্পাদ ক--রেঃ এস, পি. ঘোষ লেখেন £- |
বালকবালিকা ও ্ত্রীণণের এককালীন আমোদ ও নীতিশিক্ষাব নিিত্ত এই পত্রথানি প্রচার করিতে প্রবৃন্ত হইলাম | আমরা যুস্কবিগ্রহ ও বাছনীতি প্রকৃতি লইয়া আমাদের স্্কুমাবমতি পাঠক- বর্গেব মনোরঞ্জন করিব না'। এই পত্রেতে বিবিধ উপাথান, ইতিহাস ও বিজ্ঞানাদি নানাপ্রকার বিষয় থাকিবে । আমোদসহকৃত নীতিশিক্ষাই ইহার প্রধান উদ্দেশ্ট ।
ওয় ও ৪র্থ বর্ষের “জ্যোতিরিঙগণে' মধুস্থদন দত্তের লিখিত “পুরুলিয়” ও প্কবির ধর্পুত্র” নামে ছইটি কবিত! মুদ্রিত হইয়াছে। বঙ্গঢৃত ( সাপ্তাহিক )। ২২ ভাদ্র ১২৭৬ (৬ সেপেম্বর ১৮৬৯ )।
“এখানি লাপ্তাহিক সংবাদপত্র । ট্রালীগঞ্জ মিসনের অধ্যক্ষ শ্রীযুক্ত পাঁদরি পি, ই, দর সাহেব ইহার সম্পাদক | €ই সেপ্টেম্বর অবধি ইহার প্রচারণ আরম্ভ হইয়াছে ।”_- “সংবাদ প্রভাকর, ১৭ সেপ্েম্বর ১৮৬৯। ৃ
"সম্পাদক ঘোষণ। করিয়াছেন দেশের উন্নতি .মাধন করা ও গবপপ্টের সছুঙ্গেতত
সাধারণকে বুঝাইয! দেওয়া তাহার প্রধান উদ্দেস্ত।--সোমপ্রুকাশ। ২৯ ভা ১২৭%।
০ বাংলা সাময়িক-পত্র--১৮২৮-৭২ ৬৩
জ্ঞ/নলহরী (মালিক )। আশ্বিন ১২৭৬ (ইং ১৮৬৯ )।
“জ্ঞানলহবী "মাসিক পত্রিকা..-ভরীমুক্ত গোপালচন্দ মিত্র ও বিজয়কেশব বন্থ ইহার সম্পাদক। পত্রিকার আয়তন ১২ পেজী ১ ফন ।...মানিক মূল্য এক আনা । বর্তমান আহ্বিন মাস অবধি ইহার প্রচারণ আরম্ত হইয়াছে। পদ্য ও গণ ইহাব অবয়ব স্জিত কর! সম্পাদকদিগের উদ্দেশ্য ।”--'সংবাদ প্রশ্তাকর, ১৪ আব্বিন ১৯৭৬। চিকিৎস। সংগ্রহ মাসিক)। আশ্বিন ১২৭৩ (১১ অক্টোবর ১৯৮১৯)।
“ইহাতে এতদ্দেশীয় এবং ইউরোপ খণ্ডের চিকিৎসাশাস্থের সারসংগ্রহ হইবে 1” তুবনমোহন গঙ্গোপাধ্যায়, ডি, এল ডি. ইহার সম্পাদক ছিলেন। জ্ঞানপ্রদায়িনী পত্রিকা (মাসিক )। আঙ্থিন () ১২৭৬ ( ইং ১৮৬৯)।
২৪ কার্তি£ ৯২৭১ তারখের 'সোম প্রকাশে সমশোচিত। দেশহিতৈষিণী (মাঘিক )) কাঙিক ১২৭৬ (১৯ নবেম্বর ১১৬৯ )।
৮ পুঠার এই ক্ষুত্র পত্রিক্কাথানির পরিচালক-_পাথুরিয়াঘাট:-শিবা দী রাজু দান। মধুকরী (মাসিক...) | মাঘ ১২ ৬ (জানুয়ারি ১৯৮৭০ )।
পূ বহরমপুর ] সত্যবদব ন্ত্র হইতে মধুকবী নাঁষে একখানি মাসিক পত্রিকা গত মাঘ মান হইতে প্রচারিত হইতেছে। দেশের হিতসাধন ও বিদন্মগুলীর মনোরঞ্জন ইহার উদ্দেস্ট ।৮-_টাকাপ্রকাশ, ২৫ ফান্তন ১৭)
“াহারা 'সমালোচন * পত্রিকা পাঠ করিয়াছেন, তাহার! লেখকের পরিচয় উত্তমরূপে অবগত আছেন ।-'"সমালোচনী/ কেবল সাহিতা প্রসবিনী ছিলেন, 'মধুকরী” সকল রসই আহরণ করিয়া নিজক্রমে সঞ্চয় কবিতেছেন 1”--গ্রামবার্তীপ্রকাশি কাও? মাচ ১৮৭০।
“মধুকরী পত্রিকা ৯লা বৈশাখ [ ৯৩ এপ্রিল ১৮৭০] হইতে পাক্ষিক হইয়াছে ।”-_ 'হিন্দৃহিতৈষিণী, ২৩ এপ্রিল ১৬৭০ । বরিশাল বাত্ীবহু (পাঙ্গিক)। ফাল্তন ১২1৬ (ফেব্রুয়ারি ১৮৭৭ )।
“অ।মব। বরিশীল বার্থীবহণ নামক একখানি পাক্ষিক পত্রিক। প্রাপু হইয়াছি। ঝালকাটি হইতে ইহা প্রচারিত হইতেছে, কিন্তু কলিকাতায় [হিতৈষী যষ্ত্রে] মুদ্রিত হয়। মূলা ডাক মাশুপ সমেত ৪ টাক11”--“অমৃত বাজার পত্তিক1” ৫ চৈত্র ১২৭৬)
ইহা প্প্রতি মালের .লা ও ১৫ই প্রকাশিত হয়, বাধিক মূল্য ২।০ টাকা ।” বঙ্গমহিলা (পাক্ষিক )। ১ ৫বশাখ ১২৭৭ ( এপ্রল ১৮৭০)
মহিলা-সম্পাদিত প্রথম সংবাঁদপঞ্জ ; “লা! বৈশাখ হইতে খিদিরপুরের একজন দ্রীলোক দ্বার সম্পাদিত হইতেছে” (হিন্দুহিটতষিণী” ২৩ ৪-৭০)। ইহার সমালোচনা- প্রসঙ্গে 'তত্বোধিনী পত্রিক।' (জৈ্ট, ১৭৯২ শক ) লেখেন £-
এখান্গি পাক্ষিক পত্রিকী। একটি হিন্দু ্ত্রী এই পান্রকার সম্পাদকা। কলিকাত। প্রকৃত যন্ত্রালয়ে মুত্রিত হইতেছে । অস্পাদিক! আশ। করেন, এখানি বঙ্গদেশের সকল শ্রেণীর ভ্ত্রীলোকদিগের -মুখস্বরূপ
৬৪ সাহিত্য-পরিষং-পৃত্রিক৷ [আঃ সংখ্যা হইবে। আ্রীলোকদিগের স্বত্ব প্রহৃতির সমর্থন করা ইহার উদ্দেশ্য । স্ত্রীলোকের সম্পাদিত সংবাদপত্র এ দেশে এই নূন প্রকাশিত হইল। আমরা হাদয়ের সহিত ইহার পোষকতা। করিতেছি এবং আশা করি যে, কয়েক সংখ্যক পত্রিকাতে যেমন স্ত্রীনোচিত শাস্ত ভীথ প্রকাশ পাইছে, চিরকালই সেইকফপ দেখিতে পাইব | সম্পাঁদিক| যদি অস্থুচিত বিজাতীয় অনুকরণে ব্যগ্র না হইয়! আমাদের বাস্তবিক অবস্থ' বুঝিয়। ও সমুচিত্ স্বাধীনতা রক্ষা কৰিয়। প্রস্তাব সকল প্রকটিত করেন, এখানি ভদ্র সমাজে অতাস্ আদরণীয় হইবে । পাক্ষিক প্রকাশিক । বৈশাখ ১২৭৭ (২৭ এপ্রিল ১৮৭০)। সম্পাদক--ফোগেন্ত্রনাথ মুখোপাধায়। সঙ্গীত চিত্রসন্তোৌষ (মালিক )। বৈশাখ ১২৭৭ (এপ্রিল ১৮৭০) পরিচালক--উমারণ সেন ও যোগেন্দ্রচন্ত্র বন্ছ।
আর্ধ্যধর্ম্ম প্রকাশিক। (মাদিক)। বৈশাখ ১২৭৭ (এপ্রিল ১৮৭০ )।
ইহা ময়মনসিংহের হিন্দুধর্ম জ্ঞানপ্রদায়িনী সভা হইতে প্রতি মাসে প্রকাশিত হইতেছে ।.*'কে বল হিনু ধর্মশান্ত্রের নিগুঢ প্রকাশিত হইতে পারে এন্ধপ পত্রিকা নিতান্ত প্রয়োজনীয় ।”-_হিন্দুহিতৈষিণী, ২৮ মে ৮৭*। রাজসাহী সন্ধা (পাক্ষিক )। ৩৯ বৈশাখ ১২৭৭ (১৩ মে ১৮৭০)।
্রাজসাহীর বোয়ালিয়ায় রাজসাহী প্রেল হইতে 'রাঁজসাহী সংবাদ? নামে এক পাক্ষিক পত্র প্রকাশ হইতেছে । ৩১এ বৈশাখ এবং ১৬ই স্যেষ্ঠের পত্র আমর! প্রাপ্ত হইয়াছি। ইহার আয়তন ১ ফরমা। মূল্য বাধিক ২ টাকা1।”_ভারতরঞ্ীন,” ৪ আষাঢ় ১২৭৭।
পাক্ষিক 'গ্রামবার্ডাপ্রকাশিকা* (জুন ১৮৭০) পিখিয়াছিলেন :--"এই পত্রিকাখানি অনেক দিন হইল প্রচারিত হইয়াছে । কোন কারণবশতঃ মধ্যে কতক দিন বন্ধ ছিল।” গ্রামবার্তী” বোধ হয় 'রাজসাহী পত্রিকা” ও 'রাজনাহী সংবাদ'কে অভিন্ন মনে করিয়াছিলেন । প্মাসিক সংবাদপত্র” 'ঝাজলাহী পত্রিকা ১২৭৪ সালের ১৫ই শ্রাবণ (১৮৬৭, ৩০ জুলাই ) স্বকীয় বোয়ালিয়া মুদ্র ন্ত্রে মুদ্রত হইয়া প্রথম প্রকাশিত হয়। মিত্র প্রকাশ (মাসিক... )। ৩০ বৈশাখ ১২৭৭ (মে ৯৮৭০ )।
হরিশ্ন্ত্র মিংত্রর সম্পাদনীয় ঢাকা হইতে এই মাসিকপত্র প্রকাশিত হম। ইহার গ্রথম সংখ্যার প্রকাশকাঁল--১২৭৭, ৩০ বৈণাথ। পত্রিকার শীর্ষে নিয়ে/দ্ধৃত শ্বোকটি
মুদ্রিত হত :-- মিত্রপ্রিযানন্দ-বিধানদক্ষে। মিতা প্রয়োর।স-নিরাশ-শূরঃ |
নানারসৈমিত্রগ্ুণ-প্রকাশো মিব্র-প্রকাশোয়মেদত্যুদারঃ ॥ পত্রিকা-প্রকাঁশের উদ্দেশ্য সম্ব-্ধ সম্পাদক প্রথম সংখ্যায় এইকপ লিখিয়াছেন £-» এখানিতে বাংলাভাষার এবং বঙ্গ-পাহিত্য-সংক্কান্ত বিষয় সকলই বিকল হইবে) যাহাতে বঙ্গ- ভাষার উন্নতি, বঙ্গীয়-কবিদিগেত কাব্য-কলাপের উন্নতি এবং পরিচয় সাধারণ্যে বাছল্যরপে প্রকাশিত হয়, “মিত্র-প্রকাশ' বর্ষথ! ততপ্রতি অবহিত থাকিবে। শুদ্ধ সম্পাদকীয় রচনাদালা ইহা পরিপৃরিত হইসে না।
৫ ) বাংল। সাময়ি ক-পত্র--১৮৬৮-৭২ ৬৫
দ্বিতীয় বর্ষে অল্প দিনের জন্য “মিত্র-প্রকাশ” পাক্ষিক আকার ধারণ করিয়াছিল । দ্মিত্র-প্রকাশের আকার পরিবর্তন” প্রসঙ্গে ২য় পর্ব, ৩য় সংখ্যায় ( আষাঢ় ১২৭৮) এইরূপ লিখিত হয় £-_ | এক্ষণ অবধি আমরা মিত্র-প্রকাশকে 9 কথ্মা আকাবে মাসে দুই বাব প্রচার করিতে প্রয়াসবান হইলাম । ইহার পর র্থ, ৫ম ও ৬ষ্ সংখ্য। পাক্ষিক আকারে যথাক্রমে ১৫ জানুয়ারি, ১ ফেব্রুঘারি ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৮৭২ তারিখে প্রকাশিত হয়। ৬ সংখ্যায় কালিদাস মিত্র অনুজ হরিশ্চক্ত্রের মৃডু/ঃদংবাদ বিজ্ঞাপিত করেন। অতঃপর কালিদান মিত্র ম্গদক হইয়। মালিক আকারে ২য় পর্বের ৬ষ্ঠ সংখ্যা (ভাদ্র ১২৭৯) হইতে িত্র-প্রকাশ' প্রকাণ করিতে থাকেন৷ কিন্তু নিয়মিত ভাবে প্রকাশিত না হওয়ায় হয় বর্ষেধ ১২শ সংখ্য। প্রক।শিত হয় ১২৭৯ সালের চৈত্র মাসে । “মিত্র-প্রকাশে'র তৃতীয় বর্ষ আরম্ত হয় ১ ৮ৎ সালের বৈশাখ হইতে। শান্সপ্রকাশ (মাসিক )। শ্রাবণ ১২৭৭ ( জুলাই ১৮৭০ )1 প্শান্ত্প্রকাশ নামে মালে মাদে এচখানি পত্র প্রক্কশ করা যাইবে, আপাততঃ প্রথম খপ্ড প্রচারিত হইল । ইহাতে কজ্িপুবণ আারম্ত কর। হইয়ছে। কন্ধিপূরান শেষ হইলে অন্ত পুরাণ কিবা তত্র আরম্ভ করা যাইবে । *'মানিক মূল; দণ আন1।”--“পোম প্রকাশ, ৩১ শ্রাবণ ১২৭৭।
জগন্মোহন তর্কালঙ্কার কর্তৃক পরিশোধিত ও ভাযান্তরিত হইয়া, কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় কর্তৃক “শান্ত প্রকাশ' প্রকাশিত হইত। সজ্জনচিত্তবিনোধিনী (মাদিক)। শ্রাবণ ১২৭৭ (জুলাই ১৮৭০ )।
সম্পাদক-_গোপালচন্ত্র মিত্র । বঙ্গবন্ধু (মালিক...) ৯ শ্রাবণ ১২৭৭ (৯৬ জুলাই ১৮৭০)।
বঙ্গবন্ধু' নামে একখান পাক্ষিক পত্র আমর! প্রাপ্ত হইয়াছি। ১লা শ্রাবণ টাকা হইতে ইহার প্রকাশ আরম হইয়াছে। ইহ! সংবাদপত্রের স্তায় অথচ ধর্ম ও ভ্ত্রীশিক্ষ গরস্থৃতি বিষয় সকলও ইহাতে বিশেষনূপে লিখিত হইতেছে । "উহার আকার ধর্শতত্ব পত্রের স্তায়। ডাক মান্গুল সহিত অগ্রিম মূল্য ৪0৩ টাকা ।*--বামাবে।ধিনী পত্রিকা, ভাপ্র ৯২৭৭।
সরকাঁরী রিপোর্ট পাঠে জানা বার, ঢাক! পোগোষ্জ স্কুলের দ্বিতীয় শিক্ষক ভূবনমোহন ছেন, বি-এ ইহার স্বত্বাধিকারী ছিলেন। এই পাক্ষিক 'পরিক।খানি ঢাকা ত্রাঙ্মদমাজের সঙ্গত লভ! হইতে প্রকাশিত হইত। ত্রাঙ্গদমাজ ছুই ভাগে বিভক্ত হইয়া গেলে “বঙ্গবন্ধু চাঁকা নববিধান সদাজের মুখপত্রন্বক্ূপ পরিচালিত হইতে থাকে । নববিধান সমাজের আচাধ্য বজচজ রায় পিখিয়াছেন £--
“বঙ্গবন্ধু প্রথমত; পাক্ষিক ছিল, তাহার পর সাপ্তাহিক হইপ়াছিল। ইহাতে প্রথমত্ত: রাজনৈতিক,
৬৬ সাহিত্য-পরিষশু-পত্রিক! [ বসা
সামাজিক, এবং ধর্শবিষয়ক প্রবন্ধ লিখিত হইত। শভাহার পর পুনবায় ইহা পাক্ষিক হয়। এখন 1265 পন্ধিকা ষে আকাবে বাহিব হয়, এপ আকাব হইত । ১৮৭৪ খ্রীষ্টাব্দে “ইস্ট” পত্রিকা বাহির হইলে বঙ্গবন্থুতে রাঙ্জটনতিক বিষয় লিখা হইত না। বঙ্গবন্ধ প্রথমতঃ একাকী আমাকে চালাইতে আরম্ত করিতে তইয়াছিল! শেষ ভাগে ৬টকলানচন্দ নন্দী, এববদাকাস্ত হালদাব, ঈশানচন্দ্র সেন, গিবিশচন্দ সেন, সম্পাদকের কাধা কবিয়াছিলেন! মধ্য ভাগে ও শেষ ভাগে ভাই ছুর্গানাথ রায়ও সম্পাদকের কাধা করেন। আমাদের অবস্থান্তর হওয়াতে বঙ্গবন্ধু বন্ধ হয়। বঙ্গবন্ধু ১৮৭০ হইতে আবন্ত করিয়। ১৯০৭ পর্যন্ত নিয়মিত মত বাহির? হইরাডিল। (কেদারনাথ মজুমদার : 'বাঙ্গাপা সাময়িক মাহিতা,' পৃ. ৪২৫)
সহিত্য-সংগ্রহ (মাসিক)। আহিব ১২৭৯ (সেপ্টেম্বর ১৮৭০ )।
“সাহিত্য-সংগ্রহ' নামক আর একখানি ম(সিক পত্রিকাও কলিকাত! হইতে প্রকাশিত হইতেছে। ইহার ছই খণ্ড আমব। প্রাণ হইয়াছি।... এখানি দ্বারা বাঙ্গলা ভাষার বিশেষ উপকার হওয়ার সম্ভাবনা । ইহার উদ্দেন্ত এইরূশ লিখিত হইয়াছে :_ইহাতে বিধিধ সং্পত পুরণ, তঙ্ত্র ও স্মৃতির অন্ুুবান, বঙ্গ:দ.শর প্রাচীন এবং আধুনিক প্রীত দেশহিতৈষী মহাম্বাগণের এবং প্রপিন্ধ কবি ও গ্রন্থকারগণেব জীবনবৃন্তান্ত, ইতিহাল, কাঁব্য ও নাটক, বিজ্ঞান, শিল ও চিকিংসা শান্ত, প্রাচীন কীত্ি, অন্ভুত বিবরণ, এবং রহস্ত বিষয়ক্ক বিবিধ গল্প ও নবেল প্রত ক্রমান্থয়ে সংগৃহীত হইয়! পুস্তকীকারে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হইবে । আপাত: মূল সংস্কত ভাষা হইতে হরিবংশ অন্ুবাদান্তর প্রগর আরম্ত হইল।”_“অমৃত বাঙ্গার পত্রিকা ১ পৌষ ১২৭৭ । নারী-শিক্ষ। পত্রিকা (মাসিক )। ১ কান্তিক ১২৭৭ (১৭ দি বর ১৮৭০)।
ঢাক! সুলভঘন্্ব হইতে পল্ত্রীলোকদিগের শিক্ষোপযোগি নী” এই মাপিক পত্রিকাখ নি ১২৭৭ সালের ১ল। কাণ্তিক হুইতে প্রকাশিত হয়।-হিন্দুহিতৈষিণী, ২৭ কাপ্তিক ১২৭৭। মুরশিব। বাদ হিতৈধিণী (পাক্ষিক)। ১ কাতিক ১২৭৭ (১৭ অক্টোবর ১৮৭০)
“এতদ্বারা পর্বপাধারণ:ক অবগত কর! যাইতেছে থে অ।গামী কান্তেক মাংসের ১লা তারিখ হইতে মুর্শিদাবাদ হিতৈষিণী নামী একখানি পাক্ষিক লংবাদপত্রিক! প্রকাশিত হইবে। ইহার অগ্রিম বাণিক মুল্য ৩ টাকা ।.*শশ্রীবনোয়।রিলাল মুখোপাধ্য।য় সম্পাদক। বহরমপুরের অধীন দৈদাবাদ হোতাপাড়1।”-_ “সোম প্রকাশ, ৩১ শ্রাবণ ১২৭৭ সন।তন ধর্মোপদেশিনী (মালিক )। কান্তিক ১২৭৭ নবেস্বর ১৮৭০ )।
“পনাতন ধর্োপদেশিনী মাগিক পত্জিকা। ইহা কলিকাতাস্থ ভারতবর্ধায় সন তন ধর্শরক্ষিনী সভ! হইতে প্রচারিত হইতেছে । কাঞ্তিক মাল হইতে ইহার প্রগার আর হইয়াছে ।”-_“হিন্দৃহিটতিষিণী” ৯৯ নবেঘবর ১৮৭, |
“্াহাতে হিন্দুধর্থের উন্নতি হয়, সেই সকল বিবদ্বের অনুশীলন করাই ইহার মুখ্য উদ্দেস্টা। সভার অটৈতনিক লম্পাদক চন্তরশেধর মুখোপাধ্যায় পত্বিকাখানি পরিচালন করিছে,। ইহার ক্ছে এই ঞ্রোকটি খুডিত হইত £-_.
৫৪শ বর্ধ ] বাংল! সাময়িক-পত্র--১৮৬৮ ৭২ ৬৭
বেদছ্েষ হিমৈর্বহি্দলচযৈহ্শনোপি ধন্বুক্রযং সংবদ্ধেপ্রবধন্ধবক্ষণমহাসংসগ্থসস্তোদয়ৈ১। সংভাব্যব্রমনোবিশোধকুন্মংশেয়ঃকলধাক্ষতং পশগৈতাং নবপত্রিকাং স্মূদিতাং তৎসর্ববসগ্বোধিকীম্ ॥ সুলভ সমাচার (সাপ্াহিক )। ১ অগ্রহায়ণ ১২৭৭ (১৫ নবেম্বর ১৮৭৯ )। কেশবচন্ত্র দেন-প্রতিঠিত ভারত-সংস্কার সত! হইতে 'লুলভ সমাচার' নামে এক পয্নসা মূল্যের একখানি সাপ্তাহিক পত্র প্রকাশিত হম। প্রথম সংখ্যায় (১ অগ্রহায়ণ ১২৭৭) মুস্রিত “সম্পাদকের নিবেদন” হইতে পত্রিকা প্রকাশের উদ্দে্ বন্ধে এইরপ জানা যায় £--. আমাদের সঙ্গে বিদ্বান এবং পনীৰ সঙ্গে অতি অল্লই সম্পর্ক; তাহাদের পডিবাৰ শুনিবার অনেক অনেক শাস্ত্র, কড বড জ্ঞানেব বই, নানাপ্রকার খবরেব কাগজ আছে, এবং তাহাদেন্ধ সংসারে স্রখী হইবাব উপায়ও অনেক । ধাহাদেষ সময অতি অল্প, খাটিতে খাটিতে রাত দিন ফাহাদের মাতার উপব দিয়! চলির। যায়, এমন সঙ্গতিও নাই যে অল্প স্মখ-স্বচ্ছন্দভার সহিত স-দাব যাত্রা নির্ববাহ কষিতে পাবেন, উাহাদিগেক্ই সহিত আমাদের বিশেষ সম্বন্ধ, আমবা কাঁভাদিগকেই এই পত্রিকার পাঠক বলিদ্া স্থিব করিয়াছি । যদি আমবা ন্মণকাজেব জনও কটাতাদিগকে সখী করিতে পাবি, ঘদি ভাহার| যেটুকু অবকাশ পাইবেন (সইট্রকৃতে কিছু কিছু ভাল কথায় মন দিয়া আনন্দ লাভ কগিতে পাঙধেন, এবং দেশের চাবি দিকের খবব জালিয়] ভুনিকে বৃদ্ধি কবিতে পাঁবেন, তবেই আমাদের এই পত্রিকা বাঠিব কৰা সার্থক হইবে । আমবা এই “সলভ সমাচান্স' প্রতি মঙ্গলবাবে বাহির করিতে সঙ্কল্প করিয়াছি, এব' সকলে লইতে পারিবেন এই জন্ ইহাব মূল্য এক পয়স। মাত্র স্থিব কব হইয়াছে । হিত উপদেশ, নান! সংবাদ, আমোদছনক ভাল ভাল গল্প, আমদের দেশের এবং বিদেশের ইতিহাস, বড় বডলাকে ভীবন, যে সকল আইন সাধারণের পক্ষে জান! নিতান্ত আবশ্তাক, চাল ডাল প্রস্তুতির দব, এবং বিজ্ঞানে মূল সত্য মকল যত দূর সহজ কথায় লেখ! যাইতে পাবে ইহাতে সেইরূপ লিখিতে আমবা ক্রুটি করিব না। পত্রিকার কঠে এই কবিভাটি মুদ্রিত হইত £-- ধন মান লাভ কবি সকলেই চায়, সকলেব ভাগো কিন্তু ঘটে উঠা দায়। জ্ঞান ধশ্ম চাও যদি অবাবিত-ঘার, দরিদ্র ধনীর সেথ। সম অধিকাবু। '্দুলভ লমাঁচার” জনপ্রিয় হইয়াছিল। ইছা দীর্ঘকাল ভীবিত ছিল । আমি ১৮৮৯ সনের জুলাই যাসের পত্রিকাও দেখিয়াছি; তখন ইহার নাম ছিল--“হুলভ সমাচার ও কুশদছ'। নবপধ্যায়ের "সুলভ সমাঁচার দৈনিকরূপে প্রকাশ করেন-_নরেন্ত্রনাথ মেন । ইহার গ্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল -১ টৈশাখ ১৩১৮ (৯৪ এপ্রিল ১৯১১)। ইহ! গবর্শে্টের সাহায্য প্রাণ পত্রিকা ছিল; গবর্শেন্ট ২৫ হাঙ্গার খণ্ড নির্দিষ্ট মূল্যে (তরী আন) ক্রয় কনিকা! বাংলা দেশের জন্সধারণকে বিনামূল্যে বিতরণ করিতেন। নরেজ্দ্রনাথ তাল বাঁংল৷ গ্রানিতেন না; জলধর সেনই তাহার নির্দেশ-মত পত্রিকাব সকল কাধ্য নির্বাহ করিতেন।
৮ সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা [ অ,গর্থ সংখ্যা
পত্রিক। গ্রক(শের পর চারি মান যাইতে না যাইতেই নরেন্তরনাথের মৃত্যু হয় (জুলাই ১৯১১)। তখন গবর্ষেন্টের তরফ হইতে জলধরই বন্ধিত বেতনে “নুলভ সমাঁচারে'র সম্পাদক নিযুক্ত হুন। কিন্তু গবর্মে্ট এক বৎসরের অধিক কাল পত্রিকাখানি জীবিত রাখার প্রয়োজন অনুভব করেন নাই। এই বৎসর পৌষ মাসে দিলী-দরবারের ঘোষণায় বঙ্গতঙ্গ . রদ হইয়া যায়। দেশে আর শাস্তির কারণ নাই বিবেচনা করিঘ্! সরকার জানাইয়া দিজেন, ১৩১৮ সাজের চৈত্র মাসের পর আর তাহার! “সুলভ সমাচারে'র জন্য অর্থব্যয় করিবেন না। নবপর্ধায়ের “স্থুলভ সমাচারে'র পরমাযু এক ₹ৎসর।
বিদৃষক (মাসিক )। অগ্রহায়ণ ১২৭৭ (১ ভিমেম্বর ১০৭5 )।
“বাহার! প্রকৃতির গতি ও মানুষের স্বভাব জানিতে আমোদ বোধ করেন,” তাহাদিগের জন্ত এই রহস্ত-পত্রিকার জন্ম। বেঙ্গল লাইব্রেরি-সঙ্কলিত মুদ্রিত-পুস্তকাদির তালিকা পাঠে জানা যায়, সংবাদ গএ্রভ|করের সহ-সম্পাদক তূবনচন্ত্র মুখোপাত্)|য় ইহার সম্পাদক ছিলেন। “বিদু্ষকে'র আট সংখা] আমরা দেখিয়াছি; প্রতি সংখ্যার নগদ মূল্য ছুই পয়স। | প্রচারিক (মালিক..-)। ১ অগ্রহায়ণ ১২৭৭ ( নবেম্বর ৯৮৭৮ )।
"এখানি মাসিক পত্রিকা । আগাততঃ কলিকাতা হইতে প্রচারিত হুইতেছে। বর্ধমান হইতে প্রকাশিত হইতে আরস্ত হইলেই সাপ্তাহিক হইবে। ইহার প্রস্তাবগুলি সন্তোষকর হইতেছে ।”_-“সোমপ্রকাশ; ২৬ পৌত্ব ১২৭৭।
অল্প দিন পরেই ইহা মাসিকপত্রে পরিণত হইয়াছিল। “মুত বাঁজার পত্রিক।' (১ মাঘ ১২৭৭) লেখেন £ -পবদ্ধমান হইতে প্রচারিকা নামক একখানি পত্রিকা আমর! পাইয়াছি।-..কাগজথানি পাক্ষিক ।* সরকারী রিপোর্টে ১৫ নবেম্বর ১৮৭০ তারিখের প্রচারিকা"র উল্লেখ আছে। বিশ্বদৃত ( মাসত্রয়িক !। পৌষ ১২৭৭ (ভাম্থুয়ারি ১৮৭১)।
“বিশ্বদূত। এখানি কলিকাতা হইতে প্রতি মাসে তিনবার প্রকাশিত হইবে। এখানিও মন্দ হইতেছে না।”--সোমপ্রকাশ”। ২৬ পৌষ ১২৭৭
সাহিত্য মুকুর (সাপ্তাহিক )। ৭ জামুঘারি ১৮৭১।
ইছা! এক পদ্মা মূল্যের একখানি সাপ্তাহিক পত্রিকা । ১ম সংখ্যার প্রকাশ কাঁল-. ৭ জানুয়ারি ১৮৭১। পত্রিকা প্রচাক্জের উদ্দেশ্য সম্বন্ধে প্রথম সংখ্যায় সম্পাদক--সত্যচরণ গুপ্ত লিখিয়াছেন £-_
যদি কেহ আমাদিগের উদ্দেশ্ট বিষয়ে কিছু জানিতে ইচ্ছ। কবেন, তা] হইলে আরা “অবকাশ কালে নির্দোষ আমোদ উৎপাদন কিয় পাঠকবর্গের মনোরঞ্জন” এই একমাত্র কথাতেই গ্ঠাহার উস্ক্য নিবারণ কবিতে পারি। ফলত: বড় বড রাজসম্পর্কীয়, সমাজ সম্পর্কীয় বা ধন্দ্ সম্পর্কীয় কোন বিধয়ে আমবা হস্তক্ষেপ করিব না। আর করিবারও প্রয়োজন নাই, এঁ সকল বিষের জন্ভ অনেকাঁদেক মহৎ
৪শ বর্ষ] বাংল! সাময়িক-পত্রে-_-১৮.৮ ৭২ ৬৯
(লাক, সাহাব আমাদিগের অপেক্ষা উদ্ত বিষয় সকল শত গুণে অধিক বুঝেন ত্বাহার। বাস্ত আছেন। ভবে আমরা এইমাত্ত বলিতে পারি যে আমাদিগেৰ এমত উদ্দেশ্টা নে যে একমাত্র লোকের আমোদ জম্মাইবাব নিমিত্ত আমব একেবাবে জন্ধ হই ও পরনিন্দা প্রভৃতি কুৎসিত দোঁষোংপাদক প্রবন্ধ লিখিযসা লোকের চিওরঞ্রন কৰি। পবস্ত আমাদিগের এই পরিমিত বর্ভবা-ম গুপের মধা হইতেই স্ুবিপাক্রমে আমাদিগ্সের প্রবন্ধের মধ্যে দেশহিতকর বিষয় সকল সন্নিবেশিত কবিতে প্রাণপণে চেটিত হইব। প্রথম সংখ্যার সুচী-ভূমিক]. উদ্দেশ্ত, সাহিত্য ও তৎপাঠের ফল, বিভাবতী
( উপন্তাস ), ললিত কাব্য । পত্রিকার কে এই কবিতাংশ মুদ্রিত হইত £--
যেখানে দেখিলে ছাই, উডাইয়। দেখ ভাই,
গেলেও পেতেও পার লুকান রতন ।
হিতবাদী (মানিক )। মাঘ ১২৭৭ (২১ জানুয়।রি ১৮৭১)। ধর্মমবিষঘ্নক এই মাপিক পত্রের পরিচালক ছিলেন-_নবকুমার বন্দোপাধ্যায় ।
শুভ-সাধিনী (লাগ্ডাহিক)। ফাল্গুন ১২৭৭ (ফেব্রুয়ারি ১৮৭১))
*১২৭৬ সালের ফাল্ভুম মাসে (১৮৭* অবে ) ঢাকার যুবক ত্রাঙ্ষগণ ঢ।কায় পূর্ব শুভ-সাধিনী নামে একটী সভ। স্থাপন করেন ।**-এই সভা হইতে ১২৭৭ সালের বৈশাখ মাসে 'গুভ-সাধিনী পত্রিকা বাহির হইয়াছল। শুভ-সাধিনীতে ধর্ম বিষয়ের আলোচন। ব্যতীত সাহিত্যালোচনা ও হইত, দংবা?ও থাকিত। ইহ! ছিল একখান! সাপ্তাহিক পত্রিকা । মূল্য ছিল প্রতি সংখ্যা এক পযসা মাত্র।"* শ্রদ্ধাম্পদ শ্রীঘুক্ত বঙচন্ত্র রায় লিখিয়াছেন যে স্বর্গীয় কালীপ্রসন্ন ঘে।ষ মহাশয় ইহার সম্পাদন ভার গ্রহণ করিয়াছিলেন। তিনি শুভ- সাধিনীতে বিশেষ প্রবন্ধ লিখিতেন। শ্রীযুক্ত কাঁলীনারায়ণ রায় কাগজের সম্পূর্ণ ভার নিয়াছিলেন ৮..-শুভ-সাধিনী এক বংসরের অধিক জীবন রক্ষা করিতে পারে নাই।” ( কেদারনাথ মজুমদার £ “বাজাল! সাময়িক সাহিত্য, পৃ. ৪২৩-৪।
১৮৭০ মনের এপ্রিল মাসে "শুভ-সাধিনী' প্রকাশিত হইয়াছিল কি না, স্বতঃই মনে সন্দেহের উদ্রেক করে) কারণঃ এক পয়সা মূলের সাগ্ডাহিক-পত্র প্রকাশের প্রথম গৌরব যে এই বৎসরের -নহ্ষ্বর মালে প্রকাশিত “হ্ুলভ সমাচারে"র, ইহা সর্বজনবিদিত। প্রকৃত পক্ষে কেদারমাথের উপণ্র উদ্ধৃত বিবরণ নিষ্ভুল নহে। “শভসাধিনী' ষে ৯৮৭১ সনেক় ফেব্রুয়ারি (ফান্তুন ১২৭৭) মাসে জন্মলাত করে, লরকারী রিপোর্টের নিম্নাংশ পাঠ করিলেই তাহ! স্পষ্ট প্রতীয়মান হইবে £-
1109 0879৮ [709 27876 2)99% 01 14 11570051811] 0007065 &৮৪ 00-
11056010 21093080688 19দ 81], 981190 &৪ 197/90$7169001)17766
/704%0) 108, 15 8010 ৪8 & 0199 ৪. 00, 47000 7 ০ 800 900£88 ০: 0৮৪ 8888 70231001)97 926 ৮৪612 00
প্রিতলাধিনী' একাধিক বর্ধ জীবিত ছিল। ল্বকাগী রিপোর্টে ইহার ওরা ও ১০ই ডিসেখর ১৮৭২ ভারিখের লংখ্যা ছইটির প্রাপ্তি-স্বীকার আছে।
৭০ সাহিত্য-পরিষত*পত্রিকা [ এ গখ দংখ্য।
হিতকরী (সাপ্তাহিক )। ফাল্গুন ১২৭৭ (ফেব্রুয়াণর ১০৭১)।
"এই পরিকাখানি ঢাকা সুলভ যন্ত্রে মুদ্রিত হইয়া প্রতি সপ্পু।হে এক ফরম প্রকাশিত হইতেছে। ইহার গ্রতি খণ্ডের মুল্য নগদ ত এক পয়সা ।- হিত্তকরীর লেখ! মন্দ হইতেছে না।৮--্রামবার্তা প্রকাশিক), চৈত্র ১ম পক্ষ ।
মরকারী রিপোর্টে ১৬ মার্চ ৮৭৯ তারিখের হিতকরীর উল্লেখ আছে) সম্ভবতঃ এই পত্রিকাখানি সম্বন্ধেই ঢাকার হিন্দু & হিতৈষিণী” (১৬ ফাস্ভুন ১২৭৭, শনিবার) লিখিয়াছিলেন :-_
শুভকবী নামে আব একখানি এক পয়সার সাগাহিক পত্ভিকা গত বৃহস্পতিবার হইতে বাহিব হইয়াছে । প্রাতাহিক সম্বা - (দৈনিক)। ফাল্গুন (1) ১২৭৭ (ইং ১৮৭১)।
৭প্রাত্যহিক স্প্রাদ নাযে একখানি এক্ পয়সা মৃ্যের দৈনিক পত্র প্রাপ্ত হওয়। গেল, ইহা কলিকাত! অবলাবান্ধব যন্ত্র হইতে প্রকাশিত হয় /৮-_“হিন্নৃহিতৈধিণী, ১৮ মার্চ ১৮ ১। হিতমিহির (সাপ্তাহিক )। ফস্তুন (1) ১২৭৭ । ইং ১৮৭১)।
“আমরা হিতমিহির নামক একথানি নৃতন সাধাহিক সংবাদপত্র প্রাপ্ত হইয়া কৃতজ্ঞত! স্বীকার করিলাম। এই পত্রথানি প্রতি শুক্রবারে খডদহ হইতে প্রকাশিত হয়। এখানিও এক পয়সার সংবাদপত্র। ইহার একাদশ সংখ্যা প্রকাশিত হইয়াছে ।”--'এডুকেশন গেজেট”) ২০ জ্যেষ্ঠ ১২৭৮।
নরকারী রিপোর্টে ৩১ মার্চ ১৮৭১ তারিখের “হিতমিহিরে'র উল্লেখ আছে।
ভারত-পরিদর্শক (মাসিক )। ৯ বৈশাখ ১২৭৮ (এপ্রিল ১৮৭১ )। প্ভারত-পরিদর্শক ।_-আমরা এই নামে একখানি নূতন মাসিকপত্র প্রাপ্ত হইয়াছি।
গত ১লা বৈশাখ অবধি ইহার প্রকাশ আস্ত হইয়াছে । ভাবে বোধ হয় এই পত্রখানি
সাহিত্য ও বিজ্ঞান-ঘটিত বিহয়েরই বিশেষ আলোচনা করিবেন; মাসিক পত্রিকায় তাহাই
কর আবশ্তক,*) আমর! প্রথম সংখ্য। পাঠ করিয়া সম্তোষ লাভ করিলাম ।”__“এডুকেশন
গেজেট ৯ বৈশাখ ১২৭৮।
বিভাকর (মাসিক)। বৈশাখ ১২৭৮ (এপ্রিল ১৮৭১)।
“বিভাকর নামক একখানি নূতন মাসিক পত্রিকার দুই খণ্ড আমরা! প্রাপ্ত হইয়াছি। এখানি সাহিত্য সংক্রান্ত পক্জিক। ; বৈশাখ মাস অবধি ইহার প্রচার আর্ত হইয়াছে । এই পত্রের উদ্দেষ্ট কি, তাহা আমর! স্বতন্ত্র না লিখিয়! ইছারই ভূমিক! হইতে একটা স্থল উদ্ভুত করিয়া দিলাম ।**.ইহাতে পদ্ভের ভাগ অধিক। অগ্রিম বাঁধিক হল পাচ সিকি মাত্র, ডাকমাগুল সমেত ছুই টাক1।
কেহ যদি জিজ্ঞানা করেন আমাদের “বিভাঁকর' পত্রের উদ্দেশ্ ফি? তবে তাহাকে এই মাত্র বলিব যে-''আজি কালি যে সকল পত্রিকা ঞতকেশের পূর্ব-দারিত্র্য দূর করিয়া তাহার কন্তুপম শো
২৫শ বর্ষ) বাংলা নাময়িক-পত্ব _-১৮৬৮-৭২ ৪১
সম্পাদন করিতেছে, সে সমুদয় প্রার বার্তাদি বিষয়ক । তন্মধ্যে যে কয়েকখানা সাহিত্য সস্বস্বীয় দেখা যায়, তদ্বার! সংখ্যাতেই তউক ব! উপকাবিতাতেই হউক, লোকেব আশানুরূপ ফল উৎপন্ন হইতেছে না। বিশেষত: সাহিতা-বত্বেব ভাতার অক্ষয়। অদংখা পরাদি লিখিয়াও এ পরাস্ত কে তাহাব অস্থ করিতে পাবিয়াছে? ফলত; সাহিত্য সম্বন্ধীয় পত্রাদিব সথ|। দেশমাত্রেই সর্বাপেক্ষা অধিক হওয়া! আবশ্তাক | সাহিতা-জ্ঞানে লোকের মত যত উন্নত ও পরিশুদ্ধ হয়, একমাত্র সংবাদ পাঠে তত উপকার লাভেব সম্ভবনা নাই । সাহিতোর উপর রেশের উন্নতি ও মঙ্গল বিশেষকূপে নিউর কবে, এবং ভৎসন্ব্থীয় পত্রেই দেশের সেই উন্নতভাব প্রতিবিষিত ভর। এই বিবেচনন্রি এত্দেশেক সাভিভা সন্ধন্থীয় পত্রের অপ্রতুলত। কাহার পক্ষে ন। ছুঃসহ বোধ হইবে ?--দ।ঠি ভা বিষয়ক ধথ|ক বি লেখাও আমাদের উদ্দেশ্য । কিন্তু ইহাতে আমাদেব অপরাপর লিখন-প্রবৃত্ত বিষদ্গে হস্তক্ষেপের পথ বিল না, ইহা যেন কেছ বিবেচনা না করেন ।"-_“এডুকেশন গেজেট” ১৩ জোষ্ঠ ১২৭৮। ছুল্লভ সমাচার (সাপ্তাহিক-"-)। বৈশাখ (1) ১২৭৮ (ইং ১৮৭১)
হ্িলভ সমাচারে'র অব্যবহিত পরে 'ছুর্লভ সম।চারে'র মাবিগভাব। ১৫ শ্রাবণ ১২৭৮ হইতে ইহা পরিবঙ্ঠিত আকারে পাঙ্ষ5-পত্রে রপান্তরিত হয়_-সরকারী রিপোর্টে এইরূপ উল্লেখ আছে। পাক্ষিক দুর্নভ সমাচারে'র প্রধান উদ্দেশ্ী ছিল-_পুস্তক ও সংবাদপত্রের সমালোচন। ।
চিকিৎস। দর্পণ (মাদিক)। বৈণাখ ১২৭” (এপ্রিল ১৮৭১ )। “চিকিৎসা দর্পণ যছুনাথ মুখোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় চুচুড়। হইতে প্রকাশিত হইত। ১৯ বৈশাখ ১২৭৮ তারিখে সোম প্রকাশ" ইহার লমালোঁচনা-প্রলঙ্গে লেখেন এখানি মাপিক পত্রিক।। ইহাতে নানা প্রকাব গীঢা, তাহার চিকিৎস। প্রকরণ, এবং যে উধধ দ্বার যে রোগেন উপশম হয়, তাহার একটি উনাহবণ প্রদশিত হইয়াছে | ষে সকপ ডাক্তার ইংবাজী জানেন না, তাহাদিগেন্স সুবিলার্থ ইহার শেষতাগে শারীরবিধানেব ( ফিজিওলজি ) ছুই একটি অংশ বিবৃত ক্বা হইন়াছে। বাঙ্গাগা ভাষায় চিকিংস। সাক্রান্ত কোনদ্ধশ পত্রিকা ছিল না; চিকিৎসা দর্পণ ছার সে অভাব দূরীভূত হইতেছে । ইহ। দ্বারা সমাজের যে বহুতর হিত সাধিত হইবে তাহা বল। সাহুলা। একপ পত্রিকার সংথা। দিন দিন বৃদ্ধি হয়, এটা একান্ত প্রার্থনীয়। আমরা অনুরোধ কৰি সম্পাদক রচনার প্রতিও বিশেষ দৃষ্টি বাখেন |
হালিসহর পত্রিক। (মাপিক)। ১ বৈশাখ ১২৭৮ ( এপ্রিল ১৮৭১)।
পত্ধিকা প্রচারের উদ্দেপ্ত সম্বন্ধে সম্পাদক (জানকীন!থ গান্থুদী ) প্রথম সংখ্যায় এইরূপ লিখিয়াছেন
পলদীগ্ামস্থ লোক্দিগকে সহুপদেশ প্রদানার্থে নানাপ্রকার নীতিগর্ড ও চিত্তানন্প্রদ প্রবন্ধ সকল এই অভিনব পত্রিকায় প্রকটন করিধাঁর সন্তপ্ন কর৷ গিয়াছে, সংবাদ প্রদান করিয়া! পাঠক বর্গের হনোরঞন করা এই পঞ্জিকার উদ্দেশ্য নহে ।
. আধুনা! বক্কর সংবাদপত্র প্রচারিত হইতেছে, এমন কি প্রতি দিবসেই এক একখানি সংবাদপত্র
জদপ্রহণ করিতেছে । স্বশ্ত ব্য্ছ ও পরিশ্রমে পাঠক বর্গ সুতি ভুঝধি নুতন নৃভন সংবাদ অবগত হইতে
ণই সাহিত্য-পরিষ-পত্রি ক ওয়, হর্থ সংখ্যা
পারেন। ইংবাজি ভাষানভিন্ঞ পত্রিকাপাঠাভিলাধী জনগণের সাধান্ুসারে অভিলাষ পূর্ণ করা, ইন্ভাব একটা মুখা উদ্দেশ্য |
স্ুললিত ছন্দ সম্বলিত গঞ্ পদ্য ও মনোহর বচনা দ্বাধা মাতৃভাষার উন্নতি সাধন ইহার অপর উদ্দেশ্থা। ইভ।তে নানাপ্রকাব ইংপাজি ও সাস্তত গ্রন্থ এব' নাটকের অন্তবাদ ও কৌভুকবন্ধক বচনা সকল প্রকাশিত হইবে । অবিকল বচন! অতি কঠিন কাধা, তদ্দাব। ভাষার লালিতা ও মধুবতা ভঙ্গ হইবার বিশেষ সম্ভাবন" তজ্জন্য অবিকল অনুবাদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি ন৷ বাখির, ভাষাব লালিভা সম্পাদনে যু কব। ভইবে ।
দ্বিতীয় বৎসর (বৈশাখ ১২৭৯) হইতে 'হালিসহর পত্রিকা” পাক্ষিক আকারে প্রকাশিত হয়। ১৮৭০ সনে ইহা সাপ্তাহিক পত্রে পরিণত হইয়াহিল।
বিজ্ঞান চক্রবান্ধব (মনিক)। বৈশাখ ১২৭৮ €(১* মে ১৮২১)।
“যোডাস।কো) চাষাধোপাপাড়া ইটের মধ্যে ৩২ নং বাটা হইতে সহকারী সম্পাদক প্রীবিহারিলাল রায়” এই মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করিতেন। পঞ্জিকার কঠে এই শ্লোকটি মুদ্রিত হইত £_-
সহাঁং মনঃপক্ক জমুত প্রকাশকঃ । অদাধচেতন্তমসাং বিঘাভক? ॥ অশেষক্বীব-ভ্রনিদ্রিক[হবঃ| উদেতি বিজ্ঞানক চক্রবান্ধাব; ॥
হিতপাধিনী (যাসজগ্রিক)।, ১ বৈশাখ ৯২৭৮ (এপ্রিল ১৮৭১ )। এই পত্রিকা বরিশালের কুলকাটি হইতে মাসে তিন বার প্রকাশিত হইত । ৩৬ আষাঢ় ১২৭৮ তারিখের 'সোমপ্রকাশে প্রকাশ £ হিতসাধিনী-_এখানিও ১লা বৈশাখ হইতে প্রচারিত হইতে আরস্ত হইয়াছে । এখানি প্রতি মাসে তিনবার প্রচাবিত হয়।
হিচ্দু প্রদর্শক (মাণিক )। আষাঢ় ৯৭৯৩ শক (২৩ জুন ১১৭১)।
“এখানি সাময়িক পিক । আমরা ইহার ১ম ভাগ ১ম সংখ্য। প্রাপ্ত হইলাঘ। সম্পাদক বিজ্ঞাপনে লিখিয়াছেন, 'ইহাতে প্রধানতঃ হিন্দু-শান্র, হিন্দুসমাজ, ইতিহাস, বিজ্ঞান ও শিল্পবিষয়ক প্রস্তাব সমুদয় নিবেশিত হইবে, কিন্তু কোণ বিষয় নিতান্ত অকিঞিৎকর, অপ্রামাণিক বা পুরাতন প্রস্তাব গৃহীত হইবে না। প্রসিদ্ধ হিন্দু মেলার উদ্দেস্ত সাধন বিষয়ে সাধ্যমত পোষকত। করাও ইহার একটা প্রধ।ন লক্ষ্য; ইহাতে উল্ঞ মেলার বাৎসরিক অধবেশন ও তংসংক্রান্ত মালিক সভার কাধ্যববরণ সময়ে সময়ে প্রকাশিত হইবে? ঘর্তমান সংখ্যাক্স “হিন্দু জাতির জাতীগ বঞ্ধন,* প্চিত্তবিদ্ঠ।” “শকট” ও “জলাশ্য়” এই কয়েকটা প্রবন্ধ' লিখিত হইয়াছে। প্রবন্গুলি অতি প্রয়োজনীয়, -ও উহাদের রচন[ও পরিপাটা হইয়াছে ।”_-'এডুকেশন গেজেট, ১৭ ব্সধাঢ় ১২৭৮।
বেল লাইব্রেরির তাপিকায় “হিন্দু প্রদর্শকে'র সম্পাদক-্ূপে সীতানাথ ঘোষের নামোল্সেখ আছে। ইনিই বোধ হয় যশোহ্র-নিবাসী বৈজ্ঞানিক লীভানাথ ঘোষ ।
ইশ বর ] বাংলা সাময়িক-পত্র--১৮৬৮-৭২ টু বরাহছনগর বার্তীবহ (পাক্ষিক)। জ্যৈষ্ঠ ১২১ (ইং ১৮৭১))
ণ্বরাহনগর বার্তাবহ নামক পত্রের দ্বিতীয় ভাগ ৭ম সংখ্যা ও ৮ম সংখ্যা আমর! প্রাপ্ত হইলাম ।.**এই পত্রিকাথানি ১২৭৮ সালের জৈঃষ্ঠ মাসে জন্মগ্রহণ করিয়া চারি, মাস অতীত না হইতে হইতেই দেহত্যাগ করে।. এক্ষণে পুনরায় গত ১ল! বৈশাখ অবধি ইহার পুনঃপ্রচার আরম্ভ হইয়াছে । পব্রিকাখানি পাক্ষিক এবং আকারে একখণ্ড কাগজ ।”-'এডুকেশন গেজেট” ২৯ টৈশাথ ১২৯৯ | চু'চুড়! প্রকাশিকা (মাসিক)। আবণ (1) ১২৭৮ (ইং ১৮৭১)।
সরকারী রিপোর্টে ১২৭৮ লালের ভাদ্র-সংখ্য পত্রিকার প্রাপ্থিশ্বীকার আছে। চিকিৎসা সংগ্রহ (মাসিক )। শ্রাবণ ১২৭৮ (্ুলাই ১৮৭১) ।
“চিকিৎসা সংগ্রহ । মাসিক পত্রিকা। তৃতীয় সংখ্যা ।**'এরূপ পত্রিকা ও পুন্তকের সংখ্য। যত বুদ্ধি হয় ততই মঙ্গল।”__“সোন প্রকাশ, ১৭ অশ্বিন ১২৭৮। গাহন্থ্য চিকিৎস৷ বিধান (মাপিক)। জুলাই ১৮৭১
সম্পাদক--উম্াচরণ দে। আধ্যোদ্য় (মালিক-**)। শ্রাবণ ১২৭৮ (জুলাই ১৮৭১)।
"এখানি মাসিক পত্রিকা । প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বারুইপুর হইতে প্রচারিত হইতেছে ইহার প্রথম খণ্ড পাঠ করিয়া আমাদের এপ আশ! জন্মিতেছে যে, ইহা জন- সমাজে লব্ধ প্রতিষ্ঠ হইয়! দেশের শ্রীবৃদ্ধি সাধনে সমর্থ হইবে। এখানি যেমন পাঠযোগ্য-- তেমনি স্থুলভ মূল্যও হইয়্াছে। প্রতি খণ্ডের মূল্য এক আন! নির্ধীরিত হইয়াছে ।” -সোমপ্রকাশ ১৬ শ্রীবণ ১২৭৮ |
আমরা সরকারী রিপোর্টে ইহার জুলাই হইতে নবেদ্বর-সংখ্য/র উল্লেখ পরপর দেখিয়াছি। অতঃপর 'আধ্যোদয়” পাক্ষিক-পঞ্জরে পরিণত হয়; সরকারী রিপোর্টে কাণ্িক মাসের দ্বিতীয় পক্ষে পব্ধিকার প্রাপ্তিস্বীকার আছে। “আধ্যে।?য়ের সম্পাদক ছিলেন বাকইপুরস্থ প্রিক্নাথ গু । দেশহিতৈষিণী (পাক্ষিক)। ১ আশ্বিন ১২৭৮ (১৬ সেপ্টেতবর ১৮৭১)।
“এখানি পাক্ষিক পত্িক। আশ্বিন মাস হইতে প্রচারিত হইতে আরম হইক্াছে।, অধন্বর ছুই ফরমার ৮ পৃষ্ঠ; বাধিক মুল্য ছই টাক1। ঢাক! জেলার অন্তর্গত দিরাগঞ্ হইতে, এখানি প্রকাশিত হইতেছে ।”--এড,কেশন গেজেট” ২৮ আঙ্ষিন-১২৭৮।
,পত্রিকাখানি লিরাজগঞ্জের অস্তঃপাতি ফুলকোচ! চঙ্োদয় বন্ত্ে মুদ্রিত হইয়। প্রকাশিত হইত। রসরঙ্গ (সাপ্তাহিক )। আঙ্গিন নি ১৮%১.)।
. *্রসরজ, ৬ম ভাগ, ১ম লংখ্যা। এখানি প্রতি সোশবার ও্ীকাশিত হইতেছে। মুলা এক পয়সা । ইছা গন্তে পর্বে লিখিত হইতেছে । লেখা মন্দ হই্ডেছে না) বিশেষতঃ ৩৬
৭ সাঁহত্য-পরিষৎ-পত্রিকা [ আ.হবসংখ্য
পত্যগুলি অপেক্ষার্কত মিষ্ট হইতেছে । পদ্যগুলি পাঠ করিলে বোধ হয়, মৃত কবি ঈশ্বরচন্্র গুপ্তের কোনও ছাত্র ইহ! লিখিতেছেন।*--'সোমপ্রকাশ, ২৪ আখিন ১২৭৮। বিজ্ঞান রহস্য (যাসিক)। আশ্বিন ৯২৭৮ (২৫ সেপ্টেখবর ১৮৭১)।
"বিজ্ঞানরহস্ত'**মালিক পত্র-"'বাবু মহেন্্রনাথ ভট্টাচার্য এম, এ ইহার প্রণয়ন আরম্ভ করিয়াছেন ।”--সোম প্রকাশ, ২৪ আঙিন ১২৬৮ ।
ইহাতে বিজ্ঞান-বিষয়ক আলোচনা স্থাঘা পাইত। আধ্যাবর্তরীতিবোধিক1 (মাসিক)। আশ্বিন ৯২৭৮ (৯ অক্টোবর ১৮৭১)।
ধর্দম-বিষয়ক এই মাসিক পত্রিকার পরিচালক ছিলেন-_তৈৈলোক্যনাথ মুখোসধ্যায় । মাসিক প্রকাশিক। | কাঠিক ১:৭৭ (অক্টোবর ১৮৭ )।
"মাসিক গ্রকাশিকা নামে একখ।নি মানিক পত্রিক। আমর! উপহারন্বর্ূণ প্রাপ্ত হইয়াছি, ইহা পাথরিয়াখাটাস্থ সাহিত্য যন্ত্রে মুদ্রিত হইয়াছে, মূল্য পাচ আনা মাত্র” -এসম।ঢচার চক্দিকা, ৭ অগ্রহায়ণ ১২৭৭ ।
যোগেন্্রনাথ মুখোপাধ্যায় এই মালিকপত্রের প্রকাশক ছিলেন। পত্রিকার কণ্ঠে এই অংশটি মুদ্রিত হইত £--
«সম পাইলে যতনে করিব কণ্ম কশ্ম-ক্ষেত্র মাঝে, না করিব লাভয় নিক্ষপ হইলে ।" পত্রিকার মলাটের উপর এই ছুইটি শ্লোক মুদ্রিত হইত £--
ধৈর্য বৃক্ষ বৃদ্ধি হয় বহু দিন পরে । ক্রমে মূলাবান কল উৎপাদন কবে ।
দৃষ্টংকিমপি লোকেশ্মিন্ ন নির্দোষং ন নিপু ণ' | আবৃণুধবমতো দোষান্ বিবৃণুধবং শুণান্ বুধা; ॥
ছুই-তিন সংখ্য প্রকাশের পর “কোন বিশেষ কারণবশত: এই পত্রিকা কিয়দ্দিবস প্রচারিত হয় নাই।” প্মাঘ ১৭৯৩ শক” হইতে ইহা “১ম খণ্ড ১ম সংখা।”পে পুনঃপ্রকাশিত হয়। আধ্য-প্রবর (মালিক )। মাঘ ১৯২৮ স্বং (জীনুয়ারি ১৮৭২ )।
এই পতত্ব-বোধক মালিক পত্রের ৫ম সংখ্যা--পজ্যে্ঠ ১৯২৯ সম্বং* আঁমি দেখিয়াছি । ইহার কে "তথা বিজ্ঞান বশতঃ স্বভাবঃ সংগ্রসীদতি" মুদ্রিত হইত। সমালোচনা প্রসঙ্গে নধ্যস্থ লেখেন (২৯ পৌষ ৯২৭৯) "এই পত্র তববোধক । অর্থাৎ শিল্প, লাহিত্য ও বিজ্ঞানস্তোতক | ইহার বণিত বিষয় যেমন কুচিকর, ভাষ! তেমনি প্রাঞ্জল ও সন্ত)বম। খ্যানুক্রমে ইহ! যদি নিয়মিভরপে প্রকাশিত হয়, তবে বিবিধার্থ-সংগ্রহ বা রহস্ত-মঙর্ভের অঙুজ হওনের যোগ্য ।” কিন্তু “ধ্যস্থ' লিখিয়াছেন £--"এই মালিক পত্রের প্রথম খওড ১১ই জাঙিনে উদিত হইয়াছে ।” ইহা ঠিক নয় বলিয্বাই মনে হয়।
৫৪শ বর্ষ ] বাংল! সামধিক-পত্র--১৮৬৮৭২ ৭৫
বিশ্বদর্পণ (পাক্ষিক'..)1 মাঘ ১২৭৮ (আহুত্বারি ১৮৭২)। ্
“খানি পাক্ষিক পাত্রকা। শ্রীযুক্ত মোহুনললাল বিস্তাবাীশ ও তাঁরাকুদার কবির ইছার প্রচার আরম্ভ করিয়াছেন। ইহার বিষয়গুলি ও লেখা উত্তঘ হইতেছে । বালক- বালিকাগণের শিক্ষোপষোগী বিজ্ঞান লাহিত্যাদি বিষয়ক প্রস্তাব এবং রাজনীতি ধর্মনীতি সামাজিক রীতিনীতি সংক্রান্ত প্রবন্ধ সকল প্রকাশ কর! প্রচারকদিগের অভিপ্রেত। উৎকৃষ্ট সংবাদাদিও লিখিত হইবে। উৎসাহপ্রাপ্ত হইলে ক্রমে ইহাকে দাণ্তাহিক ও ইহার কলেবর বৃদ্ধি করিবার জন্য তাহা্দিগের বিলক্ষণ ইচ্ছ! আছে। ইহার প্রথম সংখ্য। দর্শনে বোধ হইতেছে দীর্ষামু হইলে ইহ! ক্রমে উন্নতি মোপানে আর হইতে পারিবে ।”__'পোমপ্রকাশ) ২ মাঘ ১২৭৮।
১২৭৯ সালের বৈশাখ হইতে পত্রিকাখানি মাসিকপত্রে পরিণত হয়। সরকারী রিপোর্টে ইহার উল্লেখ আছে। জ্ঞানপ্রভা। (মানিক )। চৈত্র ১৭৯৩ শক (২৩ মার্চ ১৮২) ।
পরিচালক - চন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত ।
ক ক গু ঙ্
কেদারনাথ মজুমদারের “থাঙ্গাল| সাময়িক সাহিত্য? গ্রন্থ ১২৭৮ সাল অর্থাৎ ১১ এপ্রিল ১৮৭২ পর্যন্ত অগ্রসর হইয়াছে । তিনি গ্রস্থশেষে লিখিয়াছেন :--"লমাজ দর্পণের সঙ্গে সঙ্গে ১২৭৮ সালে বরিশাল হইতে “পরিমলবাহিনী' বাহির হইয়াছিল। পরিমলবাহিনী কি পরিমল বহন কৰ্তেন আমর তাহা চেষ্টা কৰিয়াও অবগত হইতে পাঁবি নাই।” প্রকৃতপক্ষে এই ছুইখানি সংবাদপত্র ১২৭৯ সালে প্রকাশিত, স্থতরাং তাহার গ্রস্থের লীমা- বহিভূত্তি। 'পরিমলবাহিনী” পাক্ষিক পত্রিক1; ১২৭৯ সালে শ্রাবণ মাসের দ্বিতীয় পক্ষে (জুলাই ১৮৭২) বরিশালের কেওযাগ্রাম হইতে প্রকাশিত হয়। “সমাঙদর্পণ' সাপ্তাহিক পত্র, কলিকাতাঁর চোরবাগানে মুদ্রিত হইত) ইহার প্রথম সংখ্যার প্রধাশকাল-- ১৩ নবেম্বর ১৮৭২।
পরিশিষ্ট
এই প্রবন্ধে র বিষয়-বহিভূর্ত হইকেও আজোচয সময়কালের মধ্যে প্রকাশিত বাঁংল! ছাড়! অন্তান্ত দেশীয় ভাষার যেসকল পত্র-পন্জিকার উল্লেখ পাইয়াছি, সেগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিলাম।
অসমীয়। ভাষায় মুদ্রিত প্রথম সামফ্সিক-পত্র “অকণোঁদয় ; ইহ! মাঁপিকপত্র, ১৮৪৩ সনের মার্চ মাসে মিশনরীগণ কর্তৃক শ্রিবসাগর হইতে প্রকাশিত হয়। “অরুণোলয়ে'র ২৮ বদর পরে ১৮৭১ সনে অসমীয় ভাষার দ্বিতীয় মাসিকপত্র “আসাম বিলালিনী'র জন্ম; আলামবাসী কর্তৃক পরিচালিত ইহ! ই সর্বপ্রথম অসমীয়া পত্রিক। ইহার আবির্ভাবে “সোমপ্রকাশ (১০ আঙ্িন ১২৭৮) লিখিয়াছিলেন :-“আলাম বিলাপিনী। মাসিক পত্রিকা । এখানি আলাম দেশীয় ভাষায় লিখিত হইতেছে। মুল্য ৮%০ আনা ।” এই প্রসঙ্গে “সাহিত্য-পরিষত*পত্রিকা'য় প্রকাশিত ৫১৩১৪, হয় সংখ্য! ) পদ্মনাথ ভট্টাচার্যের “আগ|মের পত্র-পত্রিক1” প্রবন্ধও পঠিতব্য |
হিন্দী 2 ১৮৬৯ সনের এপ্রিল মাসে নাগরী অক্ষরে হিন্দী ভাষাতে 'ব্যাশার চক্্রোদয়? নামে একখানি সাপ্তাহিক-পত্র কলিকাতা হুইতে প্রকাশিত হয়। “সংবাদ প্রভাকর” €৩ মে ১৮৬৯) পত্রে প্রকাশ :--
ব্যাপার চন্দোদদ্র শামে একখানি সাপ্তাহিক নুন সংবাদপত্র আমবা প্রাপ্ত হইয়াছি। এখানি নাগবাক্ষবে হিন্দি ভাষাতেই প্রতি বৃহম্পতিবাব প্রকাশিত হইতেছে! এই পত্রথামি বাজসাহী প্রিন্টি কোম্পানী যন্ত্রে কলিকাতা বড়বাজরেব তুলাপটা হইতে প্রকাশিত হঈভেছে । মাগিক মূলা ১২. টাকা ।
সরকারী রিপোর্টে ১ ডিসেম্বর ১৮৬৮ তারিখের “বিদ্যা! বেহার' পত্রিকার উল্লেখ আছে। ইহ! বিহার হইতে প্রকাশিত একখানি হিন্দী পত্রিকা হওয়া সম্ভব।
ওড়িয়। : ১৮৬৮-৬৯ সনে উৎকল ভাষার এই কয়খানি পত্রিকা প্রকাশিত হইয়াছিল £--
“উত্কলদীপিকা+-_ইহা ১৮৬৮ সনে প্রথম প্রকাঁশিত হয়। সরকারী রিপোর্টে ১০ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৮ তারিখের “উৎকলদ্ীপিকা'র উল্লেখ আছে।
«“বোধ-দায়িনী ও বালেশ্বব সংবাদ বাহিকা”-১২৭৫ সালের ভাদ্র মাসে প্রকাশিত ফকীরমোহন সেনাপতি-সম্পাদিত সাহিত্য ও বিজ্ঞ/ন সংক্রীস্ত মাসিক পত্রিক! (“নব-প্রবন্ধ,” আগ্রহায়ণ ১২৭৫ দ্রষ্টব্য )।
“উডিষা! পেট্রিয়ট+- ইংরেজী-ওড়িয়া পাক্ষিক পর্রিকা ( ঢাকাপ্রকাঁশ, ২৮ মার্চ ১৮৬৯ দ্রষ্টব্য )।
£উত্কল পত্রিকা,“ জাতির মধ্যে ব্রাহ্গধর্্দ প্রচারের উদ্দেশে” কটক হইতে উৎ্কল ভাষাম্ব প্রকাশিত । ভ্রিলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায় এই মানিক পত্রিকা সম্পাদন করিতেন ( “তত্ববোধিনী পত্রিক1,' পৌষ ১৭৯১ শক ভুষ্টব্য ) :*
ক চাংড়িপোতা। বিছ্যাতূষণ-লাইব্রেরির সম্পাদক ভ্রনৃপেক্রনাথ চক্রবর্তী ১২৭৫ ও ১*৭৭-৭৮ সালের 'সোমপ্রকাশ' হইতে কতকগুলি আবশ্যক সংবাদ সংগ্রহ করিয়া দিয়াছেন। কাঙ্গীল হরিনাথের পৌোত্র প্রীবিশ্বনীণ মজুমদার ১২৭৫-৭৮ সালের “গ্রমব।ভাপ্রক।শিকা' এবং ভূঁদেব-রষ্ট-ফণ্ডের সভাপতি ভ্রীবটুকদের মুখোপাধ্যায় তৃদেব-্রস্থ(গ/র হইতে ১২৭৫-৭৮ দালে প্রকাশিত অনেকগুলি সাময়িক-পত্র দেখিবার হুযোগ দিয়্াছেন। বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষদের কৃ পক্ষও ডাহাদের গ্রন্থাগারে রক্ষিত দুশ্প্রাপ্য সামগ্লিকপত্রগুলি ইচ্ছামত ব্যবছার করিবার অনুমতি দানে কার্পণ্য কহেন নাই। এই সুঘোগে ইহাদের সকলকেই কৃতজ্ঞতা জ্বাপন
জম-সংশোঁধন £ 'উৎকল দীপিকা' সন্ধে এই পৃষ্ঠার ২৩1২৪ জংক্তি বর্জনীর। পদ্রিকাখানি প্রকৃতপক্ষে ১৮৬৬ সনে প্রকাশিত হচ্গ (0, হি. 957 £ এগ্েঞক, 07590 7456704546, 0০ 82 উক্টবা )।
বঙ্গীয়-ম।হিত্য-পরিষদের দ্বিপঞ্চাশত্ুম ও ত্রিপঞ্চাশত্ুম বাধিক কাধ্য-বিবরণ
১৩৫৩ বঙ্গাবের শাবণের শেষ হইতে বঙ্গদেশে, বিশেষ করিয়া! কপিকাঁতাগ্, ষে বীভৎস নরমেধষজ্ঞ আরম্ভ হইয়া বতসরাধিক কাল চলিয়াছিল, তাহাতে গন্ঠান্ত প্রতিষ্ঠানের স্তায় পরিষদের নিয়মিত কাধ্য-পরিচালন বিশেধভাবে অসম্ভব হইয়! পড়িযাছিল। এই হেতু যথাসময়ে দ্বিপঞ্ধাশজম ও ভ্রিপর্ধাশত্ূম বাধিক অধিবেশন আহ্বান করিতে পারা যায় নাই; কারধ্য-নির্বাহক-সমিতির নিদদেশমত অগ্যকার বাধিক অধিবেশনে এ ছুই বর্ষের সংক্ষিপ্ত কার্ধ্য-বিবর্ণ উপস্থাপিত কর! হইল।
বান্ধব--বর্ষশেষে পরিষদের একজন মাত্র বান্ধব জীবিত আছেন-_রাজ! শ্রীনরসিংহ মঙ্গদেৰ বাহাছুর।
অদশ্য--১৩৫১ বঙ্গাবের শেষে পরিষদের বিভিন্ন জেণীর সদস্ত সংখ্যা--
বিশিষ্ট সান্ত--১। সাবু শ্রীযছুনাথ সরকার, ২। রাদ্ধ শ্রীষোগেশচন্ত্র বাগ বাহাদ্রর বিদ্ানিধি, ৩) ডক্টর শ্রী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।
আজীবন-সদস্ত--১। রাজা শ্রীগোপাললাল রায়, ২) শ্রীকিরণচন্ত্র দত্ত, ৩। শ্রীগণপতি সরকার, ৪ | ডক্টর শ্রীনরেজ্ছনাথ লাহা, ৫ ডকৃটর শ্রীবিমলাচরণ লাহা, ৬। ডক্টর গ্রীসত্যচরণ লাহা, ৭। শ্রীদজনীকান্ত দাস, ৮। শ্রীব্রজেন্ত্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, ৯। শ্রীতীশচন্তর বনু, ১*। শ্রীহরিহর শেঠ, ৯১। ডক্টর শ্রীমেঘনাদ সাহা, ১২। শ্রীনেমিটাদ পাণ্ডেঃ ১৩। শ্রীলীলামৌহন সিংহ রায়, ১৪। শ্রীপ্রশান্তকুমার সিংহ, ১৫। মহারাজকুমার ডক্টর শ্রীরুবীর সিংহ, ১৬। শ্রীহিরণকুমার বঙ্, ১৭। শ্রীমতী বীণাপাণি দেবী এবং ১৮। উীমুরারিমোহন মাইতি।
অধ্যাপক-সদন্ত--বধশেষে এই শ্রেণীর সদস্ত-সংখ্যা ১০ হইয়াছে।
মাধারণ-সদস্ত-কলিকাতা ও মফস্বলবাদী সাধারণ-দদস্তের সংখ্যা আলোচ্য বর্ষের শেষে ১০০০ ছিল।
সহায়ক-সদহ্য_এই শ্রেণীর সদস্ত-সংখ্যা বর্ষশেষে ১২ ছিল।
পরলোকগত বান্ধব-_গত ১৮ আগস্ট ১৯৪৬ তারিখে ১০৬ বংসর বয়সে দেশহিতব্রতী, দানবীর মহারাজা সার যোগীন্ত্রনারায়ণ রায় বাহাছর পরলোক গমন করিয়াছেন। পরিষদের গঠন, পুষ্টি ও স্থাগ্নিত্ববিধানকরে অকাতরে সাহাধ্য দান করিয়া তিনি পরিষদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সহিত অচ্ছেগ্ভ সম্বন্ধে জড়িত হইয়া আছেন। পরিষদের গৃহনিশ্্ীণ, গ্রন্থ গ্রকাঁশ তহবিল স্থ(পন, মহামূল্য বিগ্ভাসাগর-গ্রস্থাগার দান, চিন্রশালার জন্য বহু ছুশ্রাপ্য ও মূল্যবান্ মৃত্ভি, চিত্ত প্রভৃতি ফান দ্বারা তিনি পরিষধকে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করিয়া গিয়াছেন। তিনি কয়েক বংসর পরিষদের সহকারী সভাপতির পদ অলম্বৃত
২ বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষদের
করিয়াছিলেন। তীহাব মৃত্য পরিষদের পক্ষে অপূরণীয় ক্ষতি। এই মহামুভব 'বান্ধবে'র জন্য পরিষৎ গভীর শোকপ্রকাশ করিতেছেন।
পরলোকগত সদষ্ঠগণ-_
(ক) আজীবন-সদস্ত--১। কুমার শরংকুমার রায়, ২। মৃণালকান্তি ঘোষ তক্তিতৃষণ।
(খ) অধ্যাপক-সদগ্ত_১। মহামহেপাধ্যায় পণ্ডিত হুর্াচরণ সাংখ্যবেদী ন্ততীর্থ, ২। পত্ডিত যোগেন্ুচন্দ্র বিগ্তাভূষণ, ৩। পণ্ডিত লক্্ীকান্ত বিদ্যাভৃষণ।
(গ) সাধারণ-সদন্ত--১। অনাথগোপাল চেন, ২। ইন্দুভধণ ভট্টাচার্য, ৩। দার উপেন্ত্রনাথ ব্রঙ্গচারী, ৪ | কণ!] দত, ৫| কিরণঠাদ দরবেশ, ৬ | কিশোরীমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় ৭। ক্ষিতীশচন্দ্র চক্রবন্তী, ৮। চিতসুখ সান্ঠাল, ৯। তারাকুষ্ণ শীল, ১০) দ্র্ীচরণ নন্দী, ১১। প্রমথনাথ চৌধুরী, ১২। প্রেমস্থন্দর বন, ১৩। প্যারীমোহন সেনগুপ্ত, ১৪। ডকৃটর ফণীন্ত্রনাথ ঘোষ, ১৫। বিভূতিভূষণ চট্টোপাধ্যায়, ১৬। মন্মথনাথ বন্দ্যোপাধ্ায়। ১৭। খতীন্ত্রনাথ বঙ্গ, ১৮। যতীন্ত্রমোহন রায়, ১৯। বমেন্দ্রনাথ ঘোষ, ২০। রাজকুমার বনু, ২৯। ডক্টর শুবোধচন্দ্র মুখোপাধ্যায়, ২২। সতীশচন্দ্র সেন, ২৩। স্ুরেক্ত্রচন্জ্ রায় চৌধুরী, ২৪। নুবেন্্রপ্রসাদ লাহিড়ী চৌধুরী, ২৫। হৃধীকেশ ভট্টরাচার্যা, ২৬। হেমচন্ত্র মিত্র।
সহায়ক-সদস্ত_-পণ্ডিত অতুলকৃষ্চ গোস্বামী ।
এই সকল সদস্তের পরলোকগমনে পরিষৎ গভীর শোকপ্রকাশ করিতেছেন এবং বিশেষ ক্ষতি বোধ করিতেছেন। ইহাদের মধ্য প্রমথ চৌধুরী, কুমার শরৎকুমার রায়, মহামহোপাধ্যায় দুর্গাচরণ সাংখ্যবেদান্ততীর্থ, সার উপেন্দ্রনাথ ব্রক্চারী এবং মুণালকান্তি ঘোষ তক্তিভূষণ পরিষদের সহকারী সভাপতি ছিলেন। সাংখ্যবেদান্ততীর্থ মহাশয় পাচ খণ্ডে পরিষদৃ- ্রস্থাবলীমধ্যে ্রঙ্গসুত্র বা বেদান্তদশন (শ্রীভাষ্। সমেত) সম্পাদন করিয়াছিলেন এবং ভক্কিভূষণ মহাশয় পরিষদ্গ্রন্থাবলীতে বাম্থদেব ঘোষের পদাবলী এবং গৌরপদতরঙ্গিণীর দ্বিতীয় সংস্করণ ( পরিবদ্ধিত) সম্পীদন করিয়াছিলেন। যতীন্দ্রনাথ বস্থ কাঁধ্য-নির্বাহক-সমিতির সভ্য, কোধাধ্যক্ষ, লম্পাদক ও সহকারী লম্পাদকরূপে বছ দিন পরিষদের সেবা করিয়াছেন । অনাথগোপাল সেন, যতীন্রমোহন রায়, ক্ষিতীশচন্ত্র চক্রবর্তী ও শ্ররেন্ত্রচন্ত্র রায় চৌধুরী বছ দিন পরিষদের কাধ্য-নির্বাহক-সমিতির সভ্য ছিলেন। ক্ষিতীশচন্ত্র মেদিনীপুর শাখা- পরিষদের অন্ঠতম স্থাপয়িত! এবং উহার সম্পাদক ও স€কারী সভাপতি ছিলেন এবং সুরেন্দ্র চন্ত্র রায়চৌধুরী রংপুর শাখা-পণ্রষদের অন্ততম স্থাঁপয়িতাঁ ও আজীবন সম্পাদক ছিলেন। চিত্তম্থখ সান্তাল পরিষদে ছশ্রাপ্য মৃত্তি, পুথি ও পুস্তক দান ব্যভীত নানাভাবে পরিষদের সেবা করিয়৷ গিয়াছেন। পঙ্ডিত অতুলরুষ্ণ গোস্বামী পরিষদ্ গরশ্থাবলীতুক্ত বনমালী দাসের “জয়দেব- চরিঞে সম্পাদন করিয়াছিলেন।
৫২ শও ৫৩ শবাধিক কার্ধ্য-বিবরণ ৬
পরলোকগত জাহিত্যলেবিগণ-__পূর্বোলিখিত সদস্যগণ ব্যতীত এই লকল সাহিত্যিক ও সাহিত্যবন্ধুর পরলোকগমনে পরিষৎ গভীর শোক প্রকাশ করিতেছেন ১। কিশোরীমোহন চৌধুরী । ২। জ্ঞানেন্ত্রনাথ শুপ্ত। ৩। কুমার দেবেন্ত্রলাণ খান। ৪। ডক্টর নলিনীকান্ত ভট্টশালী। ৫ পূর্ণচন্ত্র দে উদ্ভুটলাগর। ৬1 ভবানীচরণ লাহ!। ৭। যতীন্রমোহন বাগচী । ৮। পণ্ডিত রপিকমোহন বিছ্বাইষণ এবং ৯1 শশিভৃষণ মুখোপাধ্যায় । ইহার! বহুদিন পরিষদের সদন্ত”ছিলেন। ডক্টর ভষ্টশালী পরিষং-পত্রিকার লেখক ছিলেন। বিগ্ভাতৃষণ মহাশয়ের সম্পাদনায় পরিষদ্গ্রস্থাবলীতে জীব গোস্বামীর 'সর্ধসন্বাদিনী” প্রকাশিত হইয়াছিল এবং শশিভুষণ মুখোপাধ্যায় কাধ্য-নির্বংহক-সমিতির সভ্য ছিলেন ।
অধিবেশন _ আলোচ্য বর্ষে এই কয়টি সাধারণ অধিবেশন হইগ্াছিল,-(ক) এক- পঞ্চাশত্ম বাধিক অধিবেশন, ৬ই আশ্বিন ৯৩৫২। মাপিক অধিবেশন_২২এ পৌষ প্রথম ও ২৬এ চৈত্র দ্বিতীয়! এই সকল অধিবেশনে সদস্ত-নির্ববাচন, ভোট-পরীক্ষক নির্বাচন, শোক-প্রকাশ প্রভৃতি হয়। (খ) বাধিক স্বৃতিসভা--২৬এ চৈত্র ১৩৫২ তারিখে বঙ্কিমচন্দ্রের ও ২৩এ জ্যৈষ্ঠ ১৩৫৩ তারিথে আচার্য রামেন্ত্রনুন্দর ত্রিবেদীর শ্বতিসভার অনুষ্ঠান হয়। ১৫ই আযাঢ় মধুস্থদন দত্তের বািক স্বৃতিপূজা ও তাহার সমাধিস্তস্তে পুষ্পমাল্য অপিত হয়। (গ) বিশেষ অধিবেশন-_১৪ই বৈশাখ ১৩৫৩ তারিখে বিশেষ অধিবেশনে শ্রীনিন্মলকুমার বস্থকে “কল! ও সংস্কৃতি” বিষয়ে গবেষণার জন্ত রামপ্রাণ গুপ্ব স্বৃতি-পুরস্কার প্রদত্ত হয়। এই উপলক্ষে তিনি "রেখ-মন্দিরের বিবর্ভন” নামক প্রবন্ধ পাঠ ও ছায়াচিত্রের ছারা তাহার প্রবন্ধের ব্যাথ্যা করেন।
কার্ধ্যালয়-_সভাপতি শ্রুমন্থমোহন বন্থ; সহকারী সভাপতি-_সাঁৰ্ শ্রীষদনাথ সরকার, শ্রীবসস্তরপ্রন বাঁক বিহনবপ্লভ, মুণালকাঁন্তি ঘোষ ভক্তিভূষণ, শ্র'রাজশেখর বন, রাঙ্ি শ্রীহরেন্ত্রনাথ চৌধুরী, শ্রীহরিহর শেঠ, ডক্টর শ্রাগিরীন্দ্রণেখর বন্ধ ও শ্রীমতুলচন্জ্র গুপ্ত; লম্পাদক-- শ্রীসজনীকাস্ত দাস। লহকারী সম্পাদক--শ্রীঅনাথনাথ ঘোষ, শীজিতেন্ত্রনাথ বন্ধু, শ্রীযোগেশচন্দ্র বাগল, অআ্রীযোগেশচন্দ্র ভট্টাচার্ধ্য। পত্রিকা ধ্যক্ষ--শ্রীচিন্তাহরণ চক্রবত্তী। গ্রস্থাধ্যক্ষ--শীব্রজেন্্রনাথ বন্।পাধ্যায়। কোষাধ্যক্ষ -শ্রীবিমলচন্ত্র সিংহ। চিত্রশালাধ্যঙ্ষ _ শ্রীত্রিদিবনাথ র।য়। পুথিশালাধ্যক্ষ__শ্রীদীনেশচন্ত্র ভট্রাচার্ধ/ ।
আলোচ্য বর্ষে ও বর্তমান বর্ষে সকল দ্রব্যের দুর্খল্যতাবশতঃ কর্মমচাবিগণের অভাধ আংশিক লাঘব করিব।র জন্য (ক) কয়েক ক্ষেত্রে বেতন বৃদ্ধি কর! হইয়াছে, (খ) লকল ক্ষেত্রেই কিছু কিছু মালিক ভাতা দেওয়া হইয়াছে এবং (গ) অর্ধ মাসের বেতন অতিরিক্ত দ্েওয়! হইয়াছে ।
কার্ধঃ-দিব্ব।হছক-সমিতি _নিয়োক্ত সদস্তগণ মালোচ্য বর্ষে কাধ) নির্বাহক*সমিতির সভ্য ছিলেন। (ক) লদস্ভগণের দ্বারা নির্বাচিত-:১। মহারাজ শ্রীশ্রীশচন্্র নন্দী,
৪ বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষদৈর
২। অনাথগোপাল সেনের পরলোকগমনের পর-_শ্রীজ্যোতিষচন্ত্র ঘোষ, ও। শ্রীঅযল হোম, ৪। ডক্টর শ্রীনীহাররঞ্জন রায়, ৫1 অ্রীশৈলেন্দ্রক্ত লাহা ৬। শ্রীপুলিনবিহারী সেন, ৭1 বেভাঃ ফাদার এ দৌঁতেন, ৮। আগোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য্য, ৯। শ্রীহ্ৃবচন্জ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, ৯* | শ্রীজ্যোতিঃ প্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়, ১১। শ্ীঅনাথবন্ধু দত্ত, ১২। শ্রীজ্গদীশ ভ্রাচাধা, ১৩ শ্রীবিভান রায় চৌধুরী, ১৪। শ্রীজগন্নাথ গঙ্গোপাধ্যায়, ১৯৫। শ্রীকিরণচন্্র দত্ব, ১৬। শরীবলস্তকুম।র ১ট্রোপাধ্যায় । ১৭। শ্রীলীলামোহন সিংহ রায়, ১৮। শ্রীঈশানচন্ত্র রায়, ১৯। শ্রীকামিনীকুমার কর বায়, ২০। শ্রীমনোরঞ্জন গুপ্ত । (খ) শাখা-পরিষণের নির্বাডিত--২১। ক্ষিতীশচন্ত্র চক্র'্তী,২২ | আীললিতমোহন মুখোপাধ্যায়, ২৩। শ্রীমঞজিতকুমাঁর বন্ধু মল্লিক, ২৪ শ্রীঅতুল্যচরণ দে পুরাণরদ্ব। (গ) কলিকাতা করপোরেশনের পক্ষে-২৫। শীহ্গধীরচন্ত্র রায় চৌধুরী, ২৬। শ্রীবাধানাথ দাস।
নি্গিট কার্ধ্য বাতীত কার্থা-নির্বাহুক-সমিতিঠে নিম্নলিখিত বিশেধ কাধ্যগুলি সম্পাদন করিয়াছেন ।
(ক) কলিকাতা বিশ্ববিষ্ঠালয়ের_-১। শরৎ চন্দ লেকচারার ও পদক*নমিতিতে অশীসজনীকান্ত দাস, ২। কমলা-লেকচারার নিন্বাচন-সমিতিতে শ্রীতারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, ৩। গিরিশচন্ত্র ঘোষ লেকৃচারার লমিতিত শ্রীবীরেন্ত্রকুষ্ণ ভদ্র, ৪। জগতারিণী-পদক- সমিতিতে ডষ্টর শ্রী্ুশীলকুমার দেঃ ৫। তুবনমোহিনী দালী পদক-সমিতিতে শ্রীন্থুবলচ্জ বন্দ্যোপাধ্যায়, ৬। সরোজিনী বন্থু পদক-সমিতিতে শ্রীবসন্তকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং ষোগেশচন্ত্র ভট্টাচার্য) পরিষদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হন ।
€(খ) দশমিক মুদ্রা প্রবর্তনের বিষয়ে ভারত-লরকারের বিজ্ঞাপন সম্বদ্ধে পরিষদের মস্তধ্য জ্ঞাপন কর] হয়।
(গ) শীব্রজেন্্রনাথ বন্যোপাধ্যায়কে পরিষদের পক্ষে 1201581) 1113697105] [২০০45 (5০100015510 এর 4£95901966 1১167561 নির্বাচন করা হয়।
() পশ্চিমবঙ্গের রাঁজসরকার যাবতীম কার্যাপবিচালনের জন্ত বঙ্গভাষার প্রচলন করিবার ব্যবস্থা করিস বঙ্গভ।ষা ও সাহিত্যকে যে মর্যাদা দান করিয়াছেন, তঙ্জন্ত উক্ত বাজলরকারকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করা হয়। ৰ
(ড কবি অক্ষয়কুমার ধড়ালের জীবনী রচনার জন্য শ্রীব্রজেঞ্জনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়কে “অক্ষয়কুমার বড়াল স্বৃতিপদক"” প্রদত্ত হয়।
(5) নিয়লিখিত শাখালমিতি গুল গঠিত হয় _-১। সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন ও বিজন শাখা) ২। আয়ব্যয়, চিত্রশালা, পুস্তকালয় ও ছাপাখানা-মঙিতি; ৩। বান্ধিক কাঁধ্য-বিবরণ পরিদর্শন সমিতি ও ৪। প্রতিষ্ঠ। উৎলব সমিতি।
(ছে) [২০১] 315616 5০০$৪৮র 91৩50665815 ০£ 51 510510090৩5 এব অঙ্ষ্ঠানে, ইন্দোরে [100122) 17150028551 -7২609803 (06701215889 এর অধিবেশনে,
৫€২শ ও ৫€৩শ বাঁধিক কার্য্য-বিবরণ ৫
মেদিনীপুর শাখ-পরিষদের বাঁষিক অধিবেশন ও সম্মিলনে; চুচুড়ায় অনুষ্টিত আচার্য অক্ষয়চন্ সরকারের জন্মশতবাধিক উত্সবে এবং কলিকাতায় অনুষ্টিত প্রবাসী-বঙ্গ-সাহিত্া-সম্মেলনের বিশেষ অধিনেশনে পরিষদের প্রতিনিধি নির্কাচিক্ত করা হঘু।
(জ) সার শ্রীবদুনাথ সরকার মহাশয়কে পরিষৎ হইতে সংবদ্ধন! করিবার প্রস্তাব গৃহীত হইয়াছে। এই উপলক্ষে বিভিন্ন সাঁমধিক পত্রিকাদিতে তাহার যে সকল বাংলা রচন| প্রকাশিত হইয়াছে, সেগুলি একত্রে সংগ্রহ করিঞা প্রকাশ করা হইবে।
রমেশ-স্তবন-_-আলোচা বর্ধেও রমেণশ-ভবনের সম্পর্ণ দ্বিতল গবর্ষে্ট রেণনিং 'মফিসরূপে ব্যবহাত হইতেছে ।
(ক) বাগেরহাটনিবাসী ডাক্তার শী অরুণচন্্র নাগ ভাছার মাতামহী কবি মানকুমারী বন্থ, হরিপাল পাঠাগাব ও মাইকেল লাইব্রেরী হইতে যে ছুইটি স্বর্পদক ও যখে|হর-খুপনা ইউনিয়ন হইতে যে বৌপ্যপদক পাইয়াছিলেন, তাহ! পরিধদূকে দান করিয়াছেন; খে) রায় ঝাহাছুর শ্রীনরেন্ত্কূমার মেন ও শ্রীক্বনীকুমার সেন কবিবর নবীনচন্্র সেনের লিখিত ছুইখ।নি পত্র, (গ) রায় বাহাদুর শ্রী পি. আর দাঁশগুপ্ট নবীনচন্ত্র সেনের ব্যবহাত ১। ব্রকিং চেয়ার, ২। ছোট টেবিল ও ৩। শ|লের চোগা, (ঘ) শ্রীকরঞ্জাক্ষ বন্দ্যোপাধ্যায় সাহাব পরলোকগন্তা পরী স্ুত্রজা দেবীর অভিপ্রায় অনুলারে মহারাজ যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের আবক্ষ মুন্তি (ত্রোঞ্জ-নিমিত ) পরিষদের চিত্রশালায় দান করিয়াছেন, এবং (৩) শ্রীমনোরঞ্জন গুপ্ত তাহার সংগৃহীত ও নবাবিস্ত প্রথম মহীপাল দেবের তামশাসন বেলওমা-লিপি পরিষংকে দাঁন করিয়াছেন ।
গত ১৫ই ফাল্গুন ১৩৫৩ (২৭শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৭) লগ্ুনের [২০91] 2১090617%র [75111916007 01171978105 (1947-18 )এর পক্ষে লগুন-কমিটির সভা 98: [২10910 ৬৬1756606 ( 9106+0509171050 )) তত 06586 00090109690 000060102 [70190 1056010)) 190, 0831] ০0995 (1321091) 65০0 ) 8, 256))1 (নুতন দিল্লী), এবং (1, 06005 73:0৬ পরিষদের চিত্রশ[ল! পরিদর্শন করেন এবং লঞ্খনের উক্ত প্রদর্শনীতে প্রদর্শনের জন্গ চিত্রণালার কয়েকটি মুত্তি, চিত্র প্রস্ততি নির্বা।চন করেন। কাণ্যনির্ব।হক-নমিতির নির্দেশ মত সে সকল দ্রব্য উক্ত প্রদর্শনী-ক মিটিকে ধার দেওয়া হয়।
সংবন্ধনা-(ক) বিশ্বভারতীর শধ্যাপক শ্রীহরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘকালব্য।পী পরিএমে “বঙ্গীয় শব্কোষ* নামক বৃহৎ কোব-গান্থ সম্পুর্ণ করায় পরিষদের পক্ষ হইতে তাঁছাকে অভিনন্দিত কর! হয়।
থে) গত ২১এ অগ্রহায়ণ দিবসে বীকুড়ায় আচার্য শ্রীধোগেশচন্্র রায় বিগ্তানিধি মহাশরকে উন-নবত্িতম জন্ম-দিবসে পরিয়ৎ হইতে সংবর্ধন! কর! হয়। এই উপলক্ষে তাহাকে চন্দনাধারে গরদের উপর মুদ্রিত মানপত্র ও জরির য়াল্য দান কর! হয়।
৬ বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষদের
গ্রচ্ছ-গ্রক[শ--( ক) সাধারণ-তহবিল হইতে শ্রীযোগেশচন্ত্র বাগল-লিখিত লাহিতা- সাধক-চরিতমালার ৪৯ সংখ্যক পুস্তক রাজনারায়ণ বস্থ এবং শ্রীব্রজেন্ত্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত ৫১ হইতে ৬৫ সংখ্যক পুস্তকে মনোমোহন বন্থ। শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, হরিশ্চন্ নিয়োগী ও আনন্দচন্ত্ মিত্র, প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়, গিরীন্্রমোহিনী দাসী, অক্ষয়কুমার বড়াল *, তারকনাথ গঞ্পোপাধ্য|য়, কামিনী রায়, মানকুমারী বস্থ, বলেজ্নাথ ঠাকুর ও নুধীন্ন।থ ঠাকুর, দেবেজ্জরনাথ সেন, স্ুরেছীচন্ত্র সমাজপতি. সত্যেন্ত্রনাথ দত্ত, অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় ও রযেশচন্ত্র দত্ত -এই কয়জন সাহিত্যসেবীর মংক্ষিপু জীবনী ও সাহিত্য-কীর্ডির পরিচয় প্রকাশিত হইয়াছে ।
সপ্তীবচন্দ্র চটোপাধ্যায় লিখিত প্পালামৌ' গ্রন্থের দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হষ্য়াছে।
শ্রীবজেঙ্ছনাথ বল্োপধ্যায় ও শ্রীনজনীকাহ দাসের সম্প|দনায় তারকনাথ গঙ্গোপাধায় রচিত “ম্বণলিত।, প্রকাশের প্রস্তাব গৃহীত হইয়াছে ।
(খ) ঝাড়গ্রাম গ্রন্থ-প্রকাশ-তহবিলের অর্থে বঙ্কিমচন্দ্র রচনাবলীর এবং মধুস্থদন ও দীনবন্-গ্রস্থাবলীর অন্তর্গত কতকগুলি গ্রন্থ পুনযুদ্রিত হইয়াছে শ্রীত্রজেন্জনাথ খন্দো- পাধ্যায় ও শ্রীঙ্নীকাস্্ দাসের সম্পদন।য় দ্বিজেন্্ল।ল রায়ের কাবা গ্রন্থাবলী “কবিত! ও গান? এবং রামমে।ইন রায়ের চারি প্রশ্ন' বিষয়ক আলোচনা-গরন্থ প্রকাশিত হইয়াছে।
(গ) লালগোলা-গ্রন্ব-প্রকাশ তহবিল-_ভরীত্রজেন্জনাথ বন্দোপাধ্যায় প্রণীত ১। িলীয়- নাট্যশালার-ইতিহাণঠ ( পরিবর্ধিত তৃতীয় সংস্করণ) প্রকাশিত হইয়াছে, ২। “সংবাদ-প্ধে সেকালের কথা' ১ম ও ২য় খণ্ডের তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশের প্রস্তাব গৃহীত হইয়াছে। ৩। এই তছবিলের অর্থে শ্রীবসন্তরঞ্জন রায় বিদ্ব্নভ-মম্প।দিত চণ্তীদাসের ভ্রীকষ্ণ কীর্তন ৪র্ঘ সংস্করণ মুদ্রিত হইতেছে।
ভ্রজেজ্-গ্রন্থ-পুন: প্রকাশ সহবিল-_শুবরজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহধন্সিণী ও পরিষদের ণআজীবন লদস্ত” শ্রীমতী বীণ।প।ণি দেবী, তাহার স্বামীর রচিত ও পরিষদ গ্থাৰ্ীতুক্ত 'মাহিতা-সাধক-চরিতমালা'র অন্তর্গত গ্রন্থগুলির প্রচলিত সংস্করণ নিঃশেষিত হইলে এবং পরিষদের পঙ্গে সেগুলি পুনঃ প্রকাশ কর! সম্ভব না হইলে, যাহাতে সেগুলি প্রকাশ করিতে পারা যায়, তৃন্দেশ্বে ১০৪৩৪০ টাক! দান করিয়া এই তহবিল স্থাপন করিয়াছেন। প্রয়োজন হইলে 'সংবাদপত্জে মেকালের কণা” ও “বঙ্গীয় নাউশীলার ইতিহন রসথঘয়ের নৃতন লংস্বরণও এই তহবিলের অর্থে প্রকাশিত হইতে পারিবে। এই তহবিলে শ্রজেন্্রবাবুর কতিপয় বন্ধুও কিছু কিছু দান করিয়াছেন।
লাহিত্য-পরিষ্-পঞ্জরিকা--দিপঞ্চাশত্বম ও ত্রিপঞ্চাশতম ভাগ সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রি ক! চারিট যুগ্ন-সংখ্যায় প্রকাশিত হইয়াছে । এই ছুই ভাগে বিষয়-ভেদে এই ১৯টি প্রবন্ধ প্রকাশিত হইয়াছে ;-সংঙ্কত সাহিত্য ১, প্রাচীন সাহিত্য ৪, আধুনিক দাহিত্য ৬ ইতিহাস
* এই চরিতকণ। মুদ্রণের আংশিক লাছাধ্য বাবদ “অক্ষয়কুমার বড়াল স্বতিতহবিল"* হইতে ৫ ১২ টাকা পাওয়া গি়াছে। ও
৫২শ ও ৫৩ বাঠিক কাধ্য-বিবরণ ণ
ও প্রন্ঠতত্ব ৫, দর্শন ৯, ভাষাতত্ব ১, বিবিধ ১। কাগজ শিয়গরণের ফলে পঞ্জিকার কলেদর সংক্ষিপ্ু করিতে হইয়াছে ।
পুথিশালা-- আলোচ্য বর্ষে গৌড়ীয় মঠের সভ্যগণ পুথিশালায় এক বাঙিল পুথ দান করিয়াছেন, সেগুলি বাছিয়৷ তালিকাভুক্ত করা হইতেছে। বর্ষশেষে ৫৯০৫ খানি পুথি ( বাঙ্গালা ৩২৪৩) সংস্কৃত ২৩৯৪, তিব্বতী ২৪৪, অসমীয়া ৩, ওড়িয়া ৪, হিন্দী ১ও ফার্পা ১৩) তালিকাভুক্ত আছে। পুথিশালায় অনেক অন্ুসন্ধিৎস্বকে প্রাচীন সাহিত্য বিষয়ে গবেষণ। করিবার সুবিধা দেওয়! হইয়াছিল।
গ্রন্থাগার__মালোচা বর্ষে গ্রন্থাগারে ৭৫৮ খানি পুস্তক ও সাময়িক-পত্রিকা (ব্রীত ৪৮০ ও উপহার স্বরূপ প্রাপ্ত ২৭৮) সংযোজিত হইয়াছে। তন্মধ্যে শ্রীশিবাপ্রসন্ন বন্থু ২০১ বাঙলা ও ইংরেজি পুস্তক দাঁন করিয়াছেন । সংগৃহীত গ্রহগুলির মধ্যে সত্যেন্ত্রনাথ ঠাকুর, জ্যোতিরিক্্নাথ ঠাকুর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নবীনচন্্র সেন, হেমচন্্র বন্দ্যোপাধ্যায়, রাঁধামাধধ কর, অতুলকৃ্ণ মির, নবীনচন্ত্র বিছ্যারদ্র, অঘোঁরনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাধামাধব হালদার, গিরিশচন্ত্র ঘোষ, ক্ষীরোদ প্রসাদ বিদ্তাবিনোদ, প্রভাতবুমার মুখোপাধ্যায়, হরিশ্চন্ মিত্র প্রভৃতির রচিত কতকগুলি দুশ্রাপ্য ও প্রথম সংস্করণের গ্রন্থ উল্লেখযোগ্য । এবং পরিমদ্গ্রস্থাবলীর এবং সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকার বিনিময়ে বহু প্রতিষ্ঠান হইতে উপহারস্বক্ূপ - পুস্তক পত্রিকা পাওয়া গিয়'ছিল।
এতত্বাতীত (১) কষ্ণনগর কলেজের অবসর প্রাণ্চ অধ্যক্ষ শ্রজিতেজ্জমোহন সেন 'প্রবাসীঃর ১৭ বর্ষ হইতে ৪৬ বর্ষ পদ্থন্ত ( ১৩০৮-১৩৫৩) সম্পূর্ণ বধানো খণ্ডগুলি ধান করিয়াছেন। (২) ম্বর্গত হেমচন্দ্র মিত্রের পুত্র শ্রীঅরুণচন্ত্র মিত্র তাহার পিতার গ্রন্থ-সংগ্রহ হইতে
২৮১ খানি বাংলা ও ইংরেজি পুস্তক এবং ৮১ খণ্ড বিভিন্ন লাময়িক-পত্র দান করিয়াছেন।
আলো) বর্ষে কাধ্যনির্ধাহক-সমিতির ২৩এ জৈঠষ্ঠ ১৩৫৩ তারিখের অধিবেশনে পুস্তকালয়ের পুস্তক আদান-প্রদান সম্বন্ধে নিম্নোক্ত মন্তব্য গৃহীত হইয়াছে ;--“আগামী ১ আবাঢ ১৩৫৩ হইতে প্রত্যেক সনস্ত গ্রন্থাগার হইতে একখানি করিয়া বই পাঠার্থ বাড়ী লইয়৷ যাইতে পারিবেন । যঙ্দি কেহ এককালে ছুইখানি করিয়া বই লইতে ইচ্ছুক হন, তাহা হইলে তাহাকে অতিরিক্ত পুস্তকের জন্ঠ প্রতি মাসে চারি আনা করিয়! দিতে হইবে ।” এই মন্তব্য কার্ধ্ে পরিণত কর! হইয়াছিল।
গ্রন্থাগারের পুস্তক-তালিক! লঙ্বলনের ব্যবস্থা কর! হইয়াছে।
আলোচ্য বর্ষে বু অনুসদ্ধিৎসু পাঠককে পরিষদগ্রস্থাগারের ছুশ্রপ্য গ্রন্থ ও সামরিক-প্র আলেচনা করিবার লুবিধা দেওয়া হইয়াছিল।
বজীয় রাজ-সরকার-_-আলোচয বর্ষে পরিষদের গ্রন্থপ্রকাশের জন্তঠ ১৩৫২ ও ১৩৫৩ বঙ্গাব্ধের বাধিক লাহাধ্য ১২০০২ টাকা হিসাবে ২৪৭০২ বঙ্গীয় রাজ-লরকার দান করিয়াছেন । বঙ্গীয় রাজ*সরকারের নিকট এই জঙ্ত প্ধিষৎ বিশেষভাবে কৃত্তজ্ঞ।
ৰা বঙ্গায়-স|হিত্য-পরিধদের
কলিকাতা করপোরেশন-অলোচ্য বর্ষে ১৩৫২ ব্গাবের জন্তট করিকাত। করপোরেশন পরিবদ্গ্রস্থ।গারের জন্ত পুস্তকাঁদি ক্রয় করিতে ৫০*২ টাক! দান করিয়াছেন । এতদ্বযতীত করপোরেশন পরিষদ মন্দিরের ট্যাক্স রেহাই দিয়াছেন! কলিকাতা করপোরেশন্রে নিকট পরিষতৎ এই জন্ত বিশেৰ কৃতজ্ঞ ।
স্থ-সাহিত্যিক ভাগার-আলোচা বর্ষে এই ভাগ্ার হইতে চাঁরি জন সাহিত্যিকের
বিধবা পত়্ীকেঃ একজন সাহিতিাকের বিধবা কন্তাকে ও একজন মহিলা সাঁছিত্যিককে নিয়মিত মাসিক সাহাধ্য দান করা হইয়াছিল ।
স্মৃতি-রক্ষ-স্বর্গত রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের একখানি চিত্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গৃহীত হইয়াছে ।
বন্ধিম-শবন- আলোচ্য বষে কীঠালপাঁডাস্থ ব্ধিম-শবনের অলপ বিশ্তর সংঙ্গ।রের আবশ্তকত| দেখা গিয়াছে । ব্জীয়-সাহিত্য-পরিষদের নৈহাটা-শাখার তন্াবধানে এই ভবন রক্ষিত হইতেছে ।
শাখ-পরিষ আলোচ্য বধষে মেদিনীপুর, উত্তরপাঁড়া, গৌহাটা, রাটী, কাশী, ডাগলপুর, নৈহাটী, বর্ধমান ও জাঙ্গীপাঁডা-কষ্চলগর শাখায় যথারীতি অধিবেশনাদি হইয়াছিল। প্রতি বংসর আষাঢ় মাসে নৈহাঁটী শাখা-পরিষদের আয়োজনে বঙ্কিম-ভবনে বন্ধিমচন্ত্রের জন্মোৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
আগ্ল-ব্যয়--১৩৫২ ও ১৩৫৩ বঙ্গাকোর সংক্ষিপ্ত আয়-ব্যয়-বিবরণ ও উদ্ধত-পত্র লদণ্ঠ- গণের নিকট প্রেরিত হইয়াছে । উহা হইতে দেখা যাইবে যেঃ বিগত বর্ষের তুলনায় টাঁদা আদায় বিশেষ বাস প্রাপ্ত হইয়াছিল । কলিকাতা ও মফন্বলে হাঙ্গামার দরুণ সুটুভাবে টাদা আদায় কর! সম্তব হয় নাই। পরিষদের প্রতি মমতবোধবশতঃ যে লকল সদস্ত এই সাময়িক অন্থবিধ। উপেক্খা করিয়াও নিয়মিত টাদা দিয়া আমিয়।ছেন, এই স্ষোগে ইহাদের নিকট কুতজ্ঞতা জানাইতেছি । কলিকাতা করপোরেশনের ১৩৫৩ বঙ্গাঝের জঙ্ট ধাধিক দান না পাওয়ায় গ্রন্থাগারে প্রয়োনাগুরূপ গ্রন্থাদি খরিদ করিতে পারা যায় নাই। হিসাব-পরীক্ষক জ্রীবলাইটাদ কুণ এবং ভ্রীউপেন্্রমোহন চৌধুরী লমন্ত ছিসাব যতের সহিত পরীক্ষা করিয়া দিয়াছেন । এই জন্য তাহার পরিষদের বিশেষ ধন্যবাদতাজন |
কা/নির্ধাহক-নমিতির পঙ্গে ভ্রীসজনীকাস্ত দাস সম্পাদক
বঙ্গীয়-সাহি ভ/-পরিবং
» ফান্তন। ১৩৫৪